বাংলাদেশের পুঠিয়া রাজবাড়ির পাঞ্চজন্য মন্দির

বাংলাদেশের  রাজশাহীতেও আছে এরকমই একটি পাঞ্চজন্য মন্দির । রাজশাহী এর উপকণ্ঠ পুঠিয়া রাজবাড়িতে । এই পুঠিয়া রাজবাড়ি নাটোরের রানির অধীনে ছিল অষ্টাদশ শতক এর দিকে , সেই সময়েই এই পাঞ্চজন্য মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল ।এই মন্দিরটি ১৮.৮২ মিটার উঁচু এবং এর প্রতি অংশের দৈর্ঘ্য হচ্ছে প্রায় ১৪.৪৭ মিটার । প্রথম তলার প্রতি পাশে তিনটি করে প্রবেশ-দুয়ার আছে আর সেই দুয়ার এর সাথে আছে খিলান । লিখছেন–ইমরান হাসান

অগ্নিযুগের বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী

আজ ক্ষুদিরাম নেই,  প্রফুল্ল চাকী নেই।  কিন্তু সারা ভারতবর্ষের মানুষের হৃদয়ে ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকী যে স্বাধীনতার অগ্নিমশাল প্রজ্বলিত করেছিলেন, শত চেষ্টা করেও ব্রিটিশ সরকার  তা নেভাতে পারেনি। তাই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এনাদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।লিখছেন–অভিষেক নস্কর

রামরাজাতলার রামরাজা

মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম এই মুহুর্তে হট ইন-থিং। তাঁকে নিয়ে তাঁর ভক্ত ও অভক্তরা মিলে এমন হইচই লাগিয়েছে যে তাঁকে নিয়ে কিছু বলতে গেলেই ভক্ত অথবা অভক্তের ব্র্যাণ্ড গায়ে লেগে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। তবুও কিছু ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবার মত পাবলিক চিরকালই থাকে, আম্মো আছি।

মেধসাশ্রম গড়চণ্ডীধাম তথা শ্যামরূপার লোক- ইতিহাস

শাল, শিরীষ, অর্জুন আরো কত নাম না জানা গাছগাছালিতে ঢাকা , লাল মোরামের চমৎকার এই পথ দিয়ে চলেছি গড় জঙ্গল।ঝাঁকে ঝাঁকে ফিঙে, বুলবুলি আর গাছের কোটরে উঁকি দিচ্ছে টিয়ার টুকটুকে সবুজ ছানা।কোনো কোনো জায়গায় ভর দুপুরেও সূর্যরশ্মির প্রবেশ নিষেধ।বেশ একটা রোমাঞ্চকর আলো আঁধারির পরিবেশে পৌঁছলাম মেধা মুনির পৌরাণিক কাহিনী আশ্রিত আশ্রমে…লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ

রামব্রহ্ম সান্যাল ও আলীপুর চিড়িয়াখানা 

আজও চিড়িয়াখানার প্রধান প্রবেশদ্বার দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে এই বঙ্গসন্তানের ছবি। বিখ্যাত এই মানুষটিই হলেন স্বনামধন্য রামব্রহ্ম সান্যাল। রামব্রহ্ম সান্যালের পৈতৃক বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত মহুলা গ্রামে।  অবশ্য সেইসময় গ্রামের নাম ছিল কেদারমাটি মহুলা যা আজকে নতুন মহুলা নামে পরিচিত। ১৮৫১ খ্রীস্টাব্দের ১৫ ই ফেব্রুয়ারী নবকুমার সান্যালের পুত্র  রামব্রহ্ম সান্যালের জন্ম হয় মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলায় অবস্থিত তার মামার বাড়িতে…লিখছেন–অনিন্দ্য সরকার

