এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ ও এক বিশ্বাসঘাতক দেশপ্রেমীর কাহিনী

Share your experience
  • 144
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    144
    Shares

 আন্দামান সেলুলার জেল ভ্রমণে এবার্ডিন যুদ্ধের এই চমৎকার হাতে আঁকা ছবিটি অনেকেই অবশ্যই দেখেছেন।ছবির বিষয় এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ ও এক বিশ্বাসঘাতক দেশপ্রেমীর কাহিনী।পড়ে দেখেছেন কি – স্মৃতিফলকের গায়ে উৎকীর্ণ লেখাটি ? জেনে নিন সেই অজানা ইতিহাস।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ।

এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ
এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ

সিপাহী বিদ্রোহ শেষ হয়েছে। জাঁকিয়ে বসেছে ইংরেজরা। বাংলার রাজা গজারা ইংরেজদের “পদলেহনে ব্যস্ত। বাবু কালচার এর নিকৃষ্ট সংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি মজে রয়েছে ।অগ্নিযুগের বিপ্লবীরা তখনও জন্মাননি।সেই সময় আন্দামানের এক আদিম জনজাতি গ্রেট আন্দামানিজরা বিদেশি বিতারণের জন্যইংরেজদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করে।কিন্তু দুর্ভাগ্যের ব্যাপার, একজন সিপাহী বিদ্রোহে অংশ নেওয়া আন্দামান ফেরত ভারতীয়র বিশ্বাসঘাতকতায় ইংরেজরা এই জনজাতিটিকেই প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দেয়।

বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস

ইতিহাসের সেই ভুলে যাওয়া অধ্যায় কে ফিরে দেখা যাক।দেশপ্রেমী আর বিশ্বাসঘাতক- এ আবার কেমন কথা -? এ আবার হয় নাকি ?আজ্ঞে হয়। বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস ভারতবর্ষের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। শুধু পলাশীর যুদ্ধই নয়, যত যুদ্ধ বিগ্রহ ভারতের মাটিতে হয়েছে, তার বেশির ভাগেরই নির্ণায়ক ফল ছিল বিশ্বাসঘাতকদের হাতে। এর সপক্ষে ভুরি ভুরি উদাহরণ দেওয়া যায়।কিন্তু এবারে যে বিশ্বাসঘাতকের কথা বলব- সে আবার এক দেশপ্রেমিক, সিপাহী বিদ্রোহে যোগ দেওয়া সৈনিক।
কেমন অদ্ভুত লাগছে না এই কথাটি শুনে ?

গল্পকথা নয়,ইতিহাস

আজ্ঞে হ্যাঁ, তবে এটি কোন গল্প কথা নয়, বর্ণে বর্ণে সত্য ইতিহাস। যে লোক সিপাহী বিদ্রোহে যোগ দেয়, সেই একই ব্যক্তি আবার গ্রেট আন্দামানিজ আদিবাসী ও ইংরেজদের যুদ্ধে, ইংরেজদের মোক্ষম সময়ে এমন ভাবে সাহায্য করেন যে ,আন্দামানের এই আদিম জনজাতিটি সম্মুখ সমরে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।ভেবে দেখুন সিপাহী বিদ্রোহের মাত্র কিছুদিনের মধ্যে, খোদভারতবর্ষের এক কোণায় এক আদিম , উলঙ্গ, অধিবাসীরাই প্রথমে ইংরেজদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে অস্ত্র ধারণ করে। কলকাতার বাবুসমাজ এবং রাজা/গজার দল তো তখন ইংরেজদের পদলেহনে ব্যস্ত। বাংলায় বিপ্লবের বীজ তখন ভবিষ্যতের গর্ভে নিহিত।

সবুজদ্বীপের রাজা – আন্দামান

এরপরেও বলবেন- আন্দামানের আদিম অধিবাসীরা জংলী, এরা সভ্য মানুষ দেখলে তীর ছুঁড়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। বেশ করে, আর করবেই বা না কেন। সভ্য বনাম অসভ্য মানুষের গল্প শুনুন তাহলে।৫৭২ টি দ্বীপের সমষ্টি হচ্ছে সবুজদ্বীপের রাজা – আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, যার ৩৭ টি দ্বীপে বর্তমানে জনবসতি গড়ে উঠেছে।আমাদের গল্প শুরু হচ্ছে ব্রিটিশ অধিকৃত আন্দামানের সময় থেকে। ইংরেজ নৌ বহর সর্বপ্রথমে ১৭৪৯ সালে, বর্তমানের চথাম স মিলের কাছে এক নৌঘাঁটি নির্মাণ করে, যদিও তখন এই অঞ্চলটি ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত কলোনি ।

