বশীকরণ মারণ উচাটন–আভিচারিক কালাযাদু লোকসংস্কৃতিতে

Share your experience
  • 386
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    386
    Shares

বশীকরণ মারণ উচাটন–আভিচারিক কালাযাদু লোকসংস্কৃতিতে।গ্রাম্যলোকসংস্কৃতির উঠোন জুড়ে বস্তাপচা কালাযাদু যাদুটোনার হরেক কিসিমের নক্সিকাঁথা।লিখছেন–স্বপনকুমার ঠাকুর। 

বশীকরণ মারণ উচাটন

এইতো সেদিনের কথা। দশখান গাঁয়ের ডাকসাইটে রোজা পেভাকর মোড়ল। না- সাপ ধরার ওস্তাদ ছিল না বটে কিন্তু ভুত ছাড়াতে, বশ করাতে, বাটি চালোনো থেকে শুরু করে ভিটেমাটির দোষ কাটাতে যাকে বলে তুখোড় ব্যক্তিত্ব। গাবিন গাই গোরুর মোড় ছাড়ান দিচ্ছে না কিম্বা বাঁট থেকে দুধ হরে গেছে? কুচ পরোয়া নেই।ডাকো রোজাকে ।গলায় আমড়ার আঁটি জুতোর চামরার মালা দাও পরিয়ে।দু ঝুঁরি মোড় ছাড়বে এক রাতে। পালেদের দু ছেলের বাপ আদবুড়ো মিনসে অধীর। পরেছে ঢলানি বাউরি মাগীর খপ্পরে।মুসকিল আসান পেভাকর মোড়লের মন্ত্রপূত সিঁদুর পরা। শ্যালো সুরসুর করে বউর পায়ে পায়ে এখন মিনি বিড়েল। মুরুব্বিদের তাসের আসরের ফাঁকে এখনও চর্চিত হয় এসব কথাকলি।

বশীকরণ মারণ উচাটন–আভিচারিক কালাযাদু

ছানি কাটা গোয়ালঘরের পাশে এক চিলতে মাচান। সেখানেই যত রাজ্যের ইঁট ঘটিং। একখান বটতলার চটি বই। কয়েকখানা ছেঁড়াখোঁড়া পাতা। কোদাল দেঁতো নরমুণ্ড।তাতে সিঁদুর লেপা।জবা ফুল।ছোলাভাজা। গাঁজার কলকে।কয়েক পুরিয়া গাঁজা।এইতো গেলো ওস্তাদের সাধন কক্ষ। শনি মঙ্গলবারে ভিড় বারে। অসুখ বিসুখের দাওয়াই দেন এটা ওটা শেকড়বাকড় দিয়ে। কার কি হারিয়েছে, কোথায় গেলে মিলবে, সব কিছুর নির্দ্দেশ আসে চটজলদি। রাস্তায় দেখা হলে খাটো গলায় তার সম্পর্কে গল্প গজায় ফিসফিসিয়ে। বুড়ো বাবলা বেদো। পগারের আলকাটা লিয়ে আমাকে বান মেরেইস্লো । কেউ বলে -এমনিতে নোকটা ভালো।কিতু ভারি ছেমুরাগী।ভুত লিয়ে কারবার কি না!

এমন ছবি ইদানিং গ্রাম গঞ্জে খুব একটা দেখা না গেলেও বেশ কিছুদিন আগেও ছিল। তখন গ্রাম গঞ্জের রাস্তাঘাট বলতে সবই মাটির। শহরে ডাক্তার কোবরেজ দেখাবার সুযোগ সুবিধা ছিল অপ্রতুল।আর্থিক অবস্থাও তথৈবচ।পাঁচটা গ্রাম মিলে একজন হেতুড়ে চিকিৎসকেই আস্থা। তিনিও তেমনি কৃতবিদ্য পুরুষ।অতএব ভরসা সেই ওঝাতেই। তিনি পাগল থেকে ছাগল পর্যন্ত চিকিৎসা করতেন।ছোটবেলায় দেখেছি এক পাগলাকে। হাতে বেড়ি পরানো। গাঁ শুদ্ধু নাচতে নাচতে সে ছড়া কাটতো–

কচুকে গেঁড়ো বানাতে পারি
বাবা ঝিঙ্কলাকলা ঝিং… বাবা ঝিঙ্কলাকলা ঝিং!

