বহুরূপীদের দুর্গাপুজো

বহুরূপীদের দুর্গাপুজো-বীরভূমের লাভপুরে আজও হয় জাঁক করে

বহুরূপীদের দুর্গাপুজো-বীরভূমের লাভপুরে আজও হয় জাঁক করে।বীরভূমের লাভপুরের শীতলগ্রা্ম মানেই বহুরূপীদের বসতি।সারা বছর ধরে পেটের টানে কালী দুর্গা সাজলেও তারাও আয়োজন করে দুর্গাপুজোর।বহুরূপীদের দুর্গাপুজোর জাঁক জমক নিয়ে লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ।

গাঁয়ের পুজো হলুদ চালভাজা

গাঁয়ের পুজো পরিক্রমা-গুড়ের মিস্টান্ন শিল্প আর চালভাজা মুড়ি

গাঁয়ের পুজো পরিক্রমা-গুড়ের মিস্টান্ন শিল্প আর চালভাজা মুড়ি।গ্রাম বাংলার দুর্গাপুজো মানেই বড় পুজো।মেয়েদের বাপের বাড়ি থেকে আসা থেকে শুরু করে তত্ত্বতালাস গুড়ের মিস্টি চালভাজা মুড়ির সাতকাহন লিখছেন–স্বপনকুমার ঠাকুর

চিদাম্বরম নটরাজ : পঞ্চভূতলিঙ্গমের ব্যোম লিঙ্গম থিল্লাই নটরাজ

চিদাম্বরম নটরাজ : পঞ্চভূতলিঙ্গমের ব্যোম লিঙ্গম থিল্লাই নটরাজা।পঞ্চভূতের শেষ ‘ভূত’ হল ব্যোম, যাকে অনেকে ‘আকাশ’ বলে থাকেন। এই আকাশ বা ব্যোমের অধীশ্বর হলেন ব্যোম বা আকাশ লিঙ্গ চিদাম্বরম। তাঁর অন্য নাম হল থিল্লাই নটরাজা। চিদাম্বরম কথাটি এসেছে ‘চিৎ’ আর ‘অম্বর’ কথা দু’টির সংযোগে। এই দু’টি কথারই সুদীর্ঘ শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা আছে। তার মধ্যে না ঢুকে আমরা সহজ ভাষায় বলতে পারি ‘চিৎ’ অর্থাৎ চিন্তাশক্তি যাঁর ‘অম্বর’ অর্থাৎ পরিধেয় বস্ত্র, তিনিই চিদাম্বরম। নটরাজ নৃত্যের দেবতা। তাই সব নৃত্যশিল্পীদের কাছেই থিল্লাই নটরাজ মন্দির সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থ।লিখছেন-  আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

গাড়সি ব্রত মঙ্গলদীপ

গাড়সি ব্রত- প্রাগার্যসংস্কৃতির লোক ইতিহাসের অমূল্য উপাদানে সমৃদ্ধ

গাড়সি ব্রত- প্রাগার্যসংস্কৃতির লোক ইতিহাসের অমূল্য উপাদানে সমৃদ্ধ।বার মাসে তের পার্বনের বাংলায় প্রকৃত পক্ষে পার্বনের সংখ্যা বিচার করলে বলতে হয় বার মাসে বাহাত্তর পর্ব । যদিও এক দুই করে গুনলে সংখ্যাটা বাহাত্তরেও কুলোবে কিনা কে জানে ।এমনি একটি ব্রত হলো গাড়সি ব্রত বা গাড়ু সংক্রান্তি । এটা পূর্বতন পুব বাংলার একটি ব্রত । আশ্বিন সংক্রান্তির ভোর বেলায় অলক্ষ্মীকে বিদায় দিয়ে লক্ষ্মী ঠাকরুকে আহ্বান করেন গৃহস্থ রমণীরা- নানা প্রাচীন লৌকিক অনুষ্ঠান এর মধ্যে দিয়ে । লিখছেন–ময়ূখ ভৌমিক।

আশাপূর্ণা দেবী ও গুপ্তবাড়ির দুর্গা প্রতিমা

আশাপূর্ণা দেবী ও বেগমপুরের শতবর্ষ পুরানো গুপ্তবাড়ির দুর্গাপুজো

আশাপূর্ণা দেবী ও বেগমপুরের শতবর্ষ পুরানো গুপ্তবাড়ির দুর্গাপুজো।একটা পুরানো ঠাকুর দালান দেখে ভিতরে ঢুকে তো পড়ি কিন্তু আলাপ পরিচয়ে জানতে পারি গুপ্ত বাড়ির মেয়ে স্বনামধন্য লেখিকা আশাপূর্ণা দেবী। লিখছেন–সুমন্ত বড়াল।

