চিদাম্বরম নটরাজ : পঞ্চভূতলিঙ্গমের ব্যোম লিঙ্গম থিল্লাই নটরাজ

Share your experience
  • 99
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    99
    Shares

পূর্ব গোপুরম,চিদাম্বরম নটরাজ-মন্দির

চিদাম্বরম নটরাজ : পঞ্চভূতলিঙ্গমের ব্যোম লিঙ্গম থিল্লাই নটরাজা।পঞ্চভূতের শেষ ‘ভূত’ হল ব্যোম, যাকে অনেকে ‘আকাশ’ বলে থাকেন। এই আকাশ বা ব্যোমের অধীশ্বর হলেন ব্যোম বা আকাশ লিঙ্গ চিদাম্বরম। তাঁর অন্য নাম হল থিল্লাই নটরাজা। চিদাম্বরম কথাটি এসেছে ‘চিৎ’ আর ‘অম্বর’ কথা দু’টির সংযোগে। এই দু’টি কথারই সুদীর্ঘ শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা আছে। তার মধ্যে না ঢুকে আমরা সহজ ভাষায় বলতে পারি ‘চিৎ’ অর্থাৎ চিন্তাশক্তি যাঁর ‘অম্বর’ অর্থাৎ পরিধেয় বস্ত্র, তিনিই চিদাম্বরম। নটরাজ নৃত্যের দেবতা। তাই সব নৃত্যশিল্পীদের কাছেই থিল্লাই নটরাজ মন্দির সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থ।লিখছেন-  আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

পঞ্চভূতের শেষ ‘ভূত’ হল ব্যোম, যাকে অনেকে ‘আকাশ’ বলে থাকেন। এই আকাশ বা ব্যোমের অধীশ্বর হলেন ব্যোম বা আকাশ লিঙ্গ চিদাম্বরম। তাঁর অন্য নাম হল থিল্লাই নটরাজা। চিদাম্বরম কথাটি এসেছে ‘চিৎ’ আর ‘অম্বর’ কথা দু’টির সংযোগে। এই দু’টি কথারই সুদীর্ঘ শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা আছে। তার মধ্যে না ঢুকে আমরা সহজ ভাষায় বলতে পারি ‘চিৎ’ অর্থাৎ চিন্তাশক্তি যাঁর ‘অম্বর’ অর্থাৎ পরিধেয় বস্ত্র, তিনিই চিদাম্বরম। নটরাজ নৃত্যের দেবতা। তাই সব নৃত্যশিল্পীদের কাছেই থিল্লাই নটরাজ মন্দির সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থ।

এছাড়া  এটি শুধুমাত্র পঞ্চভূতলিঙ্গমের ব্যোমলিঙ্গমই নয়, আধার-লিঙ্গমের আজ্ঞা-চক্রের নিয়ন্ত্রক এবং পঞ্চসভাই স্থলের ‘কনক সভাই’।আজ আমরা সেই চিদাম্বরম শিবের মন্দির দর্শন করব।

মহিষাসুরমর্দিনী, চিদাম্বরম নটরাজ মন্দির 

চিদাম্বরমের  অবস্থান

চিদাম্বরম শিব অর্থাৎ নটরাজ মন্দির বা থিল্লাই নটরাজা মন্দির তামিলনাড়ুর কুদ্দালোর জেলার চিদাম্বরম শহরে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক কো-অর্ডিনেট হল ১১.২৩ ডিগ্রী নর্থ, ৭৯.৪১ ডিগ্রী ইস্ট (আবার সেই ৭৯ ডিগ্রী ইস্ট!)। চেন্নাই থেকে চিদাম্বরমের দূরত্ব ২২০ কিলোমিটার এবং পণ্ডিচেরি থেকে এর দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার, সেজন্য পণ্ডিচেরি থেকে চিদাম্বরম যাওয়া সহজ। প্রাচীন কালে এই জায়গাটির নাম ছিল ওখানকার একধরণের ম্যানগ্রোভ গাছ থিল্লাই (Exocoeria agallocha)-য়ের নামানুসারে থিল্লাই বা থিল্লাইবনম। থিল্লাই নটরাজা নামটি ঐ থিল্লাই গাছ তথা জায়গার নামেই এসেছে।