মানে গঙ্গাটিকুরির কচু ওস্তাদকে সে গেঁড়ো মানে কচুর মোটা বীজ বানিয়ে দিতে পারে। সে আবার এমনই ওস্তাদ। এই নিয়েই তার জাহির করা ছড়া।

দুই

বশীকরণ মারণ উচাটন

গ্রাম্যলোকসংস্কৃতির উঠোন জুড়ে বস্তাপচা কালাযাদু যাদুটোনার হরেক কিসিমের নক্সিকাঁথা। ভৌতিক বিশ্বাস তো গ্রামবাংলার পৈতৃক সম্পত্তি। নানা ধরনের অপদেবতার পুজো, ভিন সীমানার পুজো, বাস্তু সংস্কার, দুষ্টগ্রহ কাটান,মৃতদের দোষকাটানো থেকে শুরু করে প্রায়শ্চিত্ত বিধান,ফসলের ক্ষতির প্রতিবিধান সবেতেই উড়ে এসে  জুড়ে বসেছে কালোযাদু। মূলে রয়েছে আদিম যাদুবিশ্বাস। যদিও এর  উৎসে নিহিত রয়েছে একান্তই জীবন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

সামাজিক মানুষের চাহিদার যেমন শেষ নেই তেমনি সমস্যার অন্তও নেই। প্রতিপক্ষকে সামলাতে হবে,শত্রুর বিনাশ চাই, কামনার নারী বা পুরুষটিকে একান্তভাবে চাই,এমন ভাবে প্রতিপক্ষকে কাহিল করতে হবে যেন শিবের বাবাও টের না পায়, রাম শ্যাম এক হয়ে গেলে যদুর সমূহ বিপদ– অতএব রাম শ্যামের মধ্যে বিচ্ছেদ চাইই চাই ইত্যাদিকে সামাল দেওয়ার জন্য আজও মানুষের আজও অবিরাম প্রয়াস। শুধু ধরনটা বদলেছে। শত্রুর বিনাশের আভিচারিক ক্রিয়ার বদলে এসেছে সুপারি কিলার নিয়োগ। একান্ত ভোগ্য বস্তুর বশীকরণের বদলে এসেছে জোর পূর্বক অপহরণ বা সুযোগ বুঝে ধর্ষণ। বা আরও কত কী!এই টুকু যা পার্থক্য। সুতরাং একান্ত জীবন বাস্তবতার ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছিল যাদু বিশ্বাস মূলক ধর্মীয় ষটকর্মাদি ক্রিয়া। এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে পুজো তন্ত্রাদি ক্রিয়াকলাপ।ফলে বিষয়টি ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করেছে সন্দেহ নেই।

বশীকরণ মারণ উচাটন ষটকর্মাদি

চলতি কথায় ষট কর্মাদি হলো ছয় ধরনের কর্ম যথা ১) শান্তি কর্ম ২) বশীকরণ ৩) স্তম্ভন ৪) বিদ্ধেষণ ৫) উচাটন ৬) মারণ। যার দ্বারা শারীরিক ব্যাধিনাশ কুকৃত্যাদি দূর হয়– গ্রহ বিরুদ্ধ জনিত দোষ ত্রুটি দূর করা হয়– তার নাম শান্তিকর্ম। স্ত্রী বা পুরুষকে নিজের অধীনে আনার নাম বশীকরণ। অন্যদিকে দুজনের মধ্যে মিত্রতা নষ্ট করার নামই হলো বিদ্ধেষণ। কারু মনকে যখন অস্থীর করে তোলা হয় তখন তার নাম উচাটন…… আর যে কর্ম দ্বারা জীবগণকে বিনষ্ট করা হয় তাকে বলে মারণ।আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো দুটি মারণ ও বশীকরণ।শান্তিকর্ম বাদ দিলে বাকি পাঁচটিকে তন্ত্রের পরিভাষায় বলা হয় অভিচার। শব্দটির অর্থ হলো অপরের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে হিংসাকর্ম বা আভিচারিক কর্ম।

