মায়াপুর না নবদ্বীপ ? কোথায় শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান ?

প্রচলিত মত অনুযায়ী ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি (২৩ শে ফাল্গুন, ১৪০৭ শকাব্দ) দোল পূর্ণিমার রাত্রিতে  চন্দ্রগ্রহণের সময় নদীয়া নবদ্বীপের অন্তর্গত প্রাচীন মায়াপুরে চৈতন্য মহাপ্রভু আবির্ভূত হন। মহাপ্রভুর জন্মস্থান বিতর্ক নিয়ে লিখছেন–রিয়া দাস

পূর্বপাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত ছিল তিনদিন মুর্শিদাবাদ জেলা…

১৫ ই আগস্ট দিনটি ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হলেও  মুর্শিদাবাদ জেলার ক্ষেত্রে এই  গল্পটা একেবারেই আলাদা ছিল। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ই আগস্ট  ঠিক মধ্য রাত্রে রেডিও মারফত ঘোষণা করা হয় মুর্শিদাবাদ জেলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তির কথা।  সেই অনুযায়ী ১৫ ই আগস্ট  থেকে টানা ১৭ ই আগস্ট পর্যন্ত তিন দিন ধরে  মুর্শিদাবাদ জেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল পূর্ব পাকিস্তানে৷লিখছেন–আশুতোষ মিস্ত্রী

নদীয়ার স্বাধীনতা দিবস ১৮ই আগস্ট

আমার  যুক্তিগ্রাহ্য উৎসাহকে সম্মান করে শেষ পর্যন্ত সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিলেন ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। তাদের সহযোগিতাকে অবলম্বন করে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও-এর কাছে পৌঁছান গিয়েছিল এবং তাঁকে বুঝিয়ে দিনটি পালনের অনুমতি আদায় করা গিয়েছিল। তৎকালীন ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের নদীয়া জেলার আধিকারিক শ্রী সুভাষ সরকার মহাশয়ের আন্তরিক সহযোগিতায় ও আমার প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে পাওয়া গেল নদীয়ার স্বাধীনতা দিবস পালন করার অধিকার…লিখছেন অঞ্জন সুকুল

ইছাই ঘোষের দেউলঃইতিহাস ও কিংবদন্তি

ইছাই ঘোষের মৃত্যুর পরে, সম্ভবত পরবর্তী কোন গোপ রাজা, তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে, এই অতি চমৎকার দেবালয় বা দেউলটি তৈরি করেন সম্ভবত মাতা ভগবতীর উদ্দেশ্যে।আবার অনেকের কাছে শুনেছি বর্ধমানের মহারানী বিষ্ণুকুমারী এই মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। আবার মন্দির নির্মাতা হিসাবে বর্ধমান রাজ চিত্র সেনের উল্লেখও পাওয়া যায়।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

বাংলাদেশের পুঠিয়া রাজবাড়ির পাঞ্চজন্য মন্দির

বাংলাদেশের  রাজশাহীতেও আছে এরকমই একটি পাঞ্চজন্য মন্দির । রাজশাহী এর উপকণ্ঠ পুঠিয়া রাজবাড়িতে । এই পুঠিয়া রাজবাড়ি নাটোরের রানির অধীনে ছিল অষ্টাদশ শতক এর দিকে , সেই সময়েই এই পাঞ্চজন্য মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল ।এই মন্দিরটি ১৮.৮২ মিটার উঁচু এবং এর প্রতি অংশের দৈর্ঘ্য হচ্ছে প্রায় ১৪.৪৭ মিটার । প্রথম তলার প্রতি পাশে তিনটি করে প্রবেশ-দুয়ার আছে আর সেই দুয়ার এর সাথে আছে খিলান । লিখছেন–ইমরান হাসান

অগ্নিযুগের বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী

আজ ক্ষুদিরাম নেই,  প্রফুল্ল চাকী নেই।  কিন্তু সারা ভারতবর্ষের মানুষের হৃদয়ে ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকী যে স্বাধীনতার অগ্নিমশাল প্রজ্বলিত করেছিলেন, শত চেষ্টা করেও ব্রিটিশ সরকার  তা নেভাতে পারেনি। তাই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এনাদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।লিখছেন–অভিষেক নস্কর

রামরাজাতলার রামরাজা

মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম এই মুহুর্তে হট ইন-থিং। তাঁকে নিয়ে তাঁর ভক্ত ও অভক্তরা মিলে এমন হইচই লাগিয়েছে যে তাঁকে নিয়ে কিছু বলতে গেলেই ভক্ত অথবা অভক্তের ব্র্যাণ্ড গায়ে লেগে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। তবুও কিছু ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবার মত পাবলিক চিরকালই থাকে, আম্মো আছি।

রামব্রহ্ম সান্যাল ও আলীপুর চিড়িয়াখানা 

আজও চিড়িয়াখানার প্রধান প্রবেশদ্বার দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে এই বঙ্গসন্তানের ছবি। বিখ্যাত এই মানুষটিই হলেন স্বনামধন্য রামব্রহ্ম সান্যাল। রামব্রহ্ম সান্যালের পৈতৃক বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত মহুলা গ্রামে।  অবশ্য সেইসময় গ্রামের নাম ছিল কেদারমাটি মহুলা যা আজকে নতুন মহুলা নামে পরিচিত। ১৮৫১ খ্রীস্টাব্দের ১৫ ই ফেব্রুয়ারী নবকুমার সান্যালের পুত্র  রামব্রহ্ম সান্যালের জন্ম হয় মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলায় অবস্থিত তার মামার বাড়িতে…লিখছেন–অনিন্দ্য সরকার

ভূকৈলাশ রাজবাড়ি ও খিদিরপুর শিবমন্দির

মহারাজা জয়নারায়ণ ঘোষালই প্রথম খিদিরপুরের কাছে ভূকৈলাস রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। এনার জন্যই এই বংশের মান মর্যাদা ফিরে আসে। জয়নারায়ণ দিল্লীর সম্রাটের নিকট থেকে  ” মহারাজা বাহাদুর ” উপাধি পান। এছাড়া ৩৫০০ ঘোড়-সওয়ার   রাখার  সনদ প্রাপ্ত হন। মহারাজা জয়নারায়ণ ইংরেজী, ফার্সী, সংস্কৃত, আরবী ও বাংলা ভাষায় সুদক্ষ ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ছাত্রদের বিনাব্যয়ে পড়াশোনা করাতেন। এমনকি বহুব্যয়ে বারানসীতে একটি কলেজও স্থাপন করেন, যা ” জয়নারায়ণ কলেজ ” নামে পরিচিত। এই কলেজটি বর্তমানে মিশনারীর কর্তৃপক্ষ থেকে পরিচালিত হয়। এছাড়াও তিনি বারানসীতে গুরুধাম নামক একটি ঠাকুরবাড়ি করুনাধীন মহাদেবের নামে নির্মাণ করেন।…লিখছেন–সায়ন দাস।

প্রত্নডাঙা এক আনা চাঁদপাড়া গ্রাম

মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদীঘি থানার অন্তর্গত মনিগ্রামের বটতলা বাসস্টপ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এক আনা চাঁদপাড়া গ্রাম। এই গ্রামটির সাথে গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে…লিখছেন–আশুতোষ মিস্ত্রী

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.