চিদাম্বরম : সপ্ত বিগ্রহ মূর্তি

তামিলনাড়ুর থিরুবিদাইমারুদূরে অবস্থিত মহালিঙ্গস্বামী শিবমন্দিরের সাতদিকে অবস্থিত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরকে বলা হয় ‘সপ্ত বিগ্রহ মূর্তি’ এবং এই তালিকায় চিদাম্বররমের স্থান একদম প্রথমে। এর অন্য মন্দিরগুলি হল চণ্ডিকেশ্বর মন্দির (থিরুচেঙ্গালুর), ভেল্লাই বিনায়ক (থিরুবলানচুঝি), স্বামীমালাই মুরুগান (স্বামীমালাই), সত্যাইনাথ ভৈরব (সিরকালি), সূর্য মন্দিরের নবগ্রহ (সূর্যানার কোভিল) এবং আপৎসহায়েশ্বর মন্দিরের দক্ষিণামূর্তি শিব (আলানগুডি)।

ভারতনাট্যম-নৃত্যের-বিভিন্ন-ভঙ্গি_থিল্লাই-নটরাজ-মন্দির-চিদাম্বরম

চিদাম্বরম : পৌরাণিক কাহিনী

একটি পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে কয়েকজন মুনিঋষি নিজেদের সততা এবং তপস্যার গর্বে ভীষণ গর্বিত হয়ে নিজেদের দেবতা ভাবতে শুরু করলে তাঁদের দর্পচূর্ণ করার জন্য শিব মোহিনী রূপী বিষ্ণুকে নিয়ে তাঁদের কাছে আসেন এবং তাণ্ডব নৃত্য করেন। এতে দু’টি ঘটনা ঘটল। একদিকে মোহিনীর সৌন্দর্যে মুনিদের চিত্তচাঞ্চল্য ঘটল। আর অন্যদিকে শিবের তাণ্ডবনৃত্য দেখে ঋষিপত্নীদের মনে তীব্র কামভাব জেগে উঠল। এতে সেই গর্বিত মুনিরা অত্যন্ত রেগে গিয়ে শিবকে শাস্তি দেওয়ার জন্য সর্পযজ্ঞ করে সাপ পাঠালেন, কিন্তু শিব সাপকে গলায় জড়িয়ে নিলেন। ক্রুদ্ধ ঋষিরা এবার একটি বাঘকে পাঠালেন, কিন্তু শিব বাঘকে মেরে তার চামড়াটা পরিধান করলেন।

ঋষিরা এবার একটি হাতি-রূপী ভয়ংকর অসুরকে পাঠালেন, কিন্তু শিব তাকে বধ করলন (গজাসুরসংহার)। তখন শেষ চেষ্টা হিসাবে ঋষিরা মুয়ালকন নামের এক ভয়ানক দৈত্যকে পাঠালেন শিবের সঙ্গে যুদ্ধ করতে, কিন্তু শিব  দৈত্যের পিঠে পা দিয়ে তাণ্ডব নৃত্য করলেন (আনন্দতাণ্ডব নৃত্য)। তখন ঋষিরা বুঝতে পারলেন যে তাঁদের সংযমশিক্ষাই হয় নি, আত্মজ্ঞান তো অনেক দূরের ব্যাপার। তাঁদের দর্পচূর্ণ হল। মুনিরা, বিশেষ করে পতঞ্জলি (ইনি খুব সম্ভবতঃ যোগশাস্ত্র্র প্রণেতা মহর্ষি পতঞ্জলি নন ) ও ব্যাঘ্রপদ নামে দুই মুনি থিল্লাই বনে গিয়ে শিবের আরাধনা শুরু করলেন। অবশষে নটরাজ মূর্তিতে শিব সেখানে আবির্ভূত হয়ে তাণ্ডব নৃত্য প্রদর্শন করলেন। যেখানে শিব আবির্ভূত হয়েছিলেন, মুনিরা সেখানে থিল্লাই নটরাজার মন্দির স্থাপন করলেন।

