দক্ষিণ গোপুরম, শ্রীকালহস্তীশ্বর

শ্রীকালহস্তীশ্বর : পঞ্চভূতলিঙ্গমের অন্যতম মরুৎ (বায়ু) লিঙ্গম

পঞ্চভূতলিঙ্গের চতুর্থ লিঙ্গ হলেন মরুৎ বা বায়ু লিঙ্গ শ্রীকালহস্তীশ্বর। পঞ্চভূতলিঙ্গের অন্য চারটির অবস্থান তামিলনাড়ুতে হলেও শ্রীকালহস্তীশ্বর অন্ধ্র প্রদেশে তিরুপতি থেকে ৩৬ কিলোমিটার দূরে শ্রীকালহস্তিতে অবস্থিত।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

আন্নামালাই অরুণাচলেশ্বর মন্দির

আন্নামালাইয়ার তেজলিঙ্গম বিচিত্র পৌরাণিক আলেখ্য ও মন্দির ভাস্কর্য

আন্নামালাইয়ার  তেজলিঙ্গম বিচিত্র পৌরাণিক আলেখ্য ও মন্দির ভাস্কর্য।পঞ্চভূতের তৃতীয় “ভূত” হল তেজ বা আগুন। এই তেজ বা আগুনের অধীশ্বর হলেন আন্নামালাইয়ার বা অরুণাচলেশ্বর। তামিলনাড়ুর থিরুভন্নামালাই শহরে অবস্থিত অরুণাচল পর্বত, যাকে স্বয়ং শিব বলে মান্যতা দেওয়া হয়, সেই পর্বতের পাদদেশে বিশাল মন্দিরে আছেন তেজলিঙ্গ আন্নামালাইয়ার বা অরুণাচলেশ্বর। আজ আমরা এই তেজলিঙ্গের সন্ধানে যাবো। লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

জম্বুকেশ্বর মুর‍্যাল

জম্বুকেশ্বর — জলাধিপতি দ্বিতীয় পঞ্চভূতলিঙ্গমের কথা ও কাহিনী

জম্বুকেশ্বর — জলাধিপতি দ্বিতীয় পঞ্চভূতলিঙ্গমের কথা ও কাহিনী ।পঞ্চভূতের দ্বিতীয় ‘ভূত’ হল অপ্ বা জল। এই অপ্-য়ের অধীশ্বর হলেন অপ্ লিঙ্গম জম্বুকেশ্বর শিব। এঁর অবস্থান তিরুচিরাপল্লীর কাছে থিরুভনাইক্কাভালে। জম্বু অর্থাৎ জাম গাছের নীচে অবস্থিত বলে শিবের নাম জম্বুকেশ্বর। বলা হয় যে এই জামগাছটি সাধারণ জামগাছ নয়, সাদা জাম (Syzygium cumini)। চোল রাজাদের আমলে তৈরী সাতটি গোপুরম ও পাঁচটি দেওয়াল ঘেরা মন্দিরে মূল শিবলিঙ্গ একটি প্রাকৃতিক ঝর্ণার জলে ঘেরা (অপ্ বা অপ্পু লিঙ্গ)। পার্বতী এখানে আছেন অখিলান্দেশ্বরী নামে। মূল মন্দিরের গর্ভগৃহের পশ্চিম দিকের দেওয়ালে জানালা দিয়ে শিবলিঙ্গ দর্শন করার প্রথা।আজ আমরা জম্বুকেশ্বরকে দর্শন করব। লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

হাজার পিলার হল, একাম্বরেশ্বর

একাম্বরেশ্বর : প্রথম পঞ্চভূত লিঙ্গম — ক্ষিতি/ পৃথ্বী লিঙ্গম

পঞ্চভূতলিঙ্গমের প্রথম লিঙ্গ ক্ষিতি/ পৃথ্বী লিঙ্গম একাম্বরেশ্বর। সুপ্রাচীন এই মন্দিরটি তামিলনাড়ুর কাঞ্চীপুরম শহরে অবস্থিত। ক্লাসিকাল তামিল “সঙ্গম” সাহিত্যে খৃষ্টপূর্ব ৩০০ সালেই এই মন্দিরটির উল্লেখ আছে। বর্তমান মন্দিরটির অস্তিত্বের প্রমাণ অন্ততঃ ৬০০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে পাওয়া যায়। প্রথম মন্দিরটি বানান “পল্লব” রাজারা। পরে খ্রীষ্টীয় ৯ম শতাব্দিতে চোল রাজারা পুরোনো মন্দিরের জায়গায় নতুন মন্দির বানান। আদি শঙ্করাচার্য এই মন্দিরের নবরূপায়ণে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়। ১৫শ শতাব্দিতে বিজয়নগরের রাজারা এই মন্দিরের উন্নতিকল্পে বহু অর্থ দান করেন। যদিও পরবর্তিকালে চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় একটি একাম্বরেশ্বর মন্দির নির্মিত হয়, আমরা ক্ষিতি/পৃথ্বী লিঙ্গ বলতে কাঞ্চীপুরমের প্রাচীন একাম্বরেশ্বরকেই বুঝবো। লিখছেন -আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

