মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল-মনসাসংস্কৃতির এক অনালোচিত দিক

Share your experience
  • 1K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1K
    Shares

 

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল।লেখাটির নামটিই কেমন অদ্ভুত, তাই না? কোথায় মা মনসা, কোথায় বৈদ্যরাজ ধন্বন্তরীদেব আর কোথায় ভীমরুল! তার উপর আমি যে সব বিষয় নিয়ে লিখি, তার মধ্যে এ রকম অদ্ভুত কম্বিনেশন পড়ে না। তাছাড়া বিশেষ কোনও রেফারেন্স বা ব্যাকআপও নেই। একটিমাত্র জায়গায় ধন্বন্তরীর ব্যাপারে পড়লাম ধন্বন্তরী বিশেষ ভাবে সাপে কাটা রুগীদের বাঁচিয়ে তুলতেন বলে মনসা রেগে গিয়ে একঝাঁক ভীমরুল দিয়ে দংশন করিয়ে ধন্বন্তরীকে শাসন করেন। তবে বিষয়টি আমি আগে জানতাম না বা কোথাও তেমন কিছু পড়ি নি। তবে ইন্টারনেট বিশাল সমুদ্র। তার মধ্যে কোথাও না কোথাও বিষয়টি নিশ্চয়ই আছে। আমি তাই লৌকিক কাহিনী হিসেবেই এই লেখাটি লিখলাম। সেই হিসেবে পড়লেই ভালো হয়।এই ভূমিকাটির পরে এবার চলুন মূল বিষয়টিতে যাইলিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

 মনসাতলা-গোকুলনগর-

মনসাতলা-গোকুলনগর বাঁকুড়া

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল–মনসা কথা

মনসা একজন জনপ্রিয় লৌকিক দেবী। তিনি সর্পদেবী। তিনি বিষ ধ্বংস করেন, তাই তাঁর নাম বিষহরি বা বিষহরা। সাপের কামড় থেকে বাঁচার জন্য মনসা পূজার প্রচলন। তাছাড়া মনসা ফার্টিলিটি কাল্টের দেবী। মনসার “ঘট” আসলে গর্ভবতী নারীর জরায়ুর প্রতীক বলেই পণ্ডিতরা মনে করেন। মনসার ব্যাপারে পুরাণ ও বাংলায় সুপ্রচলিত মঙ্গলকাব্য কিছু বিষয়ে বিভিন্ন রকম কথা বলেছেন। কোথাও বলা হয়েছে তিনি শিবের কন্যা, নাগরাজ বাসুকীর ভগিনী, জরৎকারু ঋষির পত্নী এবং আস্তিকমুনির মা। আবার কোথাও বলা হয়েছে তিনি কাশ্যপমুনি ও নাগজননী কদ্রুর কন্যা।

টেরাকোটায়-মনসা-রঘুনাথ-শিবমন্দিরঘুড়িষা
টেরাকোটায়-মনসা-রঘুনাথ-শিবমন্দিরঘুড়িষা

মনসা অত্যন্ত রাগী। ভক্তদের প্রতি সদয় হলেও যাঁরা তাঁকে পূজা করতে চান না, তাঁদের সর্বনাশ করতে তিনি একমুহূর্তও দ্বিধা করেন না। চাঁদ সদাগরের বিখ্যাত কাহিনীটি এই সংঘাতের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে।মনসা মূলত অনার্যা দেবী। ভারতের আদিবাসী ও অন্ত্যজ সমাজে মনসার পূজা বহুল প্রচলিত। ধীরে ধীরে ব্রাহ্মণ্যতান্ত্রিক সমাজেও মনসা পূজার প্রচলন হয়। জলা-জঙ্গলে ভর্তি গ্রামাঞ্চলে বিশেষ করে বর্ষাকালে সাপের কামড়ে মারা যাওয়াটা একটা ভবিতব্যের মতই ছিল, এবং এখনও বহু মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান। স্বাভাবিক কারনেই ভক্তির চেয়েও ভয়ে মানুষে মনসা পূজা করত বা এখনও করে। বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ভাবে মনসা পূজা হয়, এবং এত বিচিত্র ধরণের পূজাপদ্ধতি সম্ভবতঃ আর কোনও দেবীর নামে নেই। এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এখানে করা সম্ভব নয়। উৎসাহীরা কৌলালের বিভিন্ন পোস্ট এবং নেট ঘেঁটে দেখতে পারেন।