বশীকরণ

বশীকরণ নারী বা পুরুষ উভয়ক্ষেত্রেই প্রযুক্ত হয়। প্রাচীনকাল থেকে একাধিক স্ত্রীদের মধ্যে স্বামীকে কাছে পাওয়ার সূত্রে এই বশীকরণ মেয়েদের মধ্যেই সর্বাধিক প্রচলিত ছিল। স্বামী বশীকরণ ও সতীন কাঁটা দূর করা বিষয়ক প্রথম সাহিত্য নিদর্শন মেলে অথর্ববেদের তৃতীয় কাণ্ডের চতুর্থ অনুবাকের তৃতীয় সূক্তে এবং চতুর্থ কাণ্ডের প্রথম অনুবাকে। তৃতীয় কাণ্ডের শ্লোকটিতে পাঠা নামক ঔষধি দিয়ে স্বামীকে বশে আনা ও সতীন কাঁটা দূর করার কথা বলা হয়েছে।
ইমাং খনাম্যোষধিং বীরুধং বলবত্তমাম্ ।
যয়া সপত্নীং বাধতে যয়া সংবিন্দতে পতিম্ ।।

বশীকরণ মারণ উচাটন সাহিত্য নিদর্শন

অর্থাৎ এই যে তীব্র শক্তিযুক্ত লতা ওষধি খনন করে উপড়িয়ে আনছি এর দ্বারা সপত্নীকে কষ্ট দেওয়া যায়। টীকায় বলা হয়েছে যে বাণপূর্ণ পত্রচূর্ণ লোহিতবর্ণজায়া দই ও জলের সঙ্গে মিশিয়ে অভিমন্ত্রিত করে সপত্নীর শয়ন স্থানের নীচে ও ওপরে ছড়িয়ে দিলে সতীন স্বামীর কাছ থেকে প্রেম ভালোবাসা বঞ্চিত হবে। কবিকঙ্কণ মুকুন্দের চণ্ডীমঙ্গলকাব্যের বণিকখণ্ডের লীলাবতীর ঔষধ প্রবন্ধটি যথেষ্ট আকর্ষণীয়। এখানে নানা ধরনের ঔষধের কথা আছে ।নবপত্রিকার কলারপাতায় ঘৃতের প্রদীপ জ্বেলে নিরামিষ অন্ন খাওয়া থেকে শুরু করে শ্মশানের তিল ফুল,সাপের এঁটুলি, দুর্গাপ্রদীপের কাজল পরা, শকুনশকুনির হাড় ভুজঙ্গের ছাল নেউলের অণ্ড ছিনেজোঁক সাদাকাকের রক্ত কেলে কুকুরের পীত কুমীরের দাঁত গোসাপের নাড়িভুঁড়ি গাড়ল ভেড়েয়ার শিঙ কত যে আজব দ্রব্য আছে কৌতূলী পাঠকেরা দেখে নিতে পারেন।

বশীকরণ কথন

শুধু সতীন কাঁটা দূর নয় পুরুষের কাছে সুন্দরী নারীও অন্যতম কামনার ধন।সুতরাং তাকে বশ করতে হলে নানা ধরনের দ্রব্যাদি তথাকথিত তন্ত্রগ্রন্থগুলিতে বিস্তর রেসিপি সহ দেওয়া হয়েছে। যেমন বলা হয়েছে রবিবারের দিন কৃষ্ণধুতরোর ফুল শাখা লতা পাতা মূল তুলে নিয়ে এসে তার সঙ্গে কুঙ্কুম কর্পূর গোরচনা মিশিয়ে ভালো করে বেঁটে নিয়ে তিলক ধারন করে সুন্দরী রমনীর চোখে পড়লেই কেল্লাফতে।নায়িকার তখন দিল তো পাগল হ্যায় অবস্থা। কিম্বা ধরুন চুপি চুপি বামনহাটিগাছ আর শ্মশানের চিতাভষ্ম যদি সুন্দরীর গায়ে নিক্ষেপ করতে পারেন তাহলে লাভস্টোরি জমতে কতক্ষণ।

এতেও যদি না হয় পুজোবিধি এবং হোমের নিদান দেওয়া হয়েছে। যেমন ১০৮ টা নিমফুলে ঘি মাখিয়ে হোম করা শুরু করুন আর মন্ত্র বলুন ওঁ হ্রীং রক্তে চামুণ্ডে।শেষে মন্ত্র বলুন–
অচলঘাটের নিচল পানি
তাহাতে উপজিল কালের বাঘিনী
কালের বাঘিনী বেলোম তোরে
অমুকীর পাঁচ প্রাণচিত্ত আনিয়া দে মোরে।।

তিন

বশীকরণ মারণ উচাটন প্রসঙ্গ

আমারা আলোচনার তৃতীয় ভাগে।প্রসঙ্গ মারণ । আভিচারিক কর্ম।তন্ত্রমতে উদ্দীষ্ট দেবী ভদ্রকালী। কোন রকম রিস্ক না নিয়ে শত্রুকে হত্যা করার অনুকরণাত্মক নাটকীয় ক্রিয়া হলো মারণ।প্রথমে দেবীর পুজো হোম করে নিতে হবে।তারপর খড়গোটিকে অভিমন্ত্রিত করে নেওয়ার পালা। উদ্দীষ্ট শত্রুর জন্য একটা দশাসই ছাগলের পাঁঠা হলেই চলবে। সেই পাঁঠার নাম হবে ঐ শত্রুর নামে। প্রথমেই ছাগলের তিনটি স্থান নির্বাচন করে তিনটে লাল সুতো দিয়ে বেঁধে দিয়ে ছগলটিকে শত্রুর নামে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।এরপর যথাবিহিত ছাগলের পাঁঠাটিকে পুজো করার পর বলি দিতে হবে।কাজ এখানেই শেষ নয়।পাঁঠার অষ্টাঙ্গের মাংস নিয়ে এবার হোম করতে পারলেই শত্রু বিনাশ হবে।

মারণ মূল উৎস

অবশ্য এই বিশ্বাস শুধু তান্ত্রিকদের বলা- ইতিহাসের অপলাপ মাত্র। প্রখ্যাত গবেষক চিন্তাহরণ চক্রবর্তী নিবন্ধ সংগ্রহ গ্রন্থে লিখেছেন যে মোম অথব তজ্জাতীয় কোন বস্তু দ্বারা শত্রুর প্রতিকৃতি প্রস্তুত করে অভিমন্ত্রিত করা এবং শত্রুর অঙ্গাদি অথবা প্রাণ নষ্ট করার জন্য নখাদির দ্বারা ঐ প্রতিকৃতিকে আহত করা অথবা অগ্নিতে দ্রবীভূত করার প্রথা সেমিটিক জাতির মধ্যে প্রচলিত ছিল।কেউ কেউ অনুমান করেন ইরানীয়দিগের মধ্যেও এই রূপ আচার বর্তমান ছিল।এই আভিচারিক কর্মটি এখনও টিকে রয়েছে প্রাচীন দুর্গাপুজোর মধ্যে ।এর নাম শত্রু বলি। ময়দা বা আতপচালের মনুষ্যমূর্তি তৈরি করে যথাবিহিত পূজার্চনার পর তাকে বলি দেওয়া হয়।

বশীকরণ মারণ উচাটন আভিচারিক ক্রিয়াদি

আভিচারিক পুজো প্রাচীন বৈষ্ণবদের মধ্যেও প্রচলিত ছিল। রূপমণ্ডন গ্রন্থানুসারে চারধরনের পাথুরে বিষ্ণুমূর্তি দেখা যায় যথা যোগবিষ্ণু বীরবিষ্ণু ভোগবিষ্ণু ও আভিচারিক বিষ্ণু।যোগ বিষ্ণুর উপাসনা করতেন যোগীসাধকেরা। যারা যুদ্ধ কর্মাদি নিয়ে থাকতেন এবং যুদ্ধে জয়লাভ করতে চাইতেন তারাই বীর বিষ্ণুর উপাসনায় মত্ত হতেন।সংসারের সুখ শান্তি সমৃদ্ধির জন্য উপাসনা করা হতো পারিবারিক বিষ্ণুমূর্তিকে।এরই নাম ভোগবিষ্ণু।আর শত্রুর প্রাণ হরণ করার জন্য গোপনে পূজিত হতেন আভিচারিক বিষ্ণু।এই ধরনের একটি বিরল আভিচারিক বিষ্ণুমূর্তি পাওয়া গেছে মঙ্গলকোটের চৈতন্যপুর গ্রাম থেকে।

আরও পড়ুন- মঙ্গলকোটের বুঁইচি গ্রাম গোপভূম আর কুলদেবী অভয়া চণ্ডী

আভিচারিক বিষ্ণু

এই মূর্তি সম্পর্কে প্রতিমাশিল্পে হিন্দু দেবদেবী গ্রন্থে কল্যাণকুমার দাশগুপ্ত লিখেছেন–“পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চৈতন্যপুর গ্রামে আবিষ্কৃত ও বর্তমানে ইণ্ডিয়ান মিউজিয়ামে সংরক্ষিত কালো পাথরের এই নিদর্শনে চতুর্বাহু দেবতা সমপদস্থানক ভঙ্গিতে দণ্ডায়মান, পিছনের দুহাতে চক্রপুরুষ ও গদাদেবীর শিরোদেশে স্থাপিত, সামনের ডানহাত ও বাম হাতে যথাক্রমে পদ্ম ও শঙ্খ ধারন করে আছেন; তাঁর মাথা ও কাঁধ ঘিরে একটি জ্যোতির্বলয় এবং গলার হার ও বনমালার পরিবর্তে একটি বিচিত্র মাদুলি মালা,পরণে সামান্য কৌপীন -,মুখে রহস্যময় কিছুটা ক্রুর হাসির আভাস। অষ্টম শতকের গোড়ার দিকে তৈরি এই ভাস্কর্যটি হিন্দু প্রতিমাশিল্পের একটি অনন্য সম্পদ।”

তথ্যসংকেত– বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড–নগেন্দ্রনাথ বসু

কামরত্ন বা বশীকরণ তন্ত্র

অথর্ববেদ -শ্রীবিজনবিহারী গোস্বামী


Share your experience
  • 386
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    386
    Shares

Facebook Comments

Post Author: ড.স্বপনকুমার ঠাকুর

DR. SWAPAN KUMAR THAKUR
লেখক-গবেষক ও অভিজ্ঞ ক্ষেত্রসমীক্ষক। কৌলাল অনলাইন ওয়েবসাইট ও প্রিন্ট কৌলাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক। ড. ঠাকুর পেশায় শিক্ষক। প্রিয় বিষয় রাঢ়-বাংলার আঞ্চলিক ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি । বিবিধ পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখেন।রচনা করেছেন ১৫টি বই ;বাঙ্গলার ইতিহাসে কাটোয়া,ইন্দ্রাণীর ইতিকথা, রাঢ় কথাঃমননে ও সমীক্ষণে,বঙ্গে বর্গিহাঙ্গামা ইতিহাস ও কিংবদন্তী,বাংলার মুখ,বাংলার লোক ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি, রাঢ় বাংলার কবিগান,বাংলার কৃষিকাজ ও কৃষিদেবতা ইত্যাদি। পুরষ্কার ও সংবর্ধনা পেয়েছেন একাধিক সারস্বত প্রতিষ্ঠান থেকে যেমন কলকাতা প্রণয়-স্মারক পুরষ্কার, নবদ্বীপ পুরাতত্ত্ব পরিষদ,কলিকাতা লিটিল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে পেয়েছেন সারস্বত সন্মাননা।