কুখ্যাত সেলুলার জেল

এর বহু পরে ১৮৫৭ সালে হল সিপাহী বিদ্রোহ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ক্ষমতা চলে গেল ইংল্যান্ডের মহারানীর কাছে। ১৮৫৮ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত রাজবন্দি এবং অন্যান্য সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের দ্বীপান্তরে নির্বাসনের জন্য রস আইল্যান্ডকে ঘাঁটি করে শুরু হল পোর্টব্লেয়ারে নতুন কলোনি নির্মাণের কাজ। আস্তে আস্তে গড়ে উঠবে পোর্টব্লেয়ার, কুখ্যাত সেলুলার জেল, এশিয়ার সর্ববৃহৎ কাঠ চেড়াইএর কারখানা- চথাম সও মিল ইত্যাদি।এই গল্পের সময়কালে , সেসব তখন ভবিষ্যতের গর্ভে।

কলোনি নির্মাণ এবং জঙ্গল কাটা নিয়েই শুরু হয় স্থানীয় আদিবাসী গ্রেট আন্দামানিজদের সঙ্গে ইংরেজ এবং কয়েদিদের বিবাদ। প্রকৃতির সন্তান এই আদিবাসীদের কাছে প্রকৃতিই মা-প্রকৃতিই বাপ।তাঁদের খাদ্য-পানীয় সবই যোগায় নীল সমুদ্র এবং সবুজ জঙ্গল। পরনে তাঁদের কাপড় নেই, কিন্তু মনে আছে অসীম বল।তাই আদিবাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রকৃতির ধ্বংসের বিরুদ্ধে তাঁদের মান্ধাতা আমলের অস্ত্রশস্ত্র যেমন তীর ধনুক, বল্লম নিয়েই মাঝে মধ্যে হামলা চালাতে শুরু করে ইংরেজদের নির্মিয়মান কলোনিতে।

এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ

ইংরেজরা তো আর নিজেরা কাজকর্ম করত না, করত ভারতীয় বন্দিরা। তাই আদিবাসীদের তীরের আঘাতে প্রায়ই মারা পড়ত কর্মরত ভারতীয় কয়েদিরা।একদিকে ইংরেজদের অকথ্য অত্যাচার, অন্যদিকে আদিবাসীদের চোরাগোপ্তা আক্রমণ। এই দুই সাঁড়াশি আক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৫৮ সালের এপ্রিলে, আগা নামক এক দুঃসাহসিক কয়েদির নেতৃত্বে কিছু রাজবন্দীরা মিলে ঠিক করে যে তাঁরা যেভাবেই হোক রস আইল্যান্ড থেকে পালাবে। দরকার পড়লে পড়ে থাকা কাঠের গুঁড়ি দিয়ে নৌকা বানিয়েই দ্বীপ ত্যাগ করবে। তাঁদের আশা ছিল, নৌকায় চেপে এবং জঙ্গলের মধ্যে পায়ে হেঁটে যেভাবেই হোক বার্মা পৌঁছাতে পারা । তারপর চেষ্টা করা হবে বার্মাতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেবার।

পরিকল্পনা অনুসারে ১৮৫৮ সালের ২৩ শে এপ্রিল, রস আইল্যান্ড থেকে ৯০ জন, চথাম এবং ফেনিক্স বে থেকে আরো ৪০ জন, নিজেদের হাতে তৈরি করা নৌকা নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনির্দিষ্ঠের পথে ভেসে পড়েন। এই ১৩০ জনের মধ্যে ছিলেন সিপাই বিদ্রোহে যোগ দেওয়া কয়েদী নম্বর ২৭৬- দুধনাথ তেওয়ারী।

দুঃখের বিষয়, কয়েদিদের দেশের উপর অসম্ভব টান থাকলেও, ভূগোল এবং গভীর সমুদ্র যাত্রার বিপদ সম্মন্ধে সম্যক কোন জ্ঞান ছিল না। তাই গভীর জঙ্গলের মধ্যে পথ হারিয়ে অনির্দিষ্ট পথে ঘুরে মরতে থাকেন। খিদে- তৃষ্ণায় একে একে সবাই প্রাণত্যাগ করেন। অনেকে আবার মারা যান আদিবাসীদের তীরের আঘাতে, কারণ আদিবাসীরা ইংরেজদের দেখতে পেত না, এদেরই দেখতে পেত, ভাবত যে এই লোকগুলিই জঙ্গল কাটছে, প্রকৃতি ধ্বংস করছে।

এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ ইতিহাস

শেষ অবধি ১৩০ জনের মধ্যে বেঁচে ছিল মাত্র তিনজন, যার একজন হচ্ছে দুধনাথ তেওয়ারী। এই তিনজনকেও একদিন আদিবাসীরা ঘিরে ধরে এবং তীর ছুঁড়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। দুজন কয়েদী তীরের আঘাতে মারা যান, কিন্তু অলৌকিকভাবে তীরের আঘাত সয়েও বেঁচে যান দুধনাথ। এই আশ্চর্য ঘটনা দেখে আদিবাসীরাও চমৎকৃত হয়ে যায় এবং দুধনাথকে তাঁদের বাসস্থান- তারমুগলি দ্বীপে নিয়ে যায়। শুরু হয় আদিবাসীদের প্রাকৃতিক চিকিৎসা। তখন আন্দামানের দ্বীপপুঞ্জের মুখ্য আদিবাসী বলতে আফ্রিকান উপজাতি গোত্রের আন্দামানিজ বা গ্রেট আন্দামানিজ, ওঙ্গি, জারোয়া এবং সেন্টিনেলিজ, এছাড়া নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দুটি মোঙ্গলয়েড আদিবাসী গোত্র- নিকোবরিজ এবং সোম্পেনদের বোঝাত।

দুধনাথ তাঁর জীবন ফিরে পেয়ে জীবন বাঁচাবার তাগিদেই হোক বা যে কারণেই হোক, গ্রেট আন্দামানিজদের মতন পোশাক-আশাক ত্যাগ করে, মুন্ডিত মস্তক হয়ে প্রাণপনে চেষ্টা করতে থাকে আন্দামানিজ সমাজের একজন হয়ে ওঠার। এরই ফলে আন্দামানিজদের সঙ্গে থাকবার চার মাস পরে পুটিয়া নামের এক ব্যক্তির, দুধনাথের উপর মায়া ও ভালোবাসা জন্মায় এবং তাঁর মেয়ে লিপার সঙ্গে দুধনাথের বিয়ে দিয়ে দেন। বেশ সুখেই দুধনাথ ও লিপার দিন কাটছিল।এক বছরের উপর হয়ে গেছে দুধনাথের নতুন জীবনের। লিপা সন্তানসম্ভবা, আর আন্দামানিজরাও তখন নির্ভয়ে তাঁদের সমস্থ কথা,ওঁকে বলে, ওঁর মতামত চায়।

দুধনাথও ইংরেজ ঘাঁটির সব খবর ওঁদের দেয়। ওঁর কাছ থেকে খবর সংগ্রহ করে, ১৮৫৯ সালের ৬ ই এপ্রিল, ২০০ জন সশস্ত্র আন্দামানিজ হাঙ্গামা চালায় হাড্ডোর জঙ্গলে কর্মরত ২৪৮ জন বন্দীর উপরে। দ্বিতীয়।আক্রমণ করা হয়- ১৪ ই এপ্রিল। এবারের আক্রমণে অংশগ্রহণ করে প্রায় ১৫০০ জন আন্দামানিজ। এই দুটি আক্রমণের সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আদিবাসীরা শপথ নেই, বাইরের লোকেদের চিরতরে উৎখাত করতে হবে আন্দামান থেকে, প্রকৃতির ধ্বংস আর সহ্য করা যাচ্ছেনা।
যে দিনটি নির্দিষ্ট হয় পরবর্তী যুদ্ধের জন্য- সেটি ছিল ১৮৫৯ সালের ১৭ ই মে( কেউ কেউ বলেন ১৪ ই মে)।

 

এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ ইতিহাস ও বিশ্বাসঘাতকতা

এবার কি ঘটল দেখুন। সিপাহী দুধনাথ দেখল এই হচ্ছে মোক্ষম সময়, দেশে ফিরে যাবার। আদিবাসীরা বিশ্বাস করে আর তাঁকে নজরবন্দি রাখেন না, আর দেশে ফিরতে হলে ইংরেজদের জাহাজে চড়া ছাড়া উপায় নেই। তাই এক অসতর্ক মুহূর্তে ইংরেজ সেনাপতি ডা: ওয়াকারের কাছে গিয়ে আদিবাসীদের আসন্ন যুদ্ধের ব্যাপারে সমস্ত কিছু জানিয়ে দিয়ে আবার আদিবাসীদের মধ্যেই ফিরে আসেন।

আদিবাসীরা টগবগ করে ফুটছে সর্বাত্মক যুদ্ধের জন্য , বিদেশি তাড়ানোর জন্য। কিন্তু এবারের যুদ্ধ আর যুদ্ধ রইলনা। আদিবাসীরা ভেবেছিল তাঁরা আচমকা আঘাত করবে, তার বদলে তীর-ধনুক, বল্লম হাতে তাঁরা মুখোমুখি হোল আধুনিক বন্দুক এবং অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ব্রিটিশ সেনার মুখোমুখি। ফলশ্রুতিতে একজনও ইংরেজ বা ভারতীয় কয়েদির মৃত্যু হয়নি, অন্যদিকে দমা দম বন্দুকের গুলিতে প্রকৃতির সন্তানেরা লুটিয়ে পড়তে থাকে কাটা কলাগাছের গু‍ঁঁড়ির মতন। প্রায় সমস্ত আন্দামানিজ পুরুষেরাই একদিনে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। এই যুদ্ধেরই নাম ব্যাটেল অফ এবার্ডিন ।