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল–ধন্বন্তরী কথা

ধন্বন্তরী কে? এককথায় বৈদ্যদেবতা বা চিকিৎসাবিদ্যার দেবতা হলেন ধন্বন্তরী। পৌরাণিক মতে সুরাসুর দ্বারা সমুদ্রমন্থনের সময় একে একে যে “রত্ন”-গুলি সমুদ্রগর্ভ থেকে উঠেছিল, তার অন্যতম হলেন ধন্বন্তরী। বলা হয় যে ধন্বন্তরীই হাতে অমৃতের ভাণ্ড নিয়ে সমুদ্র থেকে উঠে আসেন। সমুদ্রমন্থন আমাদের বিষয় নয়, তাই আমরা সেদিকে যাচ্ছি না।
ধন্বন্তরী চিকিৎসাবিদ্যার দেবতা। সমস্ত রোগের ওষুধ তাঁর জানা। তিনি যে কোনও রোগীকে ভাল করতে পারতেন বলে এখনও আমরা সুচিকিৎসক বোঝাতে “ধন্বন্তরী” কথাটা ব্যবহার করি।

সব পৌরাণিক চরিত্রের মত ধন্বন্তরীকে নিয়েও কোথাও কোথাও আলাদা আলাদা কথা বলা হয়েছে। এমনকি ধন্বন্তরীকে বিষ্ণুর অবতারও বলা হয়েছে।

ধন্বন্তরীর মূর্তি

ধন্বন্তরীর যে মূর্তিটি সাধারণতঃ দেখা যায় সেটি হল চতুর্ভূজ। তাঁর হাতে সর্বদাই অমৃতভাণ্ড থাকে। আর একহাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থাকে জলৌকা বা জোঁক। ধন্বন্তরীর হাতে অমৃতভাণ্ড থাকাটা রূপক, কিন্তু জোঁক থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতি প্রাচীনকাল থেকেই চিকিৎসায় জোঁক ব্যবহারের প্রচলন আছে, এবং শুধুমাত্র ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রেই নয়, বিভিন্ন দেশে। আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রেও অনেকসময় জোঁক ব্যবহৃত হয়।

লীচ ট্রিটমেন্ট বা চিকিৎসায় জোঁকের ব্যবহার – ইতিহাস

চিকিৎসায় জোঁকের ব্যবহারের প্রথম উল্লেখ দেখা যায় সুশ্রুত সংহিতায়। ভারতবর্ষের বাইরে খৃষ্টপূর্ব ২০০ তে গ্রীক চিকিৎসক Nicander জোঁকের দ্বারা চিকিৎসার কথা উল্লেখ করেছেন। আরবী চিকিৎসকরাও যে জোঁক-চিকিৎসার ব্যাপারে জানতেন তা ১০২০ খৃষ্টাব্দে Avicenna-র লেখায় এবং খৃষ্টীয় ১২শ শতাব্দিতে Abd-el-latif al-Baghdadi-র লেখায় জানা যায়।
ইংল্যাণ্ডের Manchester Royal Infirmary-তে ১৮৩১ খৃষ্টাব্দে ৫০,০০০ জোঁক চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল।

লীচ ট্রিটমেন্ট বা চিকিৎসায় জোঁকের ব্যবহার – বৈজ্ঞানিক তথ্য

Hirudo medicinalis (European medicinal leech) একটি বিখ্যাত মেডিসিনাল লীচ। Hirudo গোত্রের আরও কয়েকটি জোঁক (H. orientalis, H. troctina, H. verbana) মেডিসিনাল লীচ হিসাবে পরিচিত। এছাড়া Asian medicinal leech (Hirudinaria manillensis) এবং North American medicinal leech (Macrobdella decora) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। দেখা গেছে যে এই মেডিসিনাল লীচের মুখের লালা বা স্যালাইভাতে প্রায় ৬০ ধরণের বিভিন্ন প্রোটিন থাকে। এর মধ্যে Anti-coagulant (Hirudin), Platelet aggregation inhibitor (Collaginase, apyrase, Calin), Vasodilators, Proteinase Inhibitor ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসায় জোঁকের ব্যবহার

