মহালয়া --আদ্যাশক্তি মহামায়া

মহালয়া শুভ না অশুভ ? দুর্গাপুজোর সঙ্গে যোগ কতখানি?

মহালয়া শুভ না অশুভ ? দুর্গাপুজোর সঙ্গে যোগ কতখানি? ইদানিং সোশ্যালমিডিয়ার একটি বিতর্কিত বিষয়।কেউ বলেন বাপের শ্রাদ্ধকে আর হ্যাপি মহালয়া বলা যায়? এটা কি আদৌ সত্যকথা? উত্তর খুঁজেছেন–স্বপনকুমার ঠাকুর।

জীতাষ্টমী ব্রত

জীতাষ্টমী ব্রত পালন ও শিয়াল শকুনির পুজো বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর গ্রামে

জীতাষ্টমী ব্রত  অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রত পার্বণ।কোথাও ষষ্ঠী রূপে পূজিত হয়।কোথাও আবার জীমূতবাহনের পুজো হয় ঘটা করে।লিখছেন–সোনাই চ্যাটার্জি।

একাম্বরেশ্বর মন্দির

পঞ্চভূত স্থলম ও পঞ্চভূত লিঙ্গম- দেবাদিদেব শিবঠাকুরের খোঁজে

পঞ্চভূত স্থলম ও পঞ্চভূত লিঙ্গম- দেবাদিদেব শিবঠাকুরের খোঁজে।শৈবতীর্থ কথাটা অনির্দিষ্ট। শৈবতীর্থের কোনও সংখ্যা গণনা হয় না। অজস্র শৈবতীর্থ ভারতবর্ষে এবং বাইরে ছড়িয়ে রয়েছে। ভারতের সব শহর এবং প্রায় পাঁচলক্ষ গ্রামের প্রতিটিতেই এক বা একাধিক শিবমন্দি আছে। এর মধ্যে যেমন অত্যন্ত বিখ্যাত শৈবতীর্থগুলি আছে, তেমনি আছে স্থানীয় ভাবে বিখ্যাত এবং অসংখ্য অল্পখ্যাত এবং অখ্যাত শিবমন্দির। একজন মানুষের পক্ষে এক জীবনে এগুলির সবকটি দেখে ওঠা সম্ভব নয়। বর্তমান লেখক চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শৈবতীর্থে ঘুরে বেড়িয়েও একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশের বেশি দেখে উঠতে পারে নি। কিন্তু এই খুঁজতে গিয়ে যে কথাটি পরিস্কার বোঝা গেছে তা হল প্রায়োরিটাইজেশন ছাড়া কিছু করা সম্ভব নয়। তা করতে গিয়ে দেখা গেল প্রায়োরিটাইজেশন ব্যাপারটা অনেকটাই ব্যক্তিগত, অর্থাৎ নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি-ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।লিখছেন-  আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

মুক্তাই চন্ডী মাতার মন্দির

মুক্তাই চন্ডী মাতা – পশ্চিম বর্ধমানের এক জনপ্রিয় লৌকিক দেবী

পশ্চিম বর্ধমানের গ্রামগুলিতে যুগ যুগ ধরে বসবাস করছেন অসংখ্য উপজাতি এবং তপশিলি জাতি যেমন সাঁওতাল, ওঁরাও, মুন্ডা, ভূমিজ , মাল পাহাড়ি, মাহাতো বাউড়ি, বাগদী, ডোম ইত্যাদি। এঁরা সবাই মিলে এক মিশ্র সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে। যার ভাষা রাঢ়ের প্রচলিত বাংলা, আর পুজো অর্চনার মধ্যে সর্বজাতি সমন্বয়ের চমৎকার প্রকাশ দেখা যায়। তাই এখানে করম পুজো, ধরম পুজো, […]

কেশপুরের দেবপরিবারের অষ্টদশভুজা দুর্গার মৃণ্ময়ী মূর্তি

অষ্টদশভুজা দুর্গার মৃণ্ময়ীমূর্তি পূজিত হয় মেদনীপুরের কেশপুরে

অষ্টদশভুজা দুর্গার মৃণ্ময়ীমূর্তি পূজিত হয় মেদনীপুরের কেশপুরের দেববাড়িতে।কয়েক পুরুষ শেষ করে দেব পরিবারের আট কর্তা গোকুলচন্দ্র দেব, লক্ষ্মণ দেব, রামকৃষ্ণ দেব, হরি দেব, হরি সাধন দেব, নীল মাধব দেব, হরিপদ দেব, অরুণ কুমার দেব ছাড়াও পরিবারের সকল সদস্য আজও ঐতিহ্য ও বনেদীয়ানাকে মেনেই দুর্গাপুজো করে আসছেন।লিখছেন– শুভদীপ রায় চৌধুরী

