পশ্চিমবঙ্গের পীঠস্থান ৩ – ত্রিস্রোতার ভ্রামরী

পীঠস্থানের প্রচলিত তালিকা অনুযায়ী ১৬ নম্বর স্থানে আছে ত্রিস্রোতা, এবং সেই হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের পীঠস্থানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আসে এই পীঠস্থানটি। দেবীর বাঁ পা এখানে পড়েছিল। এখানে দেবী হলেন ভ্রামরী ও ভৈরব ঈশ্বর। পীঠনির্ণয় তন্ত্রে বলা হয়েছে “ত্রিস্রোতায়াং বামপাদে ভ্রামরী ভৈরবেশ্বরঃ”…লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

কৌলাল তথ্যচিত্র উৎসবঃ সাধন দত্তের ‘দরজা’

দরজা কি বা তার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলাদা করে কাউকেই কিছু বলার প্রয়োজন নেই। তাই, আর কিছু না বলে সরাসরি তথ্যচিত্র দেখার অনুরোধ জানাই। আর অবশ্যই স্টার রেটীং-এর মাধ্যমে আপনার মতামত জানাবেন। Copyright secured by Digiprove © 2019 Koulal Koulal

শ্রীবাটীর চন্দ্রবাড়ির দুর্গাপুজো

বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজো।মা দূর্গা অর্থাৎ দেবী দশভূজা রূপে দেবীর আগমন সমগ্র মর্ত্তবাসীকে আনন্দিত করে তোলে।শ্রীবাটীর চন্দ্রবণিক পরিবারে পূজোবাড়ির দেবী দুর্গার সাবেকী পূজা প্রাচীনতম নির্দশন।প্রায় 300 বছরের প্রাচীনতম এই পূজো নিষ্ঠা ও প্রথা এক ব্যাতিক্রম নির্দশন।জাগ্রত দেবীমূর্তির আলোর ঝলকানি সমগ্র পূজোমন্ডপকে সুশোভিত করে তোলে।্লিখছেন–দেবপ্রিয় দাস

নিরোলের ব্যতিক্রমী গুপ্তবাড়ির দুর্গাপুজো

নিরোল পূর্ব বর্দ্ধমান জেলার কেতুগ্রাম থানার অন্তর্গত একটি সুপ্রাচীন গ্রাম। লোকশ্রুতি আছে যে দ্বাদশ শতাব্দীর বল্লাল সেনের আমলে নিরোল এলাকার রাজা ছিলেন নিদ্রাবল। তাঁর নাম অনুসারেই গ্রামের নাম নিরোল। এখানে বেশ কয়েকটি শতাব্দী প্রাচীন বনেদি বাড়ির দুর্গা পুজোর দেখা মিলবে। যার মধ্যে অন্যতম হল গুপ্ত বাড়ির কামাখ্যা দশভুজা।লিখছেন–কৌশিক রায় চৌধুরী

গুসকরার ৪০০ বছরের  প্রাচীন চোঙ্গদার বাড়ির ব্যতিক্রমী দুর্গা পূজা

বৌদ্ধ থেকে ব্রাহ্মণ, যজমানি ছেড়ে সেনাপতি, দশমীতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান- এক ব্যতিক্রমী বাড়ির পূজা ও  ইতিহাস দর্শন।গুসকরার ৪০০ বছরের  প্রাচীন চোঙ্গদার বাড়ির ব্যতিক্রমী দুর্গাপূজা।এই পুজো সম্পর্কে  কিছু বলার আগে আসুন জেনে নি- গুসকরার চোঙদার বাড়ির প্রাচীন ইতিহাস…লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

হুগলীজেলার কয়েকটি ঐতিয্যবাহী দুর্গাপুজো

হুগলীজেলার কয়েকটি ঐতিয্যবাহী বনেদিবাড়ির দুর্গাপুজো নিয়ে লিখছেন–শুভজিৎ দত্ত

কোচবিহারের পাঁচশো বছরেরও প্রাচীন বড়দেবী দুর্গা

কোচবিহার রাজবাড়ীর বড়দেবী দুর্গার চেহারা বেশ ভীতি উদ্রেককারী। তাঁর গাত্রবর্ণ লাল, তাঁর দ্বারা দলিত অসুরের গাত্রবর্ণ সবুজ। দেবীর বাহন সিংহ অসুরের পায়ে কামড়ে ধরে রয়েছে আর অসুরের হাতে কামড় বসিয়েছে একটি বাঘ। আর দেবীর দু’পাশে অবস্থান করছেন, দেবীর দুই সখি— জয়া-বিজয়া। বলাই বাহুল্য এই মূর্তি মহারাজা নর নারায়ণের স্বপ্নে দেখা রক্তবর্ণ দেবী দুর্গার রূপের প্রকাশ…লিখছেন–আবির ঘোষ

ভদ্রাবতী উপাখ্যান পুজোয় ও গানে

ভাদুর রাত জাগরণ এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণীয় অংশ।ত্রিশ দিন ধরে ভাদুকে পুজো করার পর কাল ভাদুকে বিদায়ের দিন।তাই পাড়ায় পাড়ায় চলে নিশি জাগরণ।ভাদুর উপাসক মেয়েদের কাছে ভাদু হয়ে ওঠে কখনও মা,কখনও মেয়ে আবার কখনও দেবী।তাই গানের মাধ্যমে তাদের আদরের ভাদুর কাছে নিবেদন করে তাদের সুখ-দুঃখ,অভাব-অভিযোগ।অবিচ্ছিন্ন ভাবে সারারাত ধরে চলতে থাকে ভাদু গানের ফোয়ারা।রাত কেটে হয় ভোর,ভোর থেকে সকাল এগিয়ে আসে ভাদুকে বিদায়ের মুহূর্ত…লিখছেন–শুভজিৎ দত্ত

মানভূমের মানসকন্যা ভাদু

ভাদু– মানভূমের মানসকন্যা। মা-মেয়ের মধুর সম্পর্কের অনাবিল ও সাবলীল প্রকাশ।এটা মানভূম,এখানে মেয়ের জন্য কন্যাশ্রী রূপশ্রী বা বেটি বাঁচাও প্রকল্প নিতে হয় না।আমাদের নিজস্ব লোক উৎসবগুলিই সেই দায়িত্ব পালন করে চলেছে…লিখছনে–সুশান্তকুমার মাহাতো ও সুখেন পরামাণিক

 কালনার দেবী সিদ্ধেশ্বরী

অম্বিকা কালনার  ” জোড়বাংলা” শৈলীর  একমাত্র মন্দিরটি হলো  অম্বিকা সিদ্ধেশ্বরী মহামায়ার।  এই দেবীকে অনেকেই মনে করেন যে ইনি জৈন দেবী। আর তাঁরই নামানুসারে হয় শহরের নামকরণ।  পূর্বে” অম্বিকা”ও “নিজ কালনা”  নামে দুটি আলাদা অঞ্চল ছিল। পরবর্তীকালে স্থান দুটি একীকরণ করে নাম হয় ” অম্বিকা কালনা” । সাধারণের কাছে এই দেবী ” সিদ্ধেশ্বরী কালী”  নামে পরিচিত হলেও মন্দিরের প্রবেশদ্বারের   উপরে যে শ্বেত পাথরের ফলক লাগানো আছে তাতে দেবীকে ওই পূর্বোক্ত নামেই  অভিহিত করা হয়েছে।লিখছেন–রিয়া দাস

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.