১৯৭০ সাল থেকে মাইক্রোসার্জারি এবং রি-কন্সট্রাক্টিভ সার্জারিতে মেডিসিনাল লীচের ব্যবহার চালু হয়। এছাড়াও ভ্যারিকোজ ভেইন, থ্রম্বোফ্লেবাইটিস, অস্টিও-আর্থরাইটিস ইত্যাদি রোগে জোঁক ব্যবহৃত হয়।লীচ ট্রিটমেন্টের বৈজ্ঞানিক মান্যতা কতটা তা জানতে শুধুমাত্র একটি কথাই যথেষ্ট। তা হল ২০০৪ সালে US Food and Drug Administration (FDA) লীচ ট্রিটমেন্টকে “Medical device” হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।তজোঁক নিয়ে এতটা কথা বলা হল এই জন্য যে চিকিৎসাবিদ্যার হিন্দু দেবতা ধন্বন্তরীর হাতে জলৌকা থাকে। প্রাচীন ভারতের চিকিৎসাবিদ্যা যে কতটা উন্নত ছিল, ধন্বন্তরীর হাতের জোঁক তারই একটি প্রমাণ।এবার আবার ধন্বন্তরীতে ফেরা যাক।

ধনতেরাস উৎসব ও ধন্বন্তরী

কার্তিক মাসের কৃষ্ণাত্রয়োদশীর দিনটিকে সমুদ্রমন্থনে অমৃত সহ ধন্বন্তরীর আবির্ভাব দিবস মান্য করা হয়। সেই জন্য ঐ দিনটিকে ধন্বন্তরী-ত্রয়োদশীও বলা হয় হয়। প্রথমে ঐ দিনটিতে ধন্বন্তরীর পূজা করে তাঁর কাছে সুস্বাস্থ্যের আশীর্বাদ চাওয়াই প্রথা ছিল, কিন্তু কালক্রমে দিনটি ধন্বন্তরীর বদলে লক্ষ্মীপূজার দিন হিসাবে পরিগণিত হয়, এবং সৌভাগ্য এবং ধনলাভই উৎসবটির মূল উদ্দেশ্যে পরিনত হয়।

২০১৬ সাল থেকে কেন্দ্রীয় আয়ুর্বেদ, যোগ, ন্যাচারোপ্যাথি, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথি মন্ত্রকের ঘোষণা মত ধন্বন্তরী ত্রয়োদশীকে “জাতীয় আয়ুর্বেদ দিবস” হিসাবে পালন করা হচ্ছে।

ধন্বন্তরীর মন্দির

দক্ষিণ ভারতের বহু জায়গায় ধন্বন্তরীর মন্দির আছে। শ্রীরঙ্গনাথস্বামী মন্দির চত্ত্বরে একটি বিখ্যাত ধন্বন্তরী মন্দির আছে। কাঞ্চীপুরমের শ্রীবরদারাজা পেরুমল মন্দির চত্ত্বরে একটি ধন্বন্তরী মন্দির আছে।

