ভারতীয় অনুচিত্রে ব্রতিনী ও ব্রতকথা

Share your experience
  • 324
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    324
    Shares

দীপঙ্কর পাড়ুই : ব্রত বলতে সাধারনত নিয়ম বা সংযমকেই বোঝায়।গ্ৰম বাংলায় বলা হয় পালুনী বা পালনী।পালুনী শব্দে কিন্তু নিয়মকেই নির্দেশ করা হয়েছে।একঘন্টা থেকে কয়েকদিন,কয়েকদিন থেকে কয়েকমাস যাবৎ ব্রত পালিত হয় বাংলায় তথা ভারতবর্ষের নানা গ্ৰামে।এ প্রসঙ্গে চিন্তাহরণ চক্রবর্তী উল্লেখ করেছেন-‘নিয়মিত আহার সংযম প্রত‍্যেক ব্রতের প্রধান অঙ্গ।উপবাস,একহার, নিরামিষ,হবিষ‍্যান্ন বা আংশিক আহার গ্ৰহণ ব্রতের অপরিহার্য অঙ্গ।ছয় বৎসর যাবৎ প্রতি শুক্লা পঞ্চমীতে করনীয় ষষ্ঠ পঞ্চমীব্রতে প্রথম দুই বৎসর অলবণ আহার,তাহার পর দুই বৎসর হবিষ‍্যান্ন,পঞ্চম বৎসর ফলাহার এবং ষষ্ঠ বৎসর উপবাস।পাঁচ মঙ্গলবারে অনুষ্ঠেয় মঙ্গলচণ্ডীব্রতে প্রথম দিন শাকভাত,দ্বিতীয় দিন ঝোলভাত, তৃতীয় দিন ঘন্টভাত,চতুর্থ দিন মুগডালভাত ও পঞ্চম দিন দইভাত।’এ বর্ণনা থেকে স্পষ্ট যে ব্রত হল পালুনী বা সংযম।আবার ব্রতে কামনার কথাও বর্ণিত থাকে।কৌতূহলের বিষয় অনেকদিন ধরে ভারতীয় মিনিয়েচার বা অনুচিত্র দেখার সুবাদে হঠাৎ করে ব্রতকথা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে চোখে পড়ে এই সমস্ত ব্রতের ছবিগুলি।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

ভারতীয় অনুচিত্রে Worship images গুলি অনেক কথা বলে।ইতিহাস ঘাঁটলে আমরাদেখতে  পাব আনুমানিক খ্রীষ্টীয় ৭০০-১৫০০ সময়কালের মধ‍্যে রচিত পালযুগের পুঁথিচিত্রে আমারা পুজোর প্রসঙ্গ পেয়েছি।কিন্তু খুব আগ্ৰহের সাথে দেখলে সেগুলি যে ব্রতকথা তা বোঝা যায় না।এ গুলি বেশির ভাগ তালপাতায় আঁকা হত।পরে অবশ‍্য কাগজেও দেখা গেছে।ঠিক একই সময়ে আমরা পেয়েছিলাম জৈন পুঁথিচিত্র।মধ‍্যভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতে এদের বিস্তৃতি ছিল।এমনকি এই প্রভাব আমাদের নেপাল,বাংলায় ও উড়িষ‍্যায়তেও ছড়িয়ে পড়েছিল।মিনিয়েচারে মূলত এইসব চিত্রশিল্পীদের বংশগত প্রভাতও দেখা গেছে।মিনেয়েচারে কল্পসূত্র,কালকাচার্যকথার চিত্ররীতির প্রভাব পড়েছিল।পরবর্তীতে এসমস্ত প্রভাব ও মুঘল প্রভাব একসঙ্গে মিশে গিয়ে জনপ্রিয় চলতি মুঘলরীতি তৈরি হয়েছিল।মুঘল চিত্ররীতি  প্রায় ত্রয়োদশ শতক থেকে আঠারো পর্যন্ত একটি পর্ব চলেছিল।এরপর মুঘল চিত্ররীতির দ্বিতীয় পর্বে  উত্তর ভারতীয় প্রাদেশিক রীতি তৈরি হল।যেগুলির সময়কাল ছিল আনুমানিক ১৭৬০-১৮৬৫ পর্যন্ত।যেমন-ফৈজাবাদ বা লক্ষ্ণৌ কলম,ফরুকাবাদ, মুর্শিদাবাদ,বাংলা কলম,পাটনা কলম ইত‍্যাদি।দক্ষিণে পেলাম আহমেদনগর,বিজাপুর, গোলকুণ্ডা ইত‍্যাদি।এগুলিকেই ডেকান শৈলী বলা হয়ে থাকে। পাঁচমিশেলীরীতি যা ১৬৪০-১৭৭০ এই সময়কালে গড়ে উঠেছিল।অন‍্যদিকে ষোড়শ শতক থেকে আমরা পেলাম রাজপুত চিত্রকলা।যার অনেকাংশই বৈষ্ণবীয় প্রভাবযুক্ত, লোককথা,প্রান্তিক পুরাকথা,ব্রতকথা,রাগমালা ইত‍্যাদি ছিল এই রাজপুত চিত্রকলার বৈশিষ্ট‍্য।রাজস্থানে কৃষ্ণকে কেন্দ্রকরে গড়ে উঠে।যার শেষ পর্যায় হল পিছোয়াই চিত্রকলা।উল্লেখ‍্য এই যে বিভিন্ন সময়কালে রচিত অনুচিত্রগুলিতে মেয়েলি মহলের নানা কথাও কিন্তু শিল্পীদের তুলি থেকে বাদ পড়েনি।যেখানে হিন্দুস্থানী নানা লোককথার সাথে ব্রতকথাগুলিও অনুচিত্রে প্রাধান‍্য পেয়েছিল।বলা যা এইছবিগুলি ৭০০-৮০০ বছরের দলিল আমাদের কাছে।এই ছবিগুলি প্রমাণ করে হিন্দুস্থানী নানা পুজো-পার্বনের ইতিহাস তথা দৃশ‍্যগত একটি রূপ;যা শুধু বর্ণনা নয়।বিশেষত এখান থেকেই কৌতূহল হয় তাহলে ঠিক কি কি ব্রতকথা ভিস‍্যুয়াল ডকুমেন্টাশান রয়েছে।এই খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায় প্রায় অনেকগুলি ব্রতকথার অস্তিত্ব রয়েছে। সেগুলি হল-শিবব্রত,ছটব্রত বা সূর্যব্রত,চৌথ বা করওয়াচৌথ বা করক চতুর্থী ব্রত ,বটসাবিত্রী ব্রত,তুলসী ব্রত ইত‍্যাদি।