পাথরের হাতি, থিল্লাই নটরাজ মন্দির, চিদাম্বরম 1

চিদাম্বরম : ইতিহাস

এখন যে জায়গাটি ‘চিদাম্বরম’ নামে পরিচিত, সেখানে খৃ্ষ্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দিরও আগে নটরাজের মন্দির ছিল। প্রথম দিকের চোল রাজাদের  রাজধানী ছিল চিদাম্বরম। ১১শ শতাব্দিতে রাজারাজা চোল (প্রথম) রাজধানী তাঞ্জাভুরে স্থানান্তরিত করেন। নৃত্যের অধীশ্বর নটরাজ রূপী শিবের উদ্দেশ্যে নির্মিত বর্তমান মন্দিরটি চোল রাজাদের দ্বারা খৃষ্টীয় ১০ম শতাব্দিতে প্রতিষ্ঠিত। প্রথম রাজা রাজা চোলের রাজত্বকাল ছিল ৯৮৫ – ১০১৩ খৃষ্টাব্দ। তাঁর সময়ে চিদাম্বরমের থিল্লাই নটরাজা মন্দিরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। ১২শ শতাব্দিতে চোলরাজ কোলুথাঙ্গা এবং তাঁর পুত্র এই মন্দিরটি অনেক উন্নতিসাধন করেন এবং মন্দিরটি বিশাল আকার ধারণ করে।

এই মন্দিরের ‘থাউজ্যাণ্ড পিলার হল’-টি ১২শ শতাব্দির শেষদিকে প্রতিষ্ঠিত। খৃষ্টীয় ১৩শ শতাব্দির মাঝামাঝি পাণ্ড্য রাজাদের হাতে চোল রাজবংশের পতন হয়। পাণ্ড্য রাজারাও নটরাজ মন্দিরের অনেক উন্নতিসাধন করেন। পাণ্ড্যরাজ সুন্দর পাণ্ড্য নটরাজ মন্দিরের পূর্ব দিকের গোপুরমটি নির্মান করেন।

নৃত্য-মুদ্রা-৩-থিল্লাই-নটরাজ-মন্দির1
নৃত্য-মুদ্রা-৩-থিল্লাই-নটরাজ-মন্দির1

১৩শ শতাব্দির পর থেকে চিদাম্বরম নটরাজ মন্দির বার বার মুসলমান আক্রমণে লুণ্ঠিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির সেনাপতি মালিক কাফুর ১৩১১ খৃষ্টাব্দে চিদাম্বরম সহ দাক্ষিণাত্যের বহু মন্দিরে লুঠতরাজ ও ধ্বংসলীলা চালায়। এরপর খৃষ্টীয় ১৪শ শতাব্দির শেষভাগে বিজয়নগরের হিন্দু রাজারা মাদুরাই সুলতানদের পরাজিত করে দাক্ষিণাত্যে হিন্দু রাজত্ব পুনর্প্রতিষ্ঠা করেন। বিজয়নগরের রাজারা চিদাম্বরমের নটরাজ মন্দিরসহ আরও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরের পুনর্নিমাণ করেন।

এরপর দক্ষিণ ভারতে রাজনৈতিক অশান্তি শুরু হয়। ১৬শ শতাব্দিতে সম্মিলিত মুসলমান আক্রমণে বিজয়নগর সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। এর কিছুদিনের মধ্যেই পর্তুগিজ, ফরাসী ও ব্রিটিশ এই তিন ইউরোপীয় শক্তি দক্ষিণ ভারতে উপস্থিত হয় এবং ক্রমাগত চিদাম্বরম ও অন্যান্য বড় মন্দির-শহরগুলি এক রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে পড়ে। ১৭শ শতাব্দিতে নায়ক শাসকরা চিদাম্বরমের দায়ত্বভার গ্রহণ করেন। তাঁরা নটরাজ মন্দিরকে সংস্কার করেন।