ভীমরুলের চাক
ভীমরুলের চাক

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরূল–ভীমরুল কথা

এবার আমরা আসবো আমাদের আলোচনার তৃতীয় অংশে। তা হল মনসা, ধন্বন্তরী এবং ভীমরূল।
ধন্বন্তরী সমস্ত রোগের চিকিৎসা জানতেন। তিনি ছিলেন সর্পদংশনের চিকিৎসায় বিশেষ ভাবে পারদর্শী, অর্থাৎ আজকের ভাষায় সুপার-স্পেশালিস্ট। কোনও সাপে-কাটা রোগীই তাঁর চিকিৎসায় মরত না, সবাই ভাল হয়ে যেত। আর সর্পাঘাতে মৃত্যুর ভয় যদি না থাকে, তবে সাধারণ মানুষেরা আর মনসাকে পূজা করবে কেন? ফলে আস্তে আস্তে মনসার পূজা কমে এল। মনসা খুব কোপণস্বভাবের ছিলেন। পূজা কমে যাওয়ায় তিনি খুব রেগে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখলেন যে এর আসল কারন হচ্ছেন ধন্বন্তরী এবং তাঁর সর্পদংশনের চিকিৎসায় সাফল্য। মনসার পুরো রাগটা গিয়ে পড়ল ধন্বন্তরীর উপর। তিনি তাই রাগে বিষাক্ত ভীমরুলের ঝাঁককে ডেকে এনে ধন্বন্তরীর দিকে এগিয়ে দিয়ে সেই ভীমরুলের কামড়ে ধন্বন্তরীকে শায়েস্তা করলেন।

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল  –গল্পটির অথেন্টিসিটি

আগেই বলেছি এ ব্যাপারে আমার কোনও ব্যাকআপ নেই। একটিমাত্র বইতে (বৃহৎ কল্কিপুরাণ) এক জায়গায় এই গল্পটি আছে, এবং খুব সম্ভবতঃ গল্পটি প্রক্ষিপ্ত। পণ্ডিতরা বলতে পারবেন। একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে গল্পটি অদ্ভুত লেগেছিল। মনসাকে উচ্চবর্ণ সমাজে স্থান দেওয়ার জন্য গল্পটি প্রচার করা হয়েছিল বলেই মনে হয়।
কিন্তু এই গল্পটির সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দিকটি হল, ধন্বন্তরীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য মনসার সাপের বদলে ভীমরুলকে ব্যবহার করা। প্রশ্নটা হল কেন? কেন মনসা ভীমরুলকে ব্যবহার করলেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে ভীমরুল সম্বন্ধে কিছু জানতে হবে। তাই চলুন ভীমরুল সম্বন্ধে একটু খোঁজ খবর নেওয়া যাক।
ভীমরুলভীমরুল (ইংরেজিতে Hornet) হল Vespa গণ বা জেনাসের অন্তর্গত বেশ বড় আকারের পতঙ্গ। এরা কাঠ চিবিয়ে লালা মিশিয়ে বড় বড় চাক বানায়। চাকে একটি রানী ভীমরুল, কয়েকটি পুরুষ ভীমরুল এবং অসংখ্য কর্মী ভীমরুল (যারা আসলে জেনেটিক্যালি স্টেরাইল ফিমেল) থাকে। সারা পৃথিবীতে ২২ প্রজাতির ভীমরুল দেখা যায়, তার মধ্যে অধিকাংশই এশিয়ার উষ্ণ অঞ্চলে।

ভীমরুল
ভীমরুল

ভীমরুলের বিষ

বোলতা জাতীয় পতঙ্গের মধ্যে ভীমরুলের বিষই সবচেয়ে ক্ষতিকর। এই বিষের মধ্যে প্রধান হল acetylcholine। যাবতীয় ভীমরুলের মধ্যে সবচেয়ে বিষাক্ত হল Asian Giant hornet (V. mandarina)। এদের কামড়ে এশিয়ায় প্রতিবছর বেশ কিছু মানুষের মৃত্যু হয়।

ভীমরুল ও attack pheromone

ভীমরুল ভয় পেলে বা রেগে গেলে শরীর থেকে attack pheromone ( এশিয়ান জায়ান্ট হরনেটের ক্ষেত্রে অন্ততঃ তিনটি রাসায়নিক পদার্থ যথা 2-pentanol, 3-Methyl-1-butanol এবং 1-methylbutyl-3-methylbutanoate) নিঃস্বরণ করে, যার গন্ধে চাকের সব ভীমরুল বেরিয়ে শত্রুকে (সে মানুষ হোক বা অন্য কোনও প্রাণী) একসঙ্গে আক্রমণ করে। এমনকি চাকের কাছে কোনও ভীমরুলকে মেরে ফেললে সেই মৃত শরীরটা থেকে attack pheromone নিঃসৃত হয়ে চাকের সব ভীমরুলকে একসাথে আক্রমণে নিয়ে আসে। ভীমরুলের ঝাঁকের আক্রমণকে সব প্রাণীই ভয় পায়।

মনসা কী ভীমরুলের attack pheromone-য়ের রহস্য জানতেন?

