দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা-নলাটেশ্বরী-মন্দির

দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা : শাস্ত্রে ও পশ্চিমবঙ্গের মন্দির অলঙ্করণে

দেবশিল্পী  বিশ্বকর্মা যন্ত্র ও যন্ত্রবিদ্যার দেবতা হিসাবেই পরিচিত। কখনও বলা হয়েছে তিনি স্বয়ম্ভূ। আবার কোথাও বলা হয়েছে তিনি অষ্টবসুর অস্টম বসু প্রভাসের ঔরসে বৃহস্পতির ভগ্নী যোগসিদ্ধার গর্ভে জন্মেছেন। তিনি বিশ্বের নির্মাতা, তাই তিনি বিশ্বকর্মা। লিখছেন– আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

খুটো খ্যাটা

খুটা খ্যাটা-পশুপালনে দুটি দেশজ সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিকতা

খুটা খ্যাটা পশুপালনে দুটি দেশজ  উপকরণ।মূলত পশুপালনে ব্যবহৃত হয়।যদিও উচ্চারণের তারতম্যে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে এর আলাদা আলাদা নামকরণ দেখা যায় যেমন রাঢ় অঞ্চলে একে বলে খুঁটো ও খেঁটে।বিস্তারিত লিখছেন–কৌশিক বিশ্বাস।

মাছরাঙা ডাকে মেঘ হও!

আকারে বড় হওয়ার দরুণ সহজেই দেখা যায়।শরীরের তুলনায় লেজটা অনেকটা ছোট।ঠোঁটের রঙ গাঢ় লাল শুধু ডগাটায় সামান্য বাদামি রঙের আভা আছে।পা দুটো সিঁদুরে লাল রঙের।মাথাটি কালচে খয়েরি রঙের।গলা,বুক,ঘাড় এবং পেট হলুদ রঙের শুধু স্ত্রী পাখিদের মধ্যে একটা কমলা রঙের আভা থাকে।ডানা,পিঠ এবং লেজ সমুদ্রের মত নীল (sea blue) এবং এই নীল রঙের জন্যই পাখিটির সৌন্দর্যে একটা অন্য মাত্রা এসে যায়।–লিখছেন–অর্ঘ্য রায় চৌধুরী

মুক্ত করো ভয়, বিজ্ঞানমনস্ক হও

মানুষের আসল শত্রু কে, কোনও মারণ রোগ বা ভাইরাস না পাশের কোনও দেশ এই শিক্ষাটা অন্তত করোনা পরবর্তী যুগে নেওয়া উচিৎ। তাই প্রস্তুতি নিতে হবে সেই লক্ষ্যে। যারা নিরলস গবেষণায় ব্যস্ত আছেন মানবজীবনের মঙ্গলসাধনের জন্যই, সেইসব ডাক্তার ও বৈজ্ঞানিকরা অন্তত সম্মানের সঙ্গে যাতে কাজ করতে পারেন, যাতে অর্থের অভাব না ঘটে সেইসব কাজে, সেইদিকে আরও নজর দেওয়া যে সময়েরই দাবি, সেই কথাটা মান্যতা পাবেই। তাঁরাই এরকম ক্রাইসিসের সময় উদ্ধারের পথ দেখাতে পারেন..লিখছেন–তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

করোনা যুদ্ধ

লেখা_স্বপনকুমার ঠাকুর ছবি–সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়–(এটা এক ধরনের প্রচার কথিকা।করোনা রুখতে আসুন আমরা এক সাথে ঝাঁপিয়ে পড়ি।সরকারি নির্দেশিকা মানি)