একাম্বরেশ্বর মন্দির

পঞ্চভূত স্থলম ও পঞ্চভূত লিঙ্গম- দেবাদিদেব শিবঠাকুরের খোঁজে

পঞ্চভূত স্থলম ও পঞ্চভূত লিঙ্গম- দেবাদিদেব শিবঠাকুরের খোঁজে।শৈবতীর্থ কথাটা অনির্দিষ্ট। শৈবতীর্থের কোনও সংখ্যা গণনা হয় না। অজস্র শৈবতীর্থ ভারতবর্ষে এবং বাইরে ছড়িয়ে রয়েছে। ভারতের সব শহর এবং প্রায় পাঁচলক্ষ গ্রামের প্রতিটিতেই এক বা একাধিক শিবমন্দি আছে। এর মধ্যে যেমন অত্যন্ত বিখ্যাত শৈবতীর্থগুলি আছে, তেমনি আছে স্থানীয় ভাবে বিখ্যাত এবং অসংখ্য অল্পখ্যাত এবং অখ্যাত শিবমন্দির। একজন মানুষের পক্ষে এক জীবনে এগুলির সবকটি দেখে ওঠা সম্ভব নয়। বর্তমান লেখক চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শৈবতীর্থে ঘুরে বেড়িয়েও একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশের বেশি দেখে উঠতে পারে নি। কিন্তু এই খুঁজতে গিয়ে যে কথাটি পরিস্কার বোঝা গেছে তা হল প্রায়োরিটাইজেশন ছাড়া কিছু করা সম্ভব নয়। তা করতে গিয়ে দেখা গেল প্রায়োরিটাইজেশন ব্যাপারটা অনেকটাই ব্যক্তিগত, অর্থাৎ নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি-ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।লিখছেন-  আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

কালনার মন্দির

মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থল অম্বিকা কালনার অন্যতম এক দর্শনীয় স্থান

মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থল অম্বিকা কালনার অন্যতম এক দর্শনীয় স্থান। রাঢ় বঙ্গে অনেক স্থানে মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থল রয়েছে যেমন ঘাটকুলীন নোয়াপাড়া বাহিরী পাণ্ডুয়া ইত্যাদি ।কিন্তু অম্বিকা কালনার মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুদীর্ঘ এক ইতিহাস।লিখছেন–শুভদীপ সিনহা।

গঙ্গাদিত্য মন্দির

গঙ্গাদিত্য পুজো-মুর্শিদাবাদের অমরকুণ্ড গ্রামে প্রাচীন সূর্যোপাসনা

গঙ্গাদিত্য পুজো-মুর্শিদাবাদের অমরকুণ্ড গ্রামে প্রাচীন সূর্যোপাসনার দৃষ্টান্ত। এক সহকর্মীর কাছে নবগ্রাম ব্লকের অন্তর্গত অমরকুন্ড বা অমৃতকুন্ড গ্রামে গঙ্গাদিত্য মন্দিরের কথা শুনেছিলাম। গঙ্গাদিত্য অর্থাৎ সূর্য মন্দির যেখানে পূজা হয় এরকম মন্দির বাঙলা তো বটেই ভারতেও বিরল। সেই মতই একদিন বেরিয়ে পড়া শীতের সকালে আমার সহকর্মী সন্তুকে নিয়ে। বহরমপুর রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী ব্রীজ পার করে সোজা এগিয়ে চলে উপস্থিত হলাম রাধারঘাট মোড়ে। এখান থেকে বাঁদিকে একটি রাস্তা চলে গেছে কান্দীর দিকে। লিখছেন–শুভদীপ সিনহা।

ল্যান্সডাউনের নিসর্গ

ল্যান্সডাউন – হিমালয়ের কোলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট নিস্তরঙ্গ জনপদ

ল্যান্সডাউন- হিমালয়ের কোলে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট নিস্তরঙ্গ জনপদ।উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ে লুকোনো অগুনতি জনপদের মধ্যে একটি হল ল্যান্সডাউন, শান্ত, নিঝুম এক হিল স্টেশন।  ১৮৮৭  সালে আলমোড়া থেকে এখানে সরে আসে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একটা অংশ, জঙ্গল কেটে তৈরি করে এই হিল স্টেশন। স্বাধীনতা সংগ্রামীরাও এখানে বেশ তৎপর ছিলেন। তৎকালীন ভাইসরয় ল্যান্সডাউনের নামে এর নাম রাখা হয় ল্যান্সডাউন।–লিখছেন–শীর্ষা ব্যানার্জি

হিলোড়ার শ্যামসুন্দর

হিলোড়ার শ্যামসুন্দর- রামায়েত সন্ন্যাসী ও আসর উন্নেসা বেগম

হিলোড়ার শ্যামসুন্দর-এক অপূর্ব কৃষ্ণবিগ্রহ।এই বিগ্রহ আসলে রামায়েত সন্ন্যাসীদের পূজিত বিগ্রহ ।এই বিগ্রহের সঙ্গে রাধার কোন যোগ নেই।শ্যামসুন্দরের সেবার জন্য রানি ভবানীর সঙ্গে নবাব পরিবারের ভক্তমতী রমনী আসর উন্নেসা বেগম প্রচুর ভূমিদান করেছিলেন।লিখছেন–শুভদীপ সিনহা।

কোক্কেরাবেল্লুরে-পেইনটেড-স্টর্ক-

কোক্কেরাবেল্লুর – এক প্রকৃতিতীর্থ যেখানে পরিযায়ী পাখিরা গ্রামের মেয়ে

কোক্কেরাবেল্লুর – এক প্রকৃতিতীর্থ যেখানে পরিযায়ী পাখিরা গ্রামের মেয়ে।গ্রামবাসীদের আন্তরিক পরিচর্যার কথা লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

FB.AppEvents.logPageView(); FB.getLoginStatus(function(response) { statusChangeCallback(response); }); { status: 'connected', authResponse: { accessToken: '...', expiresIn:'...', signedRequest:'...', userID:'...' } }