অযোধ্যা পাহাড়ের সীতাকুণ্ড

সেই একই গল্প, কোথাও রাম, কোথাও বা লক্ষ্মণ। তির মেরে পাতালের জল তুলে আনছেন সীতার তৃষ্ণা মেটাবার জন্য। এই কাহিনীটি কি আদিম কৃষিজীবী সমাজের চাষের জন্য ভূগর্ভস্থ জল তোলার রূপক? কে জানে, পণ্ডিতরা বলতে পারবেন। কিন্তু একটা কথা পরিস্কার — সেই একই রাম ভারতবর্ষের সব প্রান্তে। রামময় ভারত বর্ষ।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

ইছাই ঘোষের দেউলঃইতিহাস ও কিংবদন্তি

ইছাই ঘোষের মৃত্যুর পরে, সম্ভবত পরবর্তী কোন গোপ রাজা, তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে, এই অতি চমৎকার দেবালয় বা দেউলটি তৈরি করেন সম্ভবত মাতা ভগবতীর উদ্দেশ্যে।আবার অনেকের কাছে শুনেছি বর্ধমানের মহারানী বিষ্ণুকুমারী এই মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। আবার মন্দির নির্মাতা হিসাবে বর্ধমান রাজ চিত্র সেনের উল্লেখও পাওয়া যায়।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

মেধসাশ্রম গড়চণ্ডীধাম তথা শ্যামরূপার লোক- ইতিহাস

শাল, শিরীষ, অর্জুন আরো কত নাম না জানা গাছগাছালিতে ঢাকা , লাল মোরামের চমৎকার এই পথ দিয়ে চলেছি গড় জঙ্গল।ঝাঁকে ঝাঁকে ফিঙে, বুলবুলি আর গাছের কোটরে উঁকি দিচ্ছে টিয়ার টুকটুকে সবুজ ছানা।কোনো কোনো জায়গায় ভর দুপুরেও সূর্যরশ্মির প্রবেশ নিষেধ।বেশ একটা রোমাঞ্চকর আলো আঁধারির পরিবেশে পৌঁছলাম মেধা মুনির পৌরাণিক কাহিনী আশ্রিত আশ্রমে…লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

মরিন্দা তাল ভ্রমণ

মরিন্দা তাল গাড়োয়াল হিমালয়ের অসংখ্য গ্লেসিয়াল লেক, অর্থাৎ হিমবাহ থেকে উৎপন্ন লেকের মধ্যে একটি। হর-কি-দুন ভ্যালি থেকে বরাসু পাসের রাস্তায় তিন কিলোমিটার গেলে এই সুন্দর গ্লেসিয়াল লেকটির কাছে পৌঁছনো যায়। যাঁরা হর-কি-দুন ভ্যালি যাচ্ছেন, তাঁরা সেখান থেকে ঘণ্টা আড়াই ট্রেক করে মরিন্দা তালে ঘুরে আসতে পারেন।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

ভুটানের টানে

 উত্তর পূর্ব ভারতের সংলগ্ন দেশ ভুটান। ভুটান শব্দটি  এসেছে সংস্কৃত শব্দ “ভূ-উত্থান” মানে “উঁচু ভূমি”। সুন্দর পাহাড় ও নদী, একাধিক প্রাচীন মঠ ও সুন্দর মানুষ দিয়ে সাজানো ছোট্ট একটি দেশ ভুটান । ভুটানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর থিম্পু। ফুন্টসলিং ভুটানের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র। যাত্রা শুরুর আগে এই দেশের ইতিহাস সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া অবশ্যই দরকার।লিখছেন–দীপক মজুমদার