শিবব্রত

‘শিল শিলাটন,শিলে বাটন,শিল ঝরঝর ঝরে।
স্বর্গ হতে বলেন মহাদেব,গৌরি! কি ব্রত করে ?
নড়ে আশ,নড়ে পাশ,নড়ে সিংহাসন।
হরগৌরী কোলে করে গৌরী আরাধন।।’
বাংলায় মেয়েদের ব্রতে শিবের মাথায় জল ঢালার সময় মেয়েরা এই ছড়াটি বলেন।।কিন্তু শিব ব্রতই কি শুধু বাংলার? তা মনে হয় না।কারন চৈত্র মাসের শেষ দিন বা সংক্রান্তির দিন গোটা ভারতের নানা স্থানে শিবরাত্রির ব্রত অনুষ্ঠিত হয়।গোটা একমাস যাবৎ।বৈশাখ মাসের সংক্রান্তি পর্যন্ত।বিশেষত এটি কুমারীদের ব্রত।ভারতীয় অনুচিত্রেও শিব ব্রতের প্রভাব দেখা যায়।বাংলায় মূলত শিবপুজোর অনেকগুলির প্রকার দেখতে পাওয়া যায়।বাংলায় শিবব্রত শিবরাত্রি,নীলষষ্ঠী, ক্ষেত্রব্রত,ইত‍্যাদি নামেও পরিচিত।মিনিয়েচারে শিবব্রতে সংখ‍্যা সর্বাধিক বেশি।আসলে খুব আগ্ৰহীভাবে দেখলে রাগমালার অনেকচিত্রে শিবব্রত মিশে আছে মূলত ভৈরব রাগের সঙ্গে।কখনো অনুচিত্রে রয়েছে জৈন‍ পুঁথিচিত্রের মত ।মানুষের গড়ন বিশেষত মহিলাদের,একটু বেঁটে,টানা চোখ,পুঁথির অলঙ্করণের মত ইত‍্যাদি বিষয়।অন‍্যদিকে প্রান্তিক থেকে রাজদরবারেও শিবব্রতের প্রচলন দেখা গেছে।ঐ সমস্ত ছবিতে গাছতলায় শিবব্রত থেকে কারুকার্যময় মন্দিরের উপস্থিতিও রয়েছে।দিন ও রাতের দৃশ‍্যও শিল্পীরা তুলে ধরেছেন অনুচিত্রগুলিতে।

