বাংলার রামায়ণপাঁচালীঃকিছু গান কিছু কথকতা

টিম কৌলাল   পৌরাণিক অথবা লৌকিক গেয় আখ্যান কাব্যকে সাধারণত পাঞ্চালী অর্থাৎ পাঁচালী বলা হতো।ঐতিহাসিকদের মতে এই পাঁচালীর দুটি ভাগ ছিল।কতক অংশ গানের মতো নাচের তালে গাওয়া হতো।এর নাম ছিল নাচাড়ি।বাকি অংশ সুরে তালে আবৃত্তি করা হতো।একেই বলা হয় পয়ার। প্রাচীন মধ্যযুগে এই পাঁচালী গান গ্রাম্যদেব-দেবীর পূজা উপলক্ষে গাওয়া হতো।একজন থাকতেন মূলগায়ক।হাতে কঙ্কণ বা তোড়া,চামড় […]

হেতমপুরের চন্দ্রনাথ শিব মন্দির

মন্দিরটির দিকে তাকালে প্রথমেই যেটা চোখে পড়ে, তা হল এর অ-সাধারণ গঠন। প্রথমতঃ, মন্দিরটি আটকোনা, যা বিরল না হলেও সচরাচর দেখা যায় না। দ্বিতীয়তঃ, এর মাথায় ন’টি চূড়া, আটকোনে আটটি ও কেন্দ্রে একটি বড়। অর্থাৎ, এটি একটি নবরত্ন মন্দির…লিখছেন-আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

কাজী নজরুলের চুরুলিয়ার বাল্য জীবন ও লেটোগান

এ খাঁটি মাটি থেকে উঠে এসেছে।…….তাঁর কবিতায় গ্রামের ছন্দ, মাটির গন্ধ পাই। দেশে যে নূতন ভাব জন্মেছে তাঁর সুর তা-ই। তাতে পালিশ বেশি নেই, আছে লাঙ্গলের গান, কৃষকের গান।মানুষের একাত্মসাধন। এ অতি অল্প লোকেই করেছে।নজরুলের জীবন ও কাব্য নিয়ে লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

বীরনগরের উলাই চণ্ডী

উলাইচন্ডী দেবী সম্পর্কে দুটি লোককথাও জানতে পারলাম। একটি লোককথা মনসামঙ্গলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, অপরটি চন্ডীমঙ্গলের সঙ্গে…বীরনগরের উলাই চণ্ডী নিয়ে লিখছেন–শৌভিক বিশ্বাস

বিশ্বাস আর ভরসার ফল্গুধারা : দেশ থেকে বিদেশেও

সবার বিশ্বাস, এখানকার মাটির এক অলৌকিক শক্তি আছে যা যেকোনো রোগ সারিয়ে দিতে পারে। তা শারীরিক হোক, বা মানসিক। এমনকি সম্পর্ক ঠিক করতেও অনেকে এই মাটির অলৌকিক শক্তিকে কাজে লাগান। তাই মানুষের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত শেষ হতে থাকে গর্তের মাটি। তা আবার কাছের পাহাড় থেকে নিয়ে এসে সেই গর্তটিতে ঢালা হয়। জানা গেছে, সারা বছরে ২৫ থেকে ৩০ টন মাটি বয়ে এনে ফেলা হয় ওই গর্তে। সেই ঘরটির মধ্যে প্রচুর ব্যবহৃত ক্র্যাচ ঝোলানো আছে। যারা পঙ্গু বা রোগগ্রস্ত অবস্থা থেকে রোগমুক্ত হয়েছেন, তাঁরা সেগুলি এবং তাঁদের অন্যান্য ব্যবহৃত জিনিসপত্রও সেখানে রেখে গেছেন…লিখছেন তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

