দধিকাদা উৎসব

মদনমোহন রাধা বিহীন একক কৃষ্ণ মূর্তি ও জন্মাষ্টমী উৎসব

কোচবিহার রাজবংশের কুলদেবতা মদনমোহন বিগ্রহ।পূর্বভারতের অন্যতম বৈষ্ণবধর্মের প্রচারক অসমের শঙ্করদেবের প্রভাবে এই বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে অনেকেই মনে করেন।মদনমোহন মূলত কৃষ্ণের একক বিগ্রহ।রাধা নেই।ইতিহাস ও জন্মাষ্টমী উৎসব নিয়ে লিখছেন–আবির ঘোষ।

Khudiram Bose

আত্মবলিদান দিবস- ভারতের অগ্নিযুগের দুই মহান বিপ্লবী

আত্মবলিদান দিবস বলতে প্রথমেই যার নামটি উঠে আসে তিনি হলেন শহীদ ক্ষুদিরাম বসু।১৯০৮ সাল ১১ আগষ্ট ভোর ছয়টায় ব্রিটিশ সরকার ১৮ বছরের এক তরতাজা যুবকে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করালো। কারা ফটকের বাইরে জনগণের কন্ঠে স্নোগান শোনা গেল ‘ বন্দেমাতরম ‘।লিখছেন–অভিষেক নস্কর।

শোভাবাজার রাজবাড়ির গোপীনাথ

শোভাবাজার রাজবাড়ির গোপীনাথ-ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিতর্ক

শোভাবাজার রাজবাড়ির গোপীনাথ-ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিতর্ক। শোভাবাজারের রাজাদের গৌরবপর্বের সাথে শ্রীগোপীনাথ জীউ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।লিখছেন–শুভদীপ রায় চৌধুরী।

ল্যান্সডাউনের নিসর্গ

ল্যান্সডাউন – হিমালয়ের কোলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট নিস্তরঙ্গ জনপদ

ল্যান্সডাউন- হিমালয়ের কোলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট নিস্তরঙ্গ জনপদ।উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ে লুকোনো অগুনতি জনপদের মধ্যে একটি হল ল্যান্সডাউন, শান্ত, নিঝুম এক হিল স্টেশন।  ১৮৮৭  সালে আলমোড়া থেকে এখানে সরে আসে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একটা অংশ, জঙ্গল কেটে তৈরি করে এই হিল স্টেশন। স্বাধীনতা সংগ্রামীরাও এখানে বেশ তৎপর ছিলেন। তৎকালীন ভাইসরয় ল্যান্সডাউনের নামে এর নাম রাখা হয় ল্যান্সডাউন।–লিখছেন–শীর্ষা ব্যানার্জি

নানাধরনের-পুতুলের-সমাবেশ

কালীঘাটের পুতুলশিল্পের লুপ্তপ্রায় ধারা–জন্মাষ্টমী ও ঝুলনের পুতুল

কালীঘাটের পুতুলশিল্পের লুপ্তপ্রায় ধারাটি এখনও টিকে রয়েছে জন্মাষ্টমী ও ঝুলনের পুতুলের মধ্য দিয়ে।অধিকাংশ মহিলাশিল্পী।বংশানুক্রমিকভাবে মূলত মহিলাশিল্পীরা পুতুল তৈরি করে আসছেন।এই শিল্পের অতীত বর্তমান নিয়ে পর্যালোচনা করেছেন বিশিষ্ট ক্ষেত্রসমীক্ষক–শুভঙ্কর মণ্ডল

মহামারী ও দেবী চণ্ডীকা

মহামারী ও দেবী চণ্ডীকা-পৌরাণিক আখ্যান রক্তবীজ অসুর

মহামারী ও দেবী চণ্ডীকা -ভয়ঙ্কর রক্তবীজ নামক অশুভ শক্তির উল্লেখ আছে স্কন্দপুরাণে, দেবী ভাগবতে। দেবী মাহাত্ম্য বা দূর্গা সপ্তশতীতে শুম্ভনিশুম্ভ প্রেরিত রক্তবীজের বিশদ বিবরণ উল্লেখিত। শারদ দূর্গোৎসবের আর কিছুদিন মাত্র বাকী। আকাশে বর্ষা কেটে গেলেই এক বিশেষ নীলাকাশে সাদা সাদা মেঘেরা ভেসে যাচ্ছে, এমন সময়ে সেই মহাদূর্গা দেবীর রক্তবীজ বিনাশকারী অষ্টম অধ্যায়টি বড় গুরুত্বপূর্ণ এই ২০২০তে।লিখছেন–অনিতা বসু।

তালপাতার ছাতা পেঁকে টোকা

তালপাতার ছাতা পেঁকে টোকা আবহমান লোকশিল্পের উদাহরণ

তালপাতার ছাতা পেঁকে টোকা আজও দেখা যায় গ্রামবাংলায়।যদিও এই সহজিয়া লোকশিল্পের ধারাটি বিলীয়মান।সস্তার পলিথিন এসে এই আবহমান লোকশিল্প বিলুপ্তপ্রায়।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ।

কলকাতার প্রাচীনতম দুর্গাপুজো

কলকাতার প্রাচীনতম দুর্গাপুজো-বড়িশার সাবর্ণদের দুর্গোৎসব

কলকাতার প্রাচীনতম দুর্গাপুজো বড়িশার সাবর্ণদের।এই বংশের অন্যতম কৃতি পুরুষ লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার চৌধুরী সপ্তপদশ শতকের প্রথম দিকে শুরু করেন দুর্গাপুজো।সেই পুজো আজও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।লিখছেন–শুভদীপ রায় চৌধুরী।

হিলোড়ার শ্যামসুন্দর

হিলোড়ার শ্যামসুন্দর- রামায়েত সন্ন্যাসী ও আসর উন্নেসা বেগম

হিলোড়ার শ্যামসুন্দর-এক অপূর্ব কৃষ্ণবিগ্রহ।এই বিগ্রহ আসলে রামায়েত সন্ন্যাসীদের পূজিত বিগ্রহ ।এই বিগ্রহের সঙ্গে রাধার কোন যোগ নেই।শ্যামসুন্দরের সেবার জন্য রানি ভবানীর সঙ্গে নবাব পরিবারের ভক্তমতী রমনী আসর উন্নেসা বেগম প্রচুর ভূমিদান করেছিলেন।লিখছেন–শুভদীপ সিনহা।

বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির সুপ্রাচীন মনসাপুজো--বাদিকে দেবী মনসা , মাঝে জরৎকারু মুনি আর ডাইনে নেতা ধোপানী

বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির সুপ্রাচীন মনসাপুজো ও ঐতিহ্যবাহী মেলা

বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির সুপ্রাচীন মনসাপুজো জলপাইগুড়ি জেলার অন্যতম হেরিটেজ।আজও এই পুজোকে কেন্দ্র করে নানা লোকানুষ্ঠানের পাশাপাশি মেলা বসে।সেই পুজো নিয়ে লিখছেন আবির ঘোষ।