১৮শ শতাব্দিতে অ্যাংলো-ফ্রেঞ্চ যুদ্ধে চিদাম্বরমের কিছু ক্ষতি হয়। এরপর ব্রিটিশ শাসনে চিদাম্বরম নটরাজ মন্দিরের আর নতুন করে কিছু ক্ষতি হয় নি।

নৃত্য-মুদ্রা-২-থিল্লাই-নটরাজ-মন্দির
নৃত্য-মুদ্রা-২-থিল্লাই-নটরাজ-মন্দির

চিদাম্বরম : মন্দির

প্রথাগত দ্রাবিড়ীয় মন্দিরশৈলীতে নির্মিত প্রায় ৪০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশাল মন্দিরটির ৪টি প্রাকার  ও ৯টি গোপুরম আছে। এই ৯টি গোপুরমের মধ্যে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম দিকের গোপুরমগুলিই প্রধান। এই চারটি গোপুরমই মোটামুটি ১০০ ফিট চওড়া ও ১৪০ ফিট উঁচু। পূর্ব দিকের গোপুরমটির গায়ে নাট্য শাস্ত্রে বর্ণিত নৃত্যের সব ক’টি (১০৮টি) মুদ্রা বা পোজ পাথরের বা-রিলিফ ভাস্কর্যে প্রদর্শিত হয়েছে। প্রতিটি গোপুরমই অসংখ্য হিউম্যান ফিগার দিয়ে সাজানো। এর মধ্যে দেবদেবীর মূর্তি, পৌরাণিক কাহিনী, হরিহর, অর্ধনারীশ্বর ইত্যাদি মূর্তি দর্শনীয়।

অন্যান্য বড় দ্রাবিড় শৈলীর মন্দিরের মত এই মন্দিরেও অনেকগুলি হল বা মণ্ডপ আছে, তার মধ্যে থাউজ্যাণ্ড পিলার হলটি অপূর্ব পাথরের ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত। চোল রাজ প্রথম পরান্তক (৯০৭ – ৯৫০ খৃষ্টাব্দ) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বেসারা রীতিতে নির্মিত সোনা দিয়ে মোড়া ছাদ-বিশিষ্ট বিমানটি (চিত্রাম্বলম) এই মন্দিরকে পঞ্চ সভাই স্থলের ‘কনক সভাই’-য়ের মর্যাদা দিয়েছে।

এই মন্দিরে অনেকগুলি জলাশয় আছে, তার মধ্যে শিবগঙ্গা পুকুরটি সবচেয়ে বড়।

গর্ভগৃহ

নটরাজ মন্দিরের গর্ভগৃহটি অন্যান্য শিবমন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে আলাদা। এখানকার মূল গর্ভগৃহে শিবলিঙ্গ নেই। তার বদলে এখানে গর্ভগৃহে (চিৎসভা) নটরাজরূপী শিবের নৃত্যরত মূর্তি। এর পাশেই আছে একটি প্রকোষ্ঠ, যাকে বলা হয় ‘রহস্য’ বা রহস্যকক্ষ। এই কক্ষটি একটি ভারী পর্দা দিয়ে ঢাকা থাকে। এই পর্দাটির বাইরের অর্থাৎ দর্শকদের দিকের রং কালো (যা অজ্ঞানের প্রতীক)। পর্দাটি কিছুক্ষণ অন্তর খুলে দেওয়া হয়, তখন ভিতরের লাল রঙ দেখা যায় (গুরু দ্বারা জ্ঞানচক্ষু উন্মিলিত করার প্রতীক)। কক্ষটি ব্যোম বা আকাশের (অর্থাৎ শূন্য) প্রতীক। কক্ষটির মাঝখানে সোনার সুতোয় ঝোলানো একটি সোনার বেলপাতা আছে যা ব্যোমলিঙ্গের প্রতীক।