অনাদৃত রত্ন ২৫ – গুড়াপের নন্দদুলাল জিউর মন্দির

পশ্চিমবঙ্গের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এমন বহু মন্দির-মসজিদ-স্থাপত্য যেগুলি নানাদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রধানতঃ উপযুক্ত প্রচারের অভাবে সাধারণ মানুষজনের কাছে অচেনা বা স্বল্প জানা। একমাত্র স্থানীয় লোকজন এবং কিছু ভাস্কর্যপ্রেমী ছাড়া এই স্থাপত্যগুলিতে সাধারণ দর্শকরা ভিড় করেন না। আমরা বর্তমান ‘অনাদৃত রত্ন’ সিরিজে এই রকম কিছু মন্দির-মসজিদ-স্থাপত্যকে সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।আজকের বিষয় গুড়াপের নন্দদুলাল জিউ মন্দির।্লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

কল্যাণেশ্বর শিবমন্দির, বালি

“ওরে হিদে, শিবের মাথাটা নড়ছে রে …”

যাঁরাই শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পড়েছেন, তাঁরাই ঠাকুর রামকৃষ্ণের এই কথাগুলো পড়েছেন। ঠাকুর বালির কল্যাণেশ্বর শিবমন্দিরে পূজো দিতে এসে কল্যাণেশ্বর শিব সম্বন্ধে এই মন্তব্য করেছিলেন। বলাই বাহুল্য, ঠাকুরের কাছে যা ছিল ‘জ্যান্ত শিব’, সেই কল্যাণেশ্বর শিব ও শিবমন্দির নিঃসন্দেহে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। কিন্তু রামকৃষ্ণ ভক্তমণ্ডলী ও স্থানীয় লোকজন ছাড়া খুব বেশি মানুষ এই মন্দিরটি সম্বন্ধে জানেন না বা জানলেও খুব বেশি বাইরের মানুষ এই মন্দিরটি দেখতে আসেন না।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

মাটিয়ারী পীরসাহেবের দরগা ও অম্বুবাচীর মেলা

রাধাবল্লভ দালাল পূর্বরেলের শিয়ালদহ-গেদে মেন লাইনে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রেলস্টেশনটির নাম বানপুর। ট্রেন থেকে বানপুর স্টেশনে নেমে প্রধান সীমান্ত সড়কটি ধরে যদি উত্তর-পূর্ব বরাবর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দিক দিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে একটি প্রাচীন বর্ধিষ্ণু গ্রামের বুকের উপর দিয়েই যেতে হবে, আর এই গ্রামটির নাম মাটিয়ারী। ‘ক্ষিতিশ বংশাবলী চরিত’ নামক বইখানিতে এবং কুমুদনাথ মল্লিকের লেখা ‘নদীয়া কাহিনী’-তে […]

উলা-বীরনগরের জোড়বাংলা মন্দির

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন জোড়বাংলা মন্দির হল গুপ্তিপাড়ার শ্রীচৈতন্য মন্দির। নদীয়া জেলার উলা বীরনগরের মিত্র-মুস্তাফি পরিবারের তৈরী জোড়বাংলা কৃষ্ণ মন্দিরটি এই রীতির মন্দিরের একটি সুন্দর উদাহরণ। এখানে আমরা সেই মন্দিরটি নিয়ে সংক্ষেপে কিছু শুনবো…লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

কামরূপ কামাখ্যা

আষাঢ় মাসে অম্বুবাচী মেলার সময় কামাখ্যা মন্দির তিন দিন বন্ধ থাকে। এই সময় গর্ভগৃহের চারপাশের জল রক্তিম হয়ে যায়। এই সময় দেবী রজঃস্বলা বা ঋতুমতী হন। বৈজ্ঞানিক মতে এই সময় মূল গর্ভগৃহের প্রস্রবনের জল আয়রন অক্সাইডের প্রভাবে লাল হয়ে থাকে। ফলে এটিকে ঋতুস্রাবের মতো দেখতে হয়। তাই মন্দিরে প্রবেশ করা সকলের জন্য নিষিদ্ধ…লিখছেন–আশুতোষ মিস্ত্রী

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.