শ্রীকালহস্তীশ্বর : পঞ্চভূতলিঙ্গমের অন্যতম মরুৎ (বায়ু) লিঙ্গম

Share your experience
  • 113
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    113
    Shares

দক্ষিণ গোপুরম, শ্রীকালহস্তীশ্বর

পঞ্চভূতলিঙ্গের চতুর্থ লিঙ্গ হলেন মরুৎ বা বায়ু লিঙ্গ শ্রীকালহস্তীশ্বর। পঞ্চভূতলিঙ্গের অন্য চারটির অবস্থান তামিলনাড়ুতে হলেও শ্রীকালহস্তীশ্বর অন্ধ্র প্রদেশে তিরুপতি থেকে ৩৬ কিলোমিটার দূরে শ্রীকালহস্তিতে অবস্থিত।এই মন্দিরকে ‘রাহু-কেতু ক্ষেত্র’, ‘দক্ষিণ কাশী’ এবং ‘দক্ষিণ কৈলাস’-ও বলা হয়। লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।

এই মন্দিরে শিবকে বায়ু রূপে পূজা করা হয়। গর্ভগৃহে শিবলিঙ্গের চারপাশে অনেকগুলি প্রদীপ সর্বক্ষণ জ্বলে। সেই প্রদীপগুলির শিখাগুলি স্থির, কিন্তু তার মধ্যে একটি প্রদীপের শিখা এমন ভাবে নড়তে থাকে যে মনে হয় কেউ যেন শুধুমাত্র এই প্রদীপটিকেই হাওয়া করছেন বা ফুঁ দিচ্ছেন। পুরোহিতরা জানালেন যে এটাই বায়ু লিঙ্গের মাহাত্ম্য।প্রঙ্গতঃ, পার্বতী এখানে জ্ঞান প্রসুনাম্বিকা দেবী রূপে আছেন।

শ্রীকালহস্তীশ্বর : অবস্থান

শ্রীকালহস্তি হল অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলায় অবস্থিত একটি ছোট শহর ও মিউনিসিপালিটি। এর ভৌগোলিক কো-অর্ডিনেট হল ১৩.৪৪ ডিগ্রী নর্থ ল্যাটিচ্যুড, ৭৯.৪১ ডিগ্রী ইস্ট লঙ্গিচ্যুড (সেই ৭৯ ডিগ্রী ইস্ট!)। এই শহরটি বিশ্ববিখ্যাত বিষ্ণুতীর্থ তিরুপতি থেকে ৩৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং TUDA (Tirupati Urban Development Authority)-র মধ্যে পড়ে। এই শহরেই শ্রীকালহস্তীশ্বর মন্দিরটি উত্তরবাহিনী স্বর্ণমুখী নদী এবং দু’টি পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত। ঐ পাহাড়দু’টির নাম শ্রীপুরম এবং মুম্মিডি-চোলাপুরম । উত্তরদিকের পাহাড়টির উপর দুর্গাম্মা মন্দির এবং দক্ষিণ দিকের পাহাড়টির উপর বিখ্যাত শৈবসাধক কানাপ্পার স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠিত কান্নবেশ্বর মন্দির। শ্রীকালহস্তীশ্বর মন্দিরকে ‘দক্ষিণ কৈলাস’ এবং ‘দক্ষিণ কাশী’-ও বলা হয়। প্রসঙ্গতঃ, আরও কয়েকটি মন্দির এই ‘দক্ষিণ কাশী’ নামটির দাবীদার, তার মধ্যে আছে তামিলনাড়ুর তেনকাশী ও শিবকাশী এবং মহারাষ্ট্রের প্রকাশা। শিবঠাকুরের খোঁজে আমরা যথাসময়ে সেখানেও যাবো।

শ্রীকালহস্তীশ্বর ২
শ্রীকালহস্তীশ্বর ২

শ্রীকালহস্তীশ্বর : পৌরাণিক কাহিনী

দাক্ষিণাত্যের বিখ্যাত শিবমন্দিরগুলির মত শ্রীকালহস্তীশ্বর মন্দিরের সঙ্গেও একাধিক পৌরাণিক কাহিনী জড়িয়ে আছে। তার মধ্যে একটি আমাদের চেনা — পার্বতী কোনও অন্যায় করায় শিবের অভিশাপে মর্ত্যে আসতে বাধ্য হন এবং এইখানে কঠোর তপস্যা করে শিবকে সন্তুষ্ট করেন। শিব এখানে পার্বতীকে দর্শন দেন এবং পