শিল,শিলখোদাই : শিল কাটানোর গান

শিলে খোদাই করার কারন মশলা খুব ভালো ভাবে পেষণ করা যায়।নরুন বা ছেনির ও হাতুরির সাহায‍্যে শিলের উপরিতলে খুঁদে ছোট্ট ছোট্ট এক ধরনের রেখা মতো করা হয়,তাকে শিলাচিত্রনও বলা যায়।এই খোদাই করার সময় চ‍্যাপ্টা শিলে মূলত দুটি জায়গায় ভাগে ঘটে থাকে।কোথাও কোথাও তিনটি ভাগও দেখা যায়।একদম উপরিভাগে,মানে ত্রিকানাকৃতি বা অর্ধচন্দ্রাকৃতি জায়গাটি তে পদ্ম,অষ্টদল পদ্ম,মাছ,এক জোড়া ধানের শীষ,এক জোড়া পানপাতা ইত‍্যাদি মোটিফের ব‍্যবহার দেখা যায়।নীচের জায়গা গুলিতে আজিকাটা রেখা,উপরনীচ,সোজাসুজি রেখা,বর্গাকার খোপ তৈরি করা হয়। এ সমস্ত মোটিফ গুলির সঙ্গে আলপনার অদ্ভুত মিল দেখা যায়…লিখছেন–দীপঙ্কর পাড়ুই

   মায়াপুর না নবদ্বীপ ? কোথায় শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান ?

প্রচলিত মত অনুযায়ী ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি (২৩ শে ফাল্গুন, ১৪০৭ শকাব্দ) দোল পূর্ণিমার রাত্রিতে  চন্দ্রগ্রহণের সময় নদীয়া নবদ্বীপের অন্তর্গত প্রাচীন মায়াপুরে চৈতন্য মহাপ্রভু আবির্ভূত হন। মহাপ্রভুর জন্মস্থান বিতর্ক নিয়ে লিখছেন–রিয়া দাস

পূর্বপাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত ছিল তিনদিন মুর্শিদাবাদ জেলা…

১৫ ই আগস্ট দিনটি ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হলেও  মুর্শিদাবাদ জেলার ক্ষেত্রে এই  গল্পটা একেবারেই আলাদা ছিল। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ই আগস্ট  ঠিক মধ্য রাত্রে রেডিও মারফত ঘোষণা করা হয় মুর্শিদাবাদ জেলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তির কথা।  সেই অনুযায়ী ১৫ ই আগস্ট  থেকে টানা ১৭ ই আগস্ট পর্যন্ত তিন দিন ধরে  মুর্শিদাবাদ জেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল পূর্ব পাকিস্তানে৷লিখছেন–আশুতোষ মিস্ত্রী

নদীয়ার স্বাধীনতা দিবস ১৮ই আগস্ট

আমার  যুক্তিগ্রাহ্য উৎসাহকে সম্মান করে শেষ পর্যন্ত সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিলেন ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। তাদের সহযোগিতাকে অবলম্বন করে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও-এর কাছে পৌঁছান গিয়েছিল এবং তাঁকে বুঝিয়ে দিনটি পালনের অনুমতি আদায় করা গিয়েছিল। তৎকালীন ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের নদীয়া জেলার আধিকারিক শ্রী সুভাষ সরকার মহাশয়ের আন্তরিক সহযোগিতায় ও আমার প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে পাওয়া গেল নদীয়ার স্বাধীনতা দিবস পালন করার অধিকার…লিখছেন অঞ্জন সুকুল

অযোধ্যা পাহাড়ের সীতাকুণ্ড

সেই একই গল্প, কোথাও রাম, কোথাও বা লক্ষ্মণ। তির মেরে পাতালের জল তুলে আনছেন সীতার তৃষ্ণা মেটাবার জন্য। এই কাহিনীটি কি আদিম কৃষিজীবী সমাজের চাষের জন্য ভূগর্ভস্থ জল তোলার রূপক? কে জানে, পণ্ডিতরা বলতে পারবেন। কিন্তু একটা কথা পরিস্কার — সেই একই রাম ভারতবর্ষের সব প্রান্তে। রামময় ভারত বর্ষ।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