ছটব্রত বা সূর্যব্রত

উত্তর-পূর্ব ভারতের উল্লেখযোগ‍্য একটি ব্রত ছট্।পুরাবিশ্বাস অনুযায়ী দেবী ভগবতী এই ব্রত করেছিলেন।ব্রত উদযাপনের সাক্ষী ছিলেন সূর্যদেব।তাই ব্রতকথার শুরু সূর্যাস্ত দিয়ে ও সমাপ্তি হয় উদিত সূর্যকে সাক্ষী করে।মূলত ষষ্ঠী তিথিতে এই ব্রত করা হয়।এই ব্রত প্রসঙ্গে শীলা বসাক উল্লেখ করছেন-এই ব্রতের অন‍্যতম উদ্দেশ‍্য হল পুত্রকামনা।আরো একটি প্রচলিত বিশ্বাস হল সে সূর্যদেব কেবলমাত্র সন্তানবতী নারীদের অর্ঘ‍্য গ্ৰহণ করেন এবং বন্ধ‍্যা নারীদের অর্ঘ‍্য সূর্যদেব গ্ৰহণ করেন না,তাদের দেওয়া অর্ঘ‍্য পড়ে থাকে।বন্ধ‍্যা নারীরা ঘরে ফিরে এসে পুত্রসন্তান লাভের জন‍্য কাঁদতে থাকলে ছটীমাতা করুণা-পরবশ হয়ে তাদের পুত্র সন্তান লাভের আশীর্বাদ করেন।অদ্ভুত ভাবে এখানেও ষষ্ঠী পুজার একটি সংযোগ রয়েছে।রাত্রি শেষ উষাকালে সূর্য উদিত এমন একটা সময়ে নদীর তীরে কলস হাতে মহিলা জল ঢালছেন,তার মুখটি উদিত সূর্যের দিকে।মাথায় মোটা সিঁদুর।এ ছবি মুঘল ও রাজপুত চিত্রকলাতেও রয়েছে।

চৌথ বা করওয়াচৌথ বা করক চতুর্থী ব্রত

কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থীতে এই ব্রতটি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।চতুর্থীর দিন হয় বলে একে করবাচৌথ বলে।মধ‍্যভারতে এই ব্রত করবাআথম  নামেও পরিচিত।মূলত সধবাদের ব্রত।স্বামীর মঙ্গল ও দীর্ঘ আয়ুর কামনার জন‍্য এই ব্রত মহিলারা করেন।মহিলারা সারাদিন উপোবাস করেন।রাতে নতুন বস্ত্র পরিধান করে ব্রতিনীরা চালুনী দিয়ে(আটা চালার চালুনীর মত)
চাঁদ দেখে, এবং যে মহিলা ব্রতটি করছেন তিনি তার মাথার পিছন দিকে চালুনীটাকে ফেলে দেন।এ ব্রতের সঙ্গে রাজস্থান ও অন‍্যত্রের ‘চন্দ্রায়ন’ বা ‘চন্দা তারাইয়া’ ব্রতের মিল দেখা যায়।সেখানে গোবর দিয়ে দেওয়ালে চন্দ্র ও তারা আঁকার চল রয়েছে।কালো রঙের প্রেক্ষাপট,যা রাতের দৃশ‍্য মনে করায়।একটি দালান বাড়ির ছাদে চার-পাঁচজন মহিলাদের দেখা যাচ্ছে এই ব্রত করতে।এর মধ‍্যে একজনের হাতে চালুনি দেখা যাচ্ছে।সেই মহিলা চালুনী দিয়ে রাতের আকাশে চাঁদ দেখছেন।এ যেন ব্রতকথাটির একটি দৃশ‍্যগত দলীল যেন।

বটসাবিত্রী ব্রত

হিন্দীবলয়ের একটি উল্লেখ যোগ‍্য ব্রত হল বটসাবিত্রী।এই ব্রত জৈষ্ঠ মাসে পালিত হয়।কৃষ্ণা ত্রয়োদশীতিথি থেকে অমাবস‍্যা পর্যন্ত চলে ব্রতটি।সাবিত্রী যে ব্রত করে সিঁথির সিঁদুর অক্ষয় রেখেছিলেন সেই ব্রত আজও মহিলারা নিজেদের সিঁথির সিঁদুর অক্ষয় রাখার জন‍্য পালন করে থাকে।এই ব্রত আমাদের বাংলাতেও দেখা যায়।মফস্বলের পাড়ার কোন মোড়ে বিশেষত বটগাছে।একটি বটগাছকে মোটা লাল কাপড়ের টুকড়ো দিয়ে বেঁধে সরু সাদা সুতো আটকে ঘুরতে থাকবেন মহিলারা।এবং নির্দষ্ট ঘোরপাকেরও বিষয় রয়েছে।যেখানে শেষ হবে সেখানে অন‍্য সুতোর সাথে মিলিয়ে দেবেন।এই ব্রতটি মধ‍্যভারতে বরমাটম ও হিমাচলপ্রদেশে বরসায়ত নামে পরিচিত।এই ব্রতটি বেশির ভাগ রাজপুত অনুচিত্রে  দেখা যায়।যেখানে একটি বট গাছের তলায় তিনটি মহিলা বা তারও বেশি মহিলাদের দেখা যাচ্ছে একটি বট গাছের কাণ্ডে সাদা সুতো ঘুরে ঘুরে জড়ানোর দৃশ‍্য।পাশে একটি তুলসী মঞ্চ ও ব্রাহ্মণ দাঁড়িয়ে মন্ত্র পড়ছেন।

