কাজী নজরুলের চুরুলিয়ার বাল্য জীবন ও লেটোগান

এ খাঁটি মাটি থেকে উঠে এসেছে।…….তাঁর কবিতায় গ্রামের ছন্দ, মাটির গন্ধ পাই। দেশে যে নূতন ভাব জন্মেছে তাঁর সুর তা-ই। তাতে পালিশ বেশি নেই, আছে লাঙ্গলের গান, কৃষকের গান।মানুষের একাত্মসাধন। এ অতি অল্প লোকেই করেছে।নজরুলের জীবন ও কাব্য নিয়ে লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

রবীন্দ্রনাথের ছেলেভুলানো ছড়া ও কাটোয়া অঞ্চল

রবীন্দ্রনাথের সংগৃহীত ছড়ার বেশ কয়েকটির পাঠান্তর পেয়েছি।যেমন লোকসাহিত্যে ধৃত “উলুকেতু ধুলুকেতু নলের বাঁশি” ছড়ার দুটি পাঠ রবীন্দ্রনাথ তাঁর সংগ্রহে স্থান দিয়েছেন…লিখছেন –স্বপনকুমার ঠাকুর

প্রথম বঙ্গীয় সাহিত্যসম্মেলনে কাশিমবাজার রাজবাড়িতে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১৭ই কার্তিক আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানানোর জন্য বহরমপুর কোর্ট ও কাশিমবাজার স্টেশনে আগে থেকেই প্রচুর স্বেচ্ছাসেবক বালক উপস্থিত ছিল। বুকে ব্যাজ আঁটা স্বেচ্ছাসেবক বালকগণ নিজেরাই ট্রেন থেকে ঘাড়ে করে ব্যাগ পত্র নামিয়ে গাড়িতে তুলে দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ সকল সাহিত্য অনুরাগীগণদের নিয়ে কাশিমবাজার রাজবাড়ীতে নিয়ে আসেন । বেলা তখন ঠিক আটটা।লিখছেন–আশুতোষ মিস্ত্রী

প্রবাদ-প্রবচনে চন্দননগরের ইতিকথা

প্রবাদ, প্রবচন , বাগধারা হলো লোকসাহিত্যের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এইগুলি পর্যালোচনা করলে এক অঞ্চলের ইতিহাস, জনমনন খুব সহজে বোঝা যায়। হুগলী জেলার চন্দননগর দীর্ঘ সময় ধরে ফরাসিদের অধীনে থাকার পর ১৯৫৪ সালে স্বাধীনতা পায়। এই শহরকে অনেকে ফরাসডাঙাও বলে। এই শহরের কিছু প্রবাদ,প্রবচন ও বাগধারা বাংলার অনান্য অংশ থেকে একেবারে আলাদা । এই প্রবন্ধে সামান্য কিছু প্রবাদ এবং প্রবচনকে ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।লিখছেন – সুলগ্না চক্রবর্তী

গল্প হলেও সত্যি

এই সেই মদনমোহন! কালো অঙ্গ কেউ সাজিয়ে দিয়েছে ফুলের অলঙ্কারে। মুখে ছুঁয়ে রয়েছে বাঁশি। আর চোখে অদ্ভুত হাসি। বেলা পড়ে আসছে এদিকে। ফিরে যেতে হবে এবার অর্জুনকে। ফেরার জন্য ঘুরেও আবার গর্ভগৃহের দিকে মুখ ফেরাল অর্জুন।লিখছেন -সুমন্ত ভট্টাচার্য্য

সুন্দরবনের ” বোন বিবী জহুরানামা” উপাখ্যান দ্বিতীয় পর্ব

এই দ্বিতীয় খণ্ডের বর্ণনাতেই দেখা যাচ্ছে, কিভাবে বোন বিবী সমগ্র ভাঁটি অঞ্চলের মা হয়ে উঠলেন।আসুন দেখে নেওয়া যাক বোন বিবীর কথা…লিখেছেন ডা.তিলক পুরকায়স্থ

বঙ্কিমচন্দ্রের কালাদিঘির কথা

দীঘির পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জনবিরলতা ও দস্যুতার কথা উল্লেখ করে বঙ্কিম এই দীঘিকে ‘ডাকাতে কালাদীঘি” হিসাবে চিহ্নিত করেছেন – ” এই দীঘিতে লোকে একা আসিতে ভয় করিত। দস্যুতার ভয়ে এখানে দলবদ্ধ না হইয়া লোকে আসিত না। এই জন্য লোকে “ডাকাতে কালাদীঘি” বলিত…লিখেছেন–শৌভিক বিশ্বাস

চারণকবির মন্দিরে…

বর্তমানে খুব সমারোহে কালীপূজো পালন হয় এখানে । কার্ত্তিক মাসে কালীপূজোর দিন প্রচুর ভক্ত সমাগম হয় এখানে , সেদিন পুষ্পাঞ্জলি , আরতি , যজ্ঞ সহ ধুমধামের সাথে পুজা হয়।জেলার দূর দুরান্ত থেকে  লোকজন আসে । পরদিন হয় অন্নকূট । তার পরদিন শ্রী শ্রী কমলাকান্ত কালী ট্রাষ্টের উদ্যোগে মন্দির চত্বরেই হয় অনুষ্ঠান , ধর্মীয় আলোচনাতে যোগ দেন বিশিষ্ট অতিথিরা । পরিবেশিত হয় শ্যামাসংগীত …লিখেছেন–পারমিতা চক্রবর্তী ভট্টাচার্য্য 

নিম্নবঙ্গে ‘কথ্য-ছড়া’ সংস্কৃতিতে নারীপ্রগতি

মাতৃভূমির পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় অন্তঃপুরের মেয়েদের একটা আলাদা জগত ছিল। এই জগতে ছড়ার উপস্থিতি, ব্যাপ্তিময়তা লোকসাহিত্যে উল্লেখ্য। ছড়া যে স্মৃতি নির্ভর তা নিশ্চয় বলার অপেক্ষা রাখেনা। এই ছড়া সংস্কৃতির উপাদান গুলির সাহায্যে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক কালখণ্ড পুনঃনির্মাণের প্রচেষ্টাগত পদ্ধতিই হল ইতিহাস পুনঃনির্মাণ।লিখেছেন–দীপঙ্কর নস্কর

দামুন্যার কবি কবিকঙ্কণ মুকুন্দ

বর্তমানে কবিকঙ্কণের বংশধরদের (পৌত্রকুল ভট্টাচার্য এবং দৌহিত্রকুল মুখোপাধ্যায়) ১৮-২০টি পরিবার জন্মভিটা সংলগ্ন অঞ্চলে বসবাস করেন এবং বেশ কিছু পরিবার অন্যত্র বসবাস করেন। বর্তমানে কবিকঙ্কণের কাব্যে উল্লিখিত চক্রাদিত্য শিবের সন্ধান পাওয়া যায় না। তবে কবির বংশের আরাধ্যাদেবী সিংহবাহিনী চণ্ডীর মন্দিরে একটি বংশপরম্পরা ধরে পূজিত প্রাচীন শিবলিঙ্গ আছে…লিখেছেন-শ্যামসুন্দর বেরা

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.