করোনার জন্য স্পানিশ সরকার আপাতত জরুরী পরিষেবাগুলো বিনা শুল্কে দিচ্ছেন

আজ ১৯ই মার্চের বেলা ১ টে পর্যন্ত স্পেনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭,১৪৭ জন, মৃত্যু হয়েছে ৭৬৭জনের, সম্পূর্ণ সেরে উঠেছেন ১১০৭জন। পুরো দেশকেই লক ডাউন করা হয়েছে। স্থলপথ ও জলপথ বন্ধ, দেশের ভেতর এখনও স্বল্প পরিমাণ বিমান চালু আছে। কাতালোনিয়া রাজ্যের বাইরে যাওয়া বা বাইরে থেকে এই রাজ্যে ঢোকাও নিষেধ হয়ে গেছে। ফার্মাসি, মুদিখানা/সুপারমার্কেট ছাড়া আর কিছু খোলা নেই এবং মানুষের শুধু এই স্থানগুলি ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া নিষেধ…লিখছেন–বৈশালী সরকার

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য

সালটা তখন ১৯৫২ সাল ২১ ফেব্রুয়ারী বাংলা মাতৃভাষাকে ধর্ম ও রাষ্ট্রের উর্ধ্বে স্থান দিয়ে পূর্ব পাকিস্থানের রাজধানী ঢাকার রাজপথে ৪ জন যুবক রফিক, সালম, জব্বর ও বরকত আমাদের গর্বের ভাষা, প্রাণের টানে বাংলা ভাষার মান ও সম্মান বাঁচানোর জন্য যে আত্মত্যাগ ও শহীদ হয়েছিলেন তা সারা বিশ্বের বাঙালীর জাতির অন্তরের আবেগের সঙ্গে গেঁথে থাকিবে। এই ভাষা আন্দোলন অগ্নি থেকে আগ্নেয়গিরি রূপ ধারন করে…লিখছেন–অভিষেক নস্কর

রাঢ়ের কৃষিসংস্কৃতি মুট আনা

সম্পর্ক মন্ডলঃকার্তিক মাস মানেই বাংলার রূপবৈচিত্রে শীতের আহ্বান শোনা শুরু হয়ে যায়। তিথি, রীতি, ব্রত আর পার্বণের আবহে সারাটা কার্তিক মাস যেন মেতে থাকে। কাতিক মাস হল কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো বা রাস যাত্রার মতো বিভিন্ন উৎসব ও অলক্ষী ব্রত, ভূত চতুর্দশী ব্রত বা ভাতৃদ্বিতীয়া ব্রতের সমাহার। উত্তর রাঢ় বাংলায় কার্তিক মাসের সংক্রান্তিতে যেমন বেলপুকুর ব্রত, সন্ধ্যামণি […]

নবদ্বীপের রাসের কালী

বড়শ্যামা মাতার সারা বছর ঘটে পূজা হয়.. শুধুমাত্র রাস পূর্ণিমাতেই মূর্তি নির্মাণ করে পূজা হয়। বড়শ্যামা মাতা পূজায় জনসাধারণের থেকে কোনো চাঁদা নেওয়া হয়না.. ” দি ট্রাস্টিস অব বড়শ্যামা মাতা” নামক ট্রাস্টি ফান্ড থেকেই বড়শ্যামা মাতার পূজার আয়োজন করা হয়.. নবদ্বীপে বড়শ্যামা মাতা যেমন আছেন তেমনই আছেন মেজো, সেজো ও ছোট শ্যামামাতা।লিখছেন–সপ্তক দাস।

ব্ল্যাক ডোকরাশিল্প আজও টিকে আছে উড়িষ্যার বারাখামায়

ডোকরা শিল্প তৈরিতে যেমন শুধু পুরানো পিতল ব্যাবহার করা হয়, ব্ল্যাক ঢোকরা মূর্তি তৈরিতে কিন্তু পিতল ছাড়াও পুরানো কাঁসা ব্যবহৃত হয়। ব্ল্যাক ঢোকরা মূর্তি কখনও ফাঁপা  হয় না, সলিড ধাতুর তৈরি, তাই এর ওজন ও বেশি হয়।এগুলিকে হাতের ব্রাশ বা বাফিং মেশিন দ্বারা পালিশ করা হয়না। তাই এই মূর্তিগুলির রঙ কালো বা কালচে হয়ে।কন্ধমাল জেলার উপজাতিরা মুখ্যত কন্ধমাল হলেও এখানকার ঢোকরা শিল্পীরা কিন্তু ঘাসি উপজাতির।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