তুলসী ব্রত

‘তুলসী তুলসী নারায়ণ    তুমি তুলসী বৃন্দাবন।
তোমার শিরে ঢালি জল,অন্তিমকালে দিও স্থল।।’

এবাসনা প্রায় ভারতবর্ষীয় সকল নারীরই।যদিও এই ছড়াটি বাংলায় প্রচলিত একটি ছড়া।হয়তো অনান‍্য রাজ‍্যে আলাদা আলাদা ছড়ার ধরন।কিন্তু কামনা বা প্রার্থনাটি দেখা যাবে হয়তো একই রয়েছে।ভারতবর্ষের যেকোনো গ্ৰামের কোনো বাড়ির উঠোনে দাঁড়ালে আমরা  তুলসীমঞ্চ অবশ‍্যই দেখতে পাব।এ থেকে অনুমান করা যায় যে খুব প্রাচীন কাল থেকে এই ধারাটি চলে আসছে।হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এটি একটি পবিত্র উদ্ভিদ হিসাবে সমাদৃত। ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে  তুলসীকে ‘সীতারূপে’,  স্কন্দপুরাণে  ‘লক্ষীরূপে’, চড়কসংহিতায় ‘বিষ্ণুপ্রিয়া রূপে’,  ঋকবেদে  ‘কল্যাণী’ নামে পরিচিত। তুলসীগাছ লাগানোকে কেন্ত্র করে একটি বিশেষ দিনে তুলসী ব্রত পালিত হয়।ভারতের বিভিন্ন ভাষার ব্রতকথা গুলি দেখা যায় গাছ থেকে তুলসীপাতা তোলা,জল ঢালা, তুলসীতলায় গোবর দেওয়া,প্রণাম,সন্ধ‍্যায় প্রদীপ দেওয়ার পৃথক পৃথক ছড়া বা মন্ত্র ছিল।যা বর্তমানেও রয়েছে।উক্ত এই মিনিয়েচারটিতে চারজন মহিলাকে দেখা যাচ্ছে যারা তুলসীমঞ্চে জল ঢালছেন। জৈন,মুঘল রাজপুত,ডেকানী ইত‍্যাদি অনুচিত্রে তুলসী ব্রতকথার ছবি ধরা পরে।

সময়ের ইতিহাসে আমাদের সংস্কৃতির অনেক জিনিসই হারিয়ে যেতে বসেছে।মৌখিক নানা সংস্কৃতিগুলিও প্রায় লুপ্ত প্রায়।সেখানে এই ব্রতকথার ছবিগুলি আমাদের কাছে সম্পদ।এগুলি ব্রতকথার দলিল।৭০০-৮০০ বছর আগে কেমন ছিল হিন্দুস্থানী ব্রতগুলি তার প্রমাণ আমরা এই ছবিগুলি থেকে পাই।অন‍্যদিকে এ তো গেল ব্রতকথা দৃশ‍্যগতরূপ কিন্তু প্রশ্ন জাগে এরও অনেক কাল ধরে ব্রতগুলির অস্তিত্ব রয়েছে।তার শিকড় গাঁথা রয়েছে আমাদের সিন্ধু সভ‍্যতার গভীরে।

 

গ্ৰন্থঋণ :
১.মজুমদার,আশুতোষ-মেয়েদের ব্রতকথা,দেব সাহিত‍্য কুটীর,এপ্রিল,২০১৮
২.বসাক,ড.শীলা-বাংলার ব্রতপার্বণ,পুস্তক বিপনি,সেপ্টম্বর ২০০৮
৩.দেবী,গিরীন্দ্রনন্দিনী-ধোলপুর রাজপুত জাতির সমাজচিত্র,দে’জ,জানুয়ারি ২০১১
৪.Indian miniature painting –Dr Daljeet and prof.PC Jain, manifestation of A creative mind, New Delhi,2006  


Share your experience
  • 324
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    324
    Shares

Facebook Comments

Post Author: দীপঙ্কর পাড়ুই

দীপঙ্কর পাড়ুই
দীপঙ্কর পাড়ুই--বর্ধমান বিশ্ববিদ‍্যালয় থেকে চিত্রকলায় স্নাতক।কলকাতা বিশ্ববিদ‍্যালয় থেকে চিত্রকলায় স্নাতকোত্তর।লোকশিল্প নিয়ে গ্ৰাম ঘোরাঘুরিও লিখতে ভালোবাসি।আচমন,রাঢ়কথা ইত‍্যাদি পত্রিকায় ও বঙ্গদর্শন ও দুনিয়াদারি পোর্টালে কতগুলি লোকশিল্পের প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।