ব্যোমলিঙ্গ এবং নটরাজ ছাড়াও এই মন্দিরে স্ফটিকলিঙ্গের পূজা হয়।

 বৈশিষ্ট্য

আরও পড়ুন –জম্বুকেশ্বর — জলাধিপতি দ্বিতীয় পঞ্চভূতলিঙ্গমের কথা ও কাহিনী

এই মন্দিরটির অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য আছে।

প্রথমতঃ, এটি শুধুমাত্র পঞ্চভূতলিঙ্গমের ব্যোমলিঙ্গই নয়, আধার-লিঙ্গমের আজ্ঞা-চক্রের নিয়ন্ত্রক এবং পঞ্চসভাই স্থলের কনক সভাই।

দ্বিতীয়তঃ, এই মন্দিরে শিবের তিনরূপেরই পূজা হয় — নিরাকার, লিঙ্গরূপ (স্ফটিক লিঙ্গ) এবং মনুষ্যাকৃতি রূপ (নটরাজ মূর্তি)। নটরাজ রূপী শিব এখানে ‘আনন্দ তাণ্ডব’ নৃত্যরত। এই কারনে এই মন্দিরকে মহোত্তম শিবমন্দিরের মর্যাদা দেওয়া হয়।

তৃতীয়তঃ, শৈব ধর্মের মন্দির হলেও এখানে শাক্ত, বৈষ্ণব, সৌর, গাণপত্য ইত্যাদি মতের মন্দিরও আছে। দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন আম্মান বা দেবী মন্দির এখানেই আছে। এখানকার সূর্য মন্দিরটি খৃষ্টীয় ১৩শ শতাব্দির আগে প্রতিষ্ঠিত।

থিল্লাই-নটরাজ-মন্দিরের-ভিতরে-চিদাম্বরম
থিল্লাই-নটরাজ-মন্দিরের-ভিতরে-চিদাম্বরম

উপসংহার

থিল্লাই নটরাজ মন্দির নানাদিক দিয়েই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখানে পঞ্চভূতলিঙ্গমের আলোচনায় এই মন্দিরটি নিয়ে কথা বললাম। নটরাজ মন্দিরের নাম আবার আসবে আধারলিঙ্গম ও পঞ্চ সভাই স্থলের আলোচনায়।

ওং নমঃ শিবায়।

ঋণ স্বীকার

উইকিপিডিয়া সহ বিভিন্ন ইন্টারনেট সাইট।ফটো : লেখক

দেখুন কৌলালের ভিডিও


Share your experience
  • 99
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    99
    Shares

Facebook Comments

Post Author: আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

asish chottopadhyay
আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম ১৯৫৬) দুর্গাপুরের একজন প্রতিথযশা স্ত্রীরোগবিশেজ্ঞ। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার হাসতালে ৩২ বছর অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে চাকরি করার পর এখন উনি সম্পূর্ণ ভাবে গরীব ও দুস্থ রোগীদের সেবায় নিজেকে নিযুক্ত রেখেছেন। দেশভ্রমণ, ফটোগ্রাফি এবং বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজি ও বাংলায় লেখালেখি করা ওঁর নেশা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং বইতে ওঁর তোলা ফটো প্রকাশিত হয়েছে। বাংলায় লেখা ওঁর দুটি ব্যতিক্রমী উপন্যাস, একটি ছোটগল্প-সংগ্রহ, একটি কবিতার বই , একটি ছড়ার বই ও দুটি ভ্রমণকাহিনী আছে, যার মধ্যে একটি উপন্যাস (চরৈবেতি) দুবার আনন্দবাজার পত্রিকার বেস্ট সেলার লিস্টে স্থান পেয়েছিল। ইংরেজিতে ভারতের বিভিন্ন তীর্থস্থান ও মেলা নিয়ে লেখা ওঁর শতাধিক ব্লগের প্রায় দেড় লক্ষ ভিউ আছে। বাংলার মন্দিরের উপর ওঁর ইংরেজিতে লেখা একটি গবেষণাধর্মী প্রায় দুহাজার রঙিন ফটোসমৃদ্ধ ফটোগ্রাফিক ই-বুক আছে, যেটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা মন্দির ভালোবাসেন কিন্তু খুব পাণ্ডিত্যপূর্ণ লেখা পড়তে চান না, তাঁদের জন্য লেখা।।