গোলাবাড়ি--গোলাঘর

গোলাবাড়ি-বাংলার ঘরবাড়ি ও স্থাপত্যের এক অনন্য ইতিহাস

গোলাবাড়ি-বাংলার ঘরবাড়ি ও স্থাপত্যের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে।ইতিহাস মঙ্গলকাব্য এবং অন্যান্য সূত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে লিখেছেন –দীপঙ্কর পাড়ুই।

কাঠের খেলনা হাতি ঘোড়া

কাঠের খেলনা আজও তৈরি করেন শুকদেবপুরের শ্রবণ দাস

শিশুদের বিনোদনের জন্য হরেক প্রকারের দারু নির্মিত ঐতিহ্যবাহী কাঠের খেলনা,নির্মাণ পদ্ধতি ,বিপনন এবং শিল্পীর সুখ দুঃখের বারোমাস্যা রচনা করেছেন শুভঙ্কর মণ্ডল

আজগৈবীনাথ মন্দির

আজগৈবীনাথ শিব ও সুলতানগঞ্জের উত্তরবাহিনী পবিত্র গঙ্গা

আজগৈবীনাথ হলেন শিব। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে শিব “আজগব” নামের একটি ধনুক এখানে রেখে দিয়ে নিজে লিঙ্গরূপে এখানে রয়ে গেছেন। লিখছেন-আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

বিষ্ণু নারাই থাইল্যাণ্ডে

বিষ্ণু রূপী রামচন্দ্র হিসাবে পূজিত হন থাইল্যাণ্ডের রাজা জনগণের কাছে

বিষ্ণু রূপী রামচন্দ্র হিসাবে পূজিত হন থাইল্যাণ্ডের রাজা জনগণের কাছে। থাইল্যাণ্ড সহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে হিন্দুসংস্কৃতির প্রভাব নিয়ে লিখেছেন অনিতা বসু।

হাতির দাঁতের ভাস্কর্য নশিপুর রাজবাড়ী মিউজিয়াম এ রাখা আছে.হাতির দাঁতের ভাস্কর্য।সূত্রধরদের সৃষ্টি

সূত্রধর বা ছুতোর জন-জাতির উদ্ভব ও পেশার কথা ইতিহাসের প্রেক্ষিতে

সূত্রধর বা ছুতোর জন-জাতির উদ্ভব, বিভিন্ন থাকের পরিচয়,জীবিকার বৈচিত্র্য -পুরাণ ইতিহাস ও লোককথার প্রেক্ষিতে আলোচনা করেছেন আশুতোষ মিস্ত্রী।

হেনরি মার্টিন প্যাগোডা আগে পরে

হেনরি মার্টিন প্যাগোডা শ্রীরামপুরের রাধাবল্লভ জীউর প্রাচীন মন্দির

হেনরি মার্টিন প্যাগোডা আসলে রাধাবল্লভ জীউর প্রাচীন মন্দির। এই ঐতিহাসিক সৌধটিকে দেখতে হলে আপনাকে আসতে হবে হুগলি জেলার শ্রীরামপুরে। লিখছেন–সুমন্ত বড়াল

garur teracotta temple rajbalhat westbengal

গরুড় প্রসঙ্গঃ দেবতা,গঙ্গা, গরুড় মন্দিরের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

গরুড়  বিষ্ণুর বাহন ।আমাদের কাছে অপরিচিত না হলেও তাঁর ব্যাপারে আম জনতা সাধারণ বাঙালির ধারণাটা ভাসা ভাসা। এই লেখাটি মূলতঃ তাঁদের জন্যই। –লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

গোপাল উড়ের টপ্পা গান ও বিদ্যাসুন্দর পালা

গোপাল উড়ের টপ্পা নিয়ে কালক্রমে বহু লোকে গান বেঁধেছিলেন। অথচ দুঃখের কথা ইন্টারনেট ঘেঁটেও কোথাও সেযুগের এত গুণী একজন মানুষের কোন একটাও ছবি খুঁজে পেলাম না।দুর্গাদাস লাহিড়ীর “বাঙ্গালী গান”, ১৯০৫ অনুসারে পাচ্ছি যে, গোপাল ছিলেন সুপুরুষ, বিনয়ী ও অতি ভদ্র ব্যক্তি, চমৎকার ঠুংরী গান গাইতে পারতেন। তাঁর জন্ম হয় সম্ভবত ১৮১৭ সালে। রাধামোহনের শিষ্য গোপাল, গুরুর মতনই মাত্র ৪০ বছর বয়সে পরলোকে যাত্রা করেন। লাহিড়ী মহাশয় তাঁর ” বাঙালী গান” বইটিতে তিনি গোপাল উড়ের ৩৩৯ টি গানের সংগ্রহ সংকলন করেছিলেন।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

জয়নগরের জয়চণ্ডী ও বেশেরমেলা

মূর্তিটি যে সিংহাসনে উপবিষ্টা সেটিও দারুভাস্কর্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। অলঙ্কৃত পদ্মের উপর সমভঙ্গে দন্ডায়মানা দেবী দ্বিভুজা, তাঁর এক হাতে বরাভয় ও অপর হাতে অভয়মুদ্রা। প্রতিদিন অন্নপূর্ণা ধ্যানে দেবীর নিত্যপূজা হয়। পাশাপাশি শারদীয়া অষ্টমী তিথিতে, চৈত্রের অন্নপূর্ণা পূজা উপলক্ষে, স্নানযাত্রার দিন দেবীর স্বারম্বরে পূজা হয়। স্নানযাত্রার দিন ভোররাত্রে দেবীর শিলামূর্তিতে স্নান হয় এবং ঐদিন বহু দূরদূরান্ত থেকে ভক্তের সমাগম ঘটে। লিখছেন–শুভঙ্কর মণ্ডলঃ

থাইল্যাণ্ডে বিষ্ণু আরাধনা

থাইল্যাণ্ডের আপামর মানুষের কাছে ভারতীয় শ্রীবিষ্ণু পরিচিত ফ্রা বিষিণু, ফ্রা নারাই, ফ্রা রামা, অথবা ফ্রা কিষিণা রূপে। ফ্রা কথাটির অর্থ হলো অত্যন্ত উচ্চ সম্মানীয় দেবতা, বা গুরু। যে বিষ্ণুরূপী নারায়ণকে বেদ-পুরাণ গায়ত্রী মন্ত্রে ভারতবর্ষ আরাধনা করেছে এ যেন তারই প্রতিধ্বনি। থাইল্যাণ্ডের বিষ্ণু আরাধনার ইতিহাস বা প্রত্নতাত্ত্বিকদের প্রদর্শিত তথ্য থেকে সংগৃহীত করেছি কিছু কথা, আর কিছু দৈনন্দিন সজীব জীবনযাত্রার সঙ্গে সেই ফ্রা বিষ্ণু বা ফ্রা নারাই এর নিগুঢ় যোগাযোগ প্রত্যহ দেখতে পাই। লিখছেন–অনিতা বসু