নারদ মুনি ও মাউন্ট রেইনিয়ার ন্যাশনাল পার্ক

সত্যিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্যের রেইনিয়ার আগ্নেয়গিরিকে ঘিরে গড়ে ওঠা মাউন্ট রেইনিয়ার ন্যাশনাল পার্কে আমাদের নারদমুনি জলজ্যান্ত হাজির…লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

মাটিয়ারী পীরসাহেবের দরগা ও অম্বুবাচীর মেলা

রাধাবল্লভ দালাল পূর্বরেলের শিয়ালদহ-গেদে মেন লাইনে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রেলস্টেশনটির নাম বানপুর। ট্রেন থেকে বানপুর স্টেশনে নেমে প্রধান সীমান্ত সড়কটি ধরে যদি উত্তর-পূর্ব বরাবর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দিক দিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে একটি প্রাচীন বর্ধিষ্ণু গ্রামের বুকের উপর দিয়েই যেতে হবে, আর এই গ্রামটির নাম মাটিয়ারী। ‘ক্ষিতিশ বংশাবলী চরিত’ নামক বইখানিতে এবং কুমুদনাথ মল্লিকের লেখা ‘নদীয়া কাহিনী’-তে […]

বিশ্বাস আর ভরসার ফল্গুধারা : দেশ থেকে বিদেশেও

সবার বিশ্বাস, এখানকার মাটির এক অলৌকিক শক্তি আছে যা যেকোনো রোগ সারিয়ে দিতে পারে। তা শারীরিক হোক, বা মানসিক। এমনকি সম্পর্ক ঠিক করতেও অনেকে এই মাটির অলৌকিক শক্তিকে কাজে লাগান। তাই মানুষের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত শেষ হতে থাকে গর্তের মাটি। তা আবার কাছের পাহাড় থেকে নিয়ে এসে সেই গর্তটিতে ঢালা হয়। জানা গেছে, সারা বছরে ২৫ থেকে ৩০ টন মাটি বয়ে এনে ফেলা হয় ওই গর্তে। সেই ঘরটির মধ্যে প্রচুর ব্যবহৃত ক্র্যাচ ঝোলানো আছে। যারা পঙ্গু বা রোগগ্রস্ত অবস্থা থেকে রোগমুক্ত হয়েছেন, তাঁরা সেগুলি এবং তাঁদের অন্যান্য ব্যবহৃত জিনিসপত্রও সেখানে রেখে গেছেন…লিখছেন তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

নেটিভ আমেরিকান থেকে স্বদেশের আদিবাসী, অভিন্ন জীবনের লড়াই

বাড়ির দেওয়ালগুলি খুবই চওড়া। আমাদের মাটির বাড়িতে যেমন একতলার উপর কড়িকাঠ দিয়ে তার উপর কাঠের তক্তার লম্বা পিস বা পাটা দিয়ে তার উপর মাটির পুরু স্তর দিয়ে দোতলা করা হয়, পুয়েবলোতেও তেমনি পাইন গাছের গুঁড়ি দিয়ে তার উপর পাটাতন করে দোতলা তিনতলা করা হয়। ্লিখছেন–তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

বিদেশে ভারতীয় খাবার এবং..

এ্যরিজোনার রাজধানী ফিনিক্সের (Phoenix) শহরতলি টেম্পি। ছিমছাম শান্ত ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রিক এলাকা। কলকাতার মধ্যে যেমন যাদবপুর। টেম্পিতেই আছে এ্যরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি। সেই সুবাদে প্রচুর ভারতীয় আছে শহরে। সেখানে কয়েকটি ইন্ডিয়ান স্টোর আছে। কি না পাওয়া যায় সেখানে! আছে ভারতীয় রেস্টুরেন্ট DELHI PALACE, CHENNAI EXPRESS.। তবে সবচেয়ে মন কেড়েছে ভারতীয় রেস্টুরেন্ট ‘চাটনিজ’।লিখেছেন–তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোনাঝুরি আর সান্টা ফে যখন একাকার

দেশ আলাদা, পরিবেশ পরিস্থিতি আলাদা,প্রকৃতি অনেকটা আলাদা,এমনকি মানুষও আলাদা। তবু কোথাও কত কিছু যে মিল থেকে যায় যা চোখ ঠিক বুঝতে পারে। আর তখনই মনে হয় বিশ্বসংসারে যা কিছুই নিজের মত করে আলাদা আলাদা হোক না কেন, একটা সাধারণ সুতো সবগুলোকে ঠিক বেঁধে রেখেছে। কোথাও তা মানবতা, কোথাও মানুষের কৃষ্টি সংস্কৃতি বা কালচার, কোথাও বা অন্যকিছু।লিখেছেন–তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

চীনা বসতি আছিপুরের বৃত্তান্ত

উলুবেড়িয়ার এক পাশে গঙ্গার ধারে আছিপুর।এখানেই ভারতের প্রথম চিনিকল চালু করেন চীনাবণিক টং আছিয়ু।কলকাতায় হাতে টানা রিকশার জনকও তিনি।তাঁকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে চীনাজনপদ আছিপুর। লিখেছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ।আজ অন্তিম পর্ব।

ভারতীয় চীনাদের খোঁজে

দ্বিতীয় চায়না টাউন ট্যাংরা।এক সমৃদ্ধ চীনা জনবসতি।শিক্ষা সভ্যতা আর সংস্কৃতির অপরূপ আলেখ্য।ভারতীয় সংস্কৃতিতে মিলেমিশে একাকার। আজ চতুর্থ পর্ব।লিখেছেন—ডা তিলক পুরকায়স্থ

কলকাতায় চৈনিক দেবদেবীর মন্দির তৃতীয় পর্ব

বাড়ির কাছেই আরশি নগর কলকাতা।শুধু বঙ্গসংস্কৃতি নয়। বিশ্বসংস্কৃতির পীঠস্থান।কলকাতার টেরিটিবাজারে রয়েছে যেন গোটা চীনদেশটাই।তার ধর্ম-সংস্কৃতি আর অসংখ্য সাধারণ মানুষ। রয়েছে চীনাদের মন্দির,চার্চ।আর বিচিত্র দেব দেবী।আছে দেবী সবুজতারা কোয়ান ইন বা সৌভাগ্য কিম্বা সমুদ্রের দেবতা কুয়ানকুন কিম্বা মনুষ্যদেবতা গুয়ান যু।চীনা মন্দির দেবদেবী আর তাদের অকথিত সচিত্র ইতিকথা শুনিয়েছেন ডাঃতিলক পুরকায়স্থ তৃতীয় পর্বে।

বাড়ির কাছে আরশিনগর

          ভারতীয় চীনাদের খোঁজে: কলকাতার এক বিস্মৃত অধ্যায়!                             মানুষ যখন দেবতাঃদ্বিতীয় পর্ব                                            ডা: তিলক পুরকায়স্থ সান ইয়াৎ সেন স্ট্রীটের ভোর বাজারের ফুটপাথে ভরপেট প্রাতরাশ খেয়ে পেট ও দিল, দুটিই ভরপুর খুশ। স্থানীয় বাজারে আরো কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করলাম, কিছু ছবি তোলা হলো।এরপর চললাম স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে।দর্শনীয় স্থান বলতে দেখলাম, চীনাদের ঘরদোর […]