মাকড়া মেলা

মাকড়া মেলা- প্রধান আকর্ষণ মাকড়া সিন্নির নামে টুসুগান

মাকড়া মেলা- প্রধান আকর্ষণ মাকড়া সিন্নির নামে টুসুগান।মেলা গ্রামীণ অনাড়ম্বর লোকজীবনে নিয়ে আসে ক্ষণিকের আড়ম্বর এবং তাৎক্ষণিকভাবে অনাবিল ভাবের আবেশ। এরকম প্রায় পাঁচ শত বছরের প্রাচীন এক মেলা বসে বাঁকুড়ার খাতড়া মহকুমার হিড়বাঁধ ব্লকের দেউলী গ্রামে (জে.এল. নং-০২৫)। মাকড়া মেলার নামকরণ হয় ওই মেলার পূজিত মাকড়া সিন্নি নামক লোকদেবী থেকে। এই মেলার প্রধান আকর্ষণ টুসু গান। লিখছেন–সুমিত মহন্ত।

দক্ষিণ গোপুরম, শ্রীকালহস্তীশ্বর

শ্রীকালহস্তীশ্বর : পঞ্চভূতলিঙ্গমের অন্যতম মরুৎ (বায়ু) লিঙ্গম

পঞ্চভূতলিঙ্গের চতুর্থ লিঙ্গ হলেন মরুৎ বা বায়ু লিঙ্গ শ্রীকালহস্তীশ্বর। পঞ্চভূতলিঙ্গের অন্য চারটির অবস্থান তামিলনাড়ুতে হলেও শ্রীকালহস্তীশ্বর অন্ধ্র প্রদেশে তিরুপতি থেকে ৩৬ কিলোমিটার দূরে শ্রীকালহস্তিতে অবস্থিত।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

উজানির মন্দির

উজানি শুধু ঐতিহাসিক স্থান নয়,জড়িয়ে আছে একালের দুই কবির স্মৃতি

উজানি শুধু ঐতিহাসিক স্থান নয়,জড়িয়ে আছে একালের দুই কবির স্মৃতি।আজকের মঙ্গলকোট থানার অন্তর্ভুক্ত মঙ্গলকোট, কো গ্রাম, আড়াল ইত্যাদি স্থান মধ্যযুগে উজানিনগর এবং উজানির দুর্গ নামে পরিচিত ছিল। উজানি কিন্তু একটি পীঠস্থান – দেবী এখানে মঙ্গলচন্ডী এবং ভৈরব কপিলাম্বর।
“উজানিনগর অতি মনোহর, বিক্রমকেশরী রাজা।
করে শিবপুজা উজানির রাজা, কৃপা কৈল দশভূজা ।”লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

গোকুলচাঁদ মদনগোপাল--বিরহীর মদনগোপাল

গোকুলচাঁদ মদনগোপাল বাঁকুড়া নদীয়ার দুই বিগ্রহ ও মন্দির কথা

গোকুলচাঁদ মদনগোপাল বাঁকুড়া নদীয়ার দুই বিগ্রহ ও মন্দির কথা।বাঁকুড়া জেলার পরিত্যক্ত পঞ্চরত্নমন্দির আর নদীয়া জেলার বিরহীর মদনগোপালের দালান মন্দির।দুই মন্দির নিয়ে জড়িয়ে আছে ইতিহাস কিংবদন্তী।লিখছেন–শুভদীপ সিনহা।

শরতের শালুক ফুল

শরতের শালুক ফুল-জড়িয়ে আছে লোকবিশ্বাস লোকসংস্কৃতি

শরতের শালুক ফুল-জড়িয়ে আছে লোকবিশ্বাস লোকসংস্কৃতি। বাংলায় ও বাংলাদেশ-শালুক, শালপা, নীল শাপলা ফুলকে শালুক বা নীলকমল, লাল শাপলা ফুলকে রক্তকমল বলা হয়। পদ্ম বা কমল ফুল গোত্রীয় হল শরতের শালুক।লিখছেন–পবিত্র পাঁজা।

FB.AppEvents.logPageView(); FB.getLoginStatus(function(response) { statusChangeCallback(response); }); { status: 'connected', authResponse: { accessToken: '...', expiresIn:'...', signedRequest:'...', userID:'...' } }