মনসার গল্পটা শুনে এবং ভীমরুলের attack pheromone-য়ের কথা জেনে আমার মনে হয়েছে এমন কি হতে পারে যে মনসা ভীমরুলের attack pheromone ব্যবহার করেই ধন্বন্তরীকে এক ঝাঁক ভীমরুলের সামনে ফেলে দিয়েছিলেন? মনসা অনার্যা দেবী বলে এই সম্ভাবনাটা আরও বেশি, কারন মাঠ ঘাট জঙ্গল-পাহাড়ে ঘোরা অনার্য প্রান্তিক মানুষদের পক্ষেই কীটপতঙ্গের স্বভাব কাছ থেকে দেখা ও জানা স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন- হরধনু ভঙ্গ – রামায়ণে, উপকথায় এবং পশ্চিমবঙ্গের মন্দির অলঙ্করণে

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল  -উপসংহার

আমাদের লৌকিক বা পৌরাণিক কাহিনীগুলি অধিকাংশই রূপক। ধর্মীয় গল্পের মধ্য দিয়ে লোকশিক্ষা দেওয়াটা একটা বড় উদ্দেশ্য ছিল। আমরা যদি গল্পগুলিকে অবাস্তব বলে উড়িয়ে না দিয়ে নতুন চোখে দেখার চেষ্টা করি, তবে মনে হয় গল্পগুলির পিছনের রহস্যটিকে বুঝতে পারবো।

মনসা নিয়ে কৌলালের একগুচ্ছ ভিডিও তথ্যচিত্র দেখুন-


Share your experience
  • 1K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1K
    Shares

Facebook Comments

Post Author: আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

asish chottopadhyay
আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম ১৯৫৬) দুর্গাপুরের একজন প্রতিথযশা স্ত্রীরোগবিশেজ্ঞ। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার হাসতালে ৩২ বছর অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে চাকরি করার পর এখন উনি সম্পূর্ণ ভাবে গরীব ও দুস্থ রোগীদের সেবায় নিজেকে নিযুক্ত রেখেছেন। দেশভ্রমণ, ফটোগ্রাফি এবং বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজি ও বাংলায় লেখালেখি করা ওঁর নেশা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং বইতে ওঁর তোলা ফটো প্রকাশিত হয়েছে। বাংলায় লেখা ওঁর দুটি ব্যতিক্রমী উপন্যাস, একটি ছোটগল্প-সংগ্রহ, একটি কবিতার বই , একটি ছড়ার বই ও দুটি ভ্রমণকাহিনী আছে, যার মধ্যে একটি উপন্যাস (চরৈবেতি) দুবার আনন্দবাজার পত্রিকার বেস্ট সেলার লিস্টে স্থান পেয়েছিল। ইংরেজিতে ভারতের বিভিন্ন তীর্থস্থান ও মেলা নিয়ে লেখা ওঁর শতাধিক ব্লগের প্রায় দেড় লক্ষ ভিউ আছে। বাংলার মন্দিরের উপর ওঁর ইংরেজিতে লেখা একটি গবেষণাধর্মী প্রায় দুহাজার রঙিন ফটোসমৃদ্ধ ফটোগ্রাফিক ই-বুক আছে, যেটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা মন্দির ভালোবাসেন কিন্তু খুব পাণ্ডিত্যপূর্ণ লেখা পড়তে চান না, তাঁদের জন্য লেখা।।

1 thought on “মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল-মনসাসংস্কৃতির এক অনালোচিত দিক

Comments are closed.