কালনার মন্দির

মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থল অম্বিকা কালনার অন্যতম এক দর্শনীয় স্থান

মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থল অম্বিকা কালনার অন্যতম এক দর্শনীয় স্থান। রাঢ় বঙ্গে অনেক স্থানে মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থল রয়েছে যেমন ঘাটকুলীন নোয়াপাড়া বাহিরী পাণ্ডুয়া ইত্যাদি ।কিন্তু অম্বিকা কালনার মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুদীর্ঘ এক ইতিহাস।লিখছেন–শুভদীপ সিনহা।

কবিগানের নানান অঙ্গ কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্য

কবিগানের নানান অঙ্গ ও গায়কীর বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ধারা

কবিগানের নানান অঙ্গ ও গায়কী বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ধারা রয়েছে।কবিগান বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ৷ আনুমানিক সপ্তদশ শতাব্দী হতে বর্তমান কাল পর্যন্ত বাংলা সংস্কতির এই বলিষ্ঠ সজীব ধারা নানা পরিবর্তন ও বিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কতিকে সমদ্ধ করে চলেছে৷ বঙ্গের শ্রেষ্ঠ লোকগান কবিগান তার নিজস্ব গায়কীধারা ও আঙ্গিকতায় সম্পূর্ণরূপে স্বতন্ত্র৷ লিখছেন–কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্য।

বিলুপ্ত প্রায় জন্তু জানোয়ার শকুন নাচ

বিলুপ্ত প্রায় জন্তু জানোয়ার আজও টিকে আছে রাঢ়ের লোকসংস্কৃতিতে

বিলুপ্ত প্রায় জন্তু জানোয়ার আজও টিকে আছে রাঢ়ের লোকসংস্কৃতিতে। রাঢ় বাংলার স্থাননামে ঠাকুর দেবতায় আর উৎসাবাদিতে আজও রয়ে গেছে তার সোনালি রেশ।মানুষের লোভের কাছে হার মেনেছে দেবদেবীরা।লিখছেন–স্বপনকুমার ঠাকুর।

বাঁশ যখন শিল্প

বাঁশ যখন শিল্প–যাদবগঞ্জের বাঁশ শিল্পী মাহালিদের কথা

বাঁশ যখন শিল্প–যাদবগঞ্জের বাঁশ শিল্পী মাহালিদের কথা।সামান্য একটি বাঁশ। ঝোপে ঝাড়ে কতই না বাঁশের জঙ্গল দেখেছেন। অথচ শিল্পীর হাতে সেই বাঁশই হয়ে ওঠে এক অনন্য শিল্পকর্ম। আমার সঙ্গে চলুন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের অন্তর্গত দিগনগর ২ পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রান্তিক গ্রাম- যাদবগঞ্জে। এখানে এলে দেখবেন স্থানীয় মাহালি আদিবাসীদের বারোমাস্যার কাহিনীর সঙ্গে এক আদিবাসী দম্পতির হাত ধরে তাঁদের উত্তরণের প্রচেষ্টা। লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ।

দুর্গা--বেহালার রায়পরিবারের

বেহালার রায় বাড়ির দুর্গাপুজো–ইতিহাস ঐতিহ্য ও বনেদিয়ানার দৃষ্টান্ত

বেহালার রায় বাড়ির দুর্গাপুজো–ইতিহাস ঐতিহ্য ও বনেদিয়ানার দৃষ্টান্ত।১৭৪২ সালে বাংলায় মারাঠা বর্গীদের আক্রমণ শুরু হলে, রায় পরিবারের দেবকীনন্দনের (১৭০০) পুত্র জগৎরাম ও রাজারাম গৃহদেবতাকে সঙ্গে নিয়ে, মারাঠা-খাল পার হয়ে বেহালায় নতুন বসতি স্থাপন করেন। ‘রাজার বাগান’ নামে ৫৬ বিঘা জমি ও কয়েকটি পুষ্করিণী কিনে ভদ্রাসন নির্মাণ করেন ও ঠাকুরদালান নির্মাণ করেন। এই ঠাকুরদালানেই ১৭৫৬ সাল থেকে দুর্গাপুজো শুরু হয়।লিখছেন–শুভদীপ রায় চৌধুরী