আর ইংরেজদের জেলখানা থেকে মুক্তি পেয়ে, তাঁর পূর্ণ গর্ভবতী স্ত্রী লিপাকে পরিত্যাগ করে , ভারত মাতার সুযোগ্য সন্তান দুধনাথ চললেন তাঁর আপন ঘরে। লজ্জায়, ঘৃণায়, দুঃখে, লিপা একটি মৃতবৎস্য সন্তান প্রসব করে। বর্তমানে আন্দামানিজ জনসংখ্যা প্রায় নিশ্চিহ্ন, তিন অংকেও পৌঁছায়নি। সরকারের কৃপা সম্বল করে এই বীর জাতির গুটিকয়েক বংহধরেরা কায়ক্লেশে বেঁচে আছেন।

যুদ্ধের স্মৃতিফলক
যুদ্ধের স্মৃতিফলক

উপসংহার

আন্দামান ভ্রমণে পোর্ট ব্লেয়ারের এবার্ডিন বাজারে, বড় রাস্তার ধারে যে স্মৃতিফলকটি চোখে পড়ে, সেটি দয়া করে দেখবেন এবং লেখাটি পড়বেন।সিংহ হৃদয় একটি জাতি কিভাবে , কোন সুদূর অতীতে ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধ রুখে দাঁড়িয়েছিল, সেটি ভেবে যদি দু ফোঁটা চোখের জল গড়িয়ে পড়ে, তবে তা হবে বীর শহীদদের সত্যিকারের স্মৃতি তর্পণ।

আর সেলুলার জেল ভ্রমণে এবার্ডিন যুদ্ধের এই চমৎকার হাতে আঁকা ছবিটি অবশ্যই দর্শন করবেন।সেলুলার জেলের অতি জনপ্রিয় লাইট এন্ড সাউন্ড অনুষ্ঠানে যে কেন এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধের উল্লেখ করা হয়না, আমার মাথায় আসেনা।তবে অনেকেই হয়ত অবগত নন যে, আন্দামানের রস আইল্যান্ডেও একটি চমৎকার লাইট এন্ড সাউন্ড প্রোগ্রাম হয়। এই প্রোগ্রামটিতে ব্যাটেল অফ এবার্ডিন নিয়ে সুন্দর তথ্য পেশ করা হয়।ওন্ডুর যাবার পথে, গারাচারমায় অবস্থিত কালাপানি মিউজিয়ামেও এবিষয়ে তথ্য পাবেন। গারাচারমায় CHC Govt. Hospital থেকে খুব কাছেই এই মিউজিয়ামটি।

আরও পড়ুন- আত্মবলিদান দিবস- ভারতের অগ্নিযুগের দুই মহান বিপ্লবী

আন্দামান ভ্রমণে আন্দামানের সত্যিকারের সম্পূর্ণ ইতিহাস জানতে হলে কালাপানি মিউজিয়ামে আসতেই হবে। সপ্তাহের প্রতিদিনই সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা অবধি এই অসাধারণ মিউজিয়ামটি খোলা থাকে, কোন প্রবেশমূল্য নেই।

সমস্ত ছবি লেখকের তোলা। শিল্পীর তুলিতে আঁকা এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ এবং যুদ্ধের স্মৃতিফলক।

তথ্যসূত্র:-
১) A battle and a betrayal, Ajay Saini, August 13, 2017. The Hindu.
২) Battle of Aberdeen ( Andaman Islands), Wikipedia

 

দেখুন কৌলালের তথ্যচিত্র

 


Share your experience
  • 144
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    144
    Shares

Facebook Comments

Post Author: ডা. তিলক পুরকায়স্থ

Tilak Purakayastha
2/3, CENTRAL HOSPITAL KALLA, ASANSOL 713340. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের MBBS, MD, মুখ্যত চিকিৎসক| কেন্দ্রীয় সংস্থার উৎকৃষ্ট চিকিৎসা সেবা পদক, লাইফ টাইম আচিভমেন্ট আওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পুরস্কারে পুরস্কৃত। নেশায় ভ্রামনিক , ফটোগ্রাফার এবং শখের লেখক।

2 thoughts on “এবার্ডিন বাজারের যুদ্ধ ও এক বিশ্বাসঘাতক দেশপ্রেমীর কাহিনী

Comments are closed.