পীর বাহারাম সাক্কা ও শের আফগান কাহিনি

আজকের শহর বর্ধমান এক ঐতিহাসিক নগরী , মোগল যুগে পরিচিত ছিল শরিফাবাদ নামে | ভারতবর্ষে তখন মুসলিম রাজত্ব চলছে …. এসময় দীর্ঘ সময় জুড়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নগরী বর্ধমানে হিন্দুদের সাথে সাথেই এসেছেন অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলিম , পীর , সুফি সাধকগণ | সাক্ষী হিসেবে তাঁদের কিছু জনের সমাধি আজও রয়ে গেছে এখানে | এরকমই এক সমাধিক্ষেত্র পরিদর্শন করব আমরা , যেটা একদম মূল শহরেই অবস্হিত।লিখছেন-পারমিতা চক্রবর্তী ভট্টাচার্য।

হেতমপুরের হাজারদুয়ারী ‘রঞ্জন প্যালেস’

এই প্রাসাদে সেগুন কাঠের তৈরী ৯৯৯ টি দরজা আছে বা ছিল, যার জন্য লোকমুখে এর অন্য নাম হাজারদুয়ারী প্রাসাদ। মুর্শিদাবাদের বিখ্যাত হাজারদুয়ারী প্রাসাদের থেকে আলাদা করতে এই প্রাসাদটিকে ‘হেতমপুরের হাজারদুয়ারী’ বলা হয়। লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

১৭ই মে’র এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ ও এক বিশ্বাসঘাতক দেশপ্রেমী!

ভেবে দেখুন সিপাহী বিদ্রোহের মাত্রই কিছুদিনের মধ্যে, খোদ ভারতবর্ষের এক কোণায় আদিম অধিবাসীরাই প্রথমে ইংরেজদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে অস্ত্র ধারণ করে। কলকাতার বাবুসমাজ এবং রাজা/গজার দল তো তখন ইংরেজদের পদলেহনে ব্যস্ত। বাংলায় বিপ্লবের বীজ তখন ভবিষ্যতের গর্ভে নিহিত…এবার্ডিনের যুদ্ধ নিয়ে লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

সিন্ধুনদের দেশে : লাদাখ

লাদাখ থেকে যখন ঘুরে এলাম, এসে থেকেই বুঝতে পারি কিছু একটা ফেলে এসেছি। হ্যাঁ, আমার শরীরটা ফিরে এসেছে বটে, কিন্তু মনটা রয়ে গেছে ওখানেই। মনটাকে নিয়ে আসতে পারিনি ওই স্বর্গ থেকে। প্রতিদিনই ইচ্ছে হয় আবার যাই, সেই জায়গাগুলোতে,  গিয়ে মনটাকে খুঁজে আনি। কিন্তু জীবনের অনেক অসম্ভবের মতই হয়ে ওঠে না।লিখছেন–ড.শিলাদিত্য পূজারী

দেবী যোগাদ্যা,লোকরামায়ণ ও নরবলি প্রসঙ্গ

ক্ষীরগ্রামের মহাপুজোর কয়েকদিন আগে মের ধরে বা কিনে এনে প্রধান সেবাইত এক গোপন ডেরায় তুলতেন মাঠের মধ্যে। এখনও সেই ক্ষীরগ্রামের মাঠটি “নরবাঁধা মাঠ” নামে সুপরিচিত।যত্ন আত্তি করে খাইয়ে আমোদ প্রমোদের ব্যবস্থা করা হতো।এইভাবে রাজার হালে কয়েকদিন রেখে দেওয়া হতো তাকে।বলি দেওয়ার আগের দিন ক্ষৌরকর্ম করে নতুন কাপড় চোপর পরিয়ে বাদ্য সহকারে গ্রাম প্রদক্ষিণ করানো হতো।পুজোর দিন তেলহলুদ মাখিয়ে একটা বুনোফুলের মালা পরিয়ে হাতে পায়ে শেকল দিয়ে বেঁধে হাড়িকাঠে ভরে দেওয়া হতো…লিখছেন-স্বপনকুমার ঠাকুর

WhatsApp Support
error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.