ইছাই ঘোষের দেউলঃইতিহাস ও কিংবদন্তি

ইছাই ঘোষের মৃত্যুর পরে, সম্ভবত পরবর্তী কোন গোপ রাজা, তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে, এই অতি চমৎকার দেবালয় বা দেউলটি তৈরি করেন সম্ভবত মাতা ভগবতীর উদ্দেশ্যে।আবার অনেকের কাছে শুনেছি বর্ধমানের মহারানী বিষ্ণুকুমারী এই মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। আবার মন্দির নির্মাতা হিসাবে বর্ধমান রাজ চিত্র সেনের উল্লেখও পাওয়া যায়।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

হারিয়ে যাওয়া পুতুল-ঝুলন,হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব

সোস্যাল মিডিয়া যেন একটি আজব রঙ্গপীঠ।ভালো, মন্দ জ্ঞান, লোভ,হিংসা, অপরাধ,মিম, নষ্ট্যালজিয়ার ভরা আজব দুনিয়া।মাঝেমধ্যেই ঘুরেফিরে আসা একটি মিমে দেখা যায় কিছু বছর আগেও বাচ্চারা খেলতে যাওয়ার পর মা হাজারও ডাকবার পর বাড়িতে না আসবার জন্য লাঠি হাতে নিয়ে কান ধরে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে আসছে,আর বর্তমানে বিশেষ করে শহর,আধাশহর,মফঃস্বল এমনকি গ্রামবাংলাতেও বাচ্চারা ঘরে বসে মোবাইলে গেম খেলছে আর মা তাকে কান ধরে বাইরে খেলতে বার করে দিচ্ছে।্লিখছেন–রাহুল হালদার

ঝুলন ও শান্তিপুর

শান্তিপুরে একসময়ে চারধরনের ঝুলন হত..– বিগ্রহ বাড়িগুলোর রাধাকৃষ্ণের ঝুলন যা এখনও সমানতালে অনুষ্ঠিত হয় ।পুতুলঝুলন, এই ঝুলনটা এখন নেই বললেই চলে। শতাংশের হিসেবে ৯৭ ই ভাগই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একটা সময়ে এই পুতুল ঝুলনের এতই আনন্দ আর আবেগ ছিল যে তিন চারদিনের ঝুলনে বাচ্চারা পুতুল সাজাবে বলে ইসকুল ছুটি দিয়ে দিত।লিখছেন –অমিতাভ মিত্র

ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির বহুত্ববাদ হল ভারতের প্রজাতন্ত্রের শক্তি

১৯৪৭ সালের দেশ স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথেই এই সুরের তাল কেটে যায়, পূর্বে প্রতিশ্রুত অঙ্গীকার কংগ্রেস ভুলে যায় স্বাধীনতা লাভের তাড়াহুড়োতে এবং ভারতবর্ষের অঙ্গ থেকে পাকিস্থানকে আলাদা করে দেওয়া হয়। তৎকালীন সময়ে অনেক নেতাও ভেবেছিল পাকিস্থান ভাগের সাথে সাথে এই ভারত বুঝি ভেঙে খণ্ড খণ্ড হয়ে যাবে!  কিন্তু ভারতের বহুত্ববাদে সচেতন কোটি কোটি মানুষ সেই ভাঙনকে বুক দিয়ে রুখেছে।লিখছেন–সম্পর্ক মণ্ডল

ঝুলনযাত্রায় শান্তিপুরের মাটির পুতুল

বর্তমান যুগে যখন অধিকাংশ মানুষ শহরকেন্দ্রিক  যন্ত্র সভ্যতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে মানিয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছে।মাটির পুতুলের জায়গায়  অধিকাংশ ছেলে-মেয়েদের ঘরে দখল নিয়েছে বার্বি ডল,ফ্রান্সি খেলনা। তখনও শান্তিপুরের মতন এমন কিছু মফস্বল অঞ্চলের  ছোট ছোট কচিকাচাদের হাতে আজও ঘোরে ফেরে মাছ বিক্রেতা পুতুল,চাষা-চাষীর পুতুলের মতন আরো কত রকমের পুতুল।ঝুলনে ওরা মেতে ওঠে পুতুল সাজানোর নেশায়। আর এদের হাত ধরেই আজও বেঁচে থাকে শান্তিপুরের চৌগাছা  অঞ্চলের মতন আরো কত অজানা জেয়গায়,অজানা পুতুল,অজানা মৃৎশিল্প ও শিল্পীরা।লিখছেন–সুমন গায়েন

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.