ভূকৈলাশ রাজবাড়ি ও খিদিরপুর শিবমন্দির

মহারাজা জয়নারায়ণ ঘোষালই প্রথম খিদিরপুরের কাছে ভূকৈলাস রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন। এনার জন্যই এই বংশের মান মর্যাদা ফিরে আসে। জয়নারায়ণ দিল্লীর সম্রাটের নিকট থেকে  ” মহারাজা বাহাদুর ” উপাধি পান। এছাড়া ৩৫০০ ঘোড়-সওয়ার   রাখার  সনদ প্রাপ্ত হন। মহারাজা জয়নারায়ণ ইংরেজী, ফার্সী, সংস্কৃত, আরবী ও বাংলা ভাষায় সুদক্ষ ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ছাত্রদের বিনাব্যয়ে পড়াশোনা করাতেন। এমনকি বহুব্যয়ে বারানসীতে একটি কলেজও স্থাপন করেন, যা ” জয়নারায়ণ কলেজ ” নামে পরিচিত। এই কলেজটি বর্তমানে মিশনারীর কর্তৃপক্ষ থেকে পরিচালিত হয়। এছাড়াও তিনি বারানসীতে গুরুধাম নামক একটি ঠাকুরবাড়ি করুনাধীন মহাদেবের নামে নির্মাণ করেন।…লিখছেন–সায়ন দাস।

প্রত্নডাঙা এক আনা চাঁদপাড়া গ্রাম

মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদীঘি থানার অন্তর্গত মনিগ্রামের বটতলা বাসস্টপ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এক আনা চাঁদপাড়া গ্রাম। এই গ্রামটির সাথে গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে…লিখছেন–আশুতোষ মিস্ত্রী

মঙ্গলকোটের পুরাকীর্তি

প্রত্নতীর্থ মঙ্গলকোট।দেবভূমি মঙ্গলকোট।হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন-সুফি-ইসলাম-লোকায়ত  ধর্মের মিলনক্ষেত্র  উজানি মঙ্গলকোট।সেই সুদূর প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে শুরু করে  মৌর্য-শুঙ্গ-কুষাণ-গুপ্ত-পাল-সেনপর্ব থেকে মধ্যযুগ হয়ে একেবারে হাল আমলেও মঙ্গলকোট আছে  সেই মঙ্গলকোটেই।আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে ইতিকথার বাঁধন।লিখছেন–স্বপনকুমার ঠাকুর

মরিন্দা তাল ভ্রমণ

মরিন্দা তাল গাড়োয়াল হিমালয়ের অসংখ্য গ্লেসিয়াল লেক, অর্থাৎ হিমবাহ থেকে উৎপন্ন লেকের মধ্যে একটি। হর-কি-দুন ভ্যালি থেকে বরাসু পাসের রাস্তায় তিন কিলোমিটার গেলে এই সুন্দর গ্লেসিয়াল লেকটির কাছে পৌঁছনো যায়। যাঁরা হর-কি-দুন ভ্যালি যাচ্ছেন, তাঁরা সেখান থেকে ঘণ্টা আড়াই ট্রেক করে মরিন্দা তালে ঘুরে আসতে পারেন।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

নৈহাটি তাম্রশাসনে উল্লিখিত বাল্লহিট্টা বা বালুটিয়া গ্রাম

১৯১১ সালে বল্লাল সেনের যে নৈহাটি (নবহট্ট) তাম্রশাসন আবিষ্কার হয়েছিল তাতে গ্রামটি ‘বাল্লহিট্টা’ নামে অভিহিত আছে। এই ‘বাল্লহিট্টা’র অপভ্রংশ বর্তমান বালুটিয়া। গ্রামের উত্তর-পূর্ব কোণে বৈষ্ণব গ্রাম বিরাহিমপুর, ঝামটপুর। পশ্চিমে আর এক বৈষ্ণব গ্রাম জলসূতী। আরও পশ্চিমে সোনারুন্দি। পূর্বে ৬-৭ কিমি জুড়ে বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ এবং তার পারে নৈহাটি-সীতাহাটি গ্রাম। দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রস সাহিত্যিক ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভূমি গ্রাম গঙ্গাটিকুরী এবং দক্ষিণে খাঁড়ুলিয়া ও অম্বলগ্রাম। আর কুলুকুলু বয়ে চলেছে প্রাচীন ‘সিঙ্গোটিয়া’ নদী। বর্তমান নাম ঈশানী। স্থানীয়দের কাছে কাঁদর।লিখছেন–কৌশিক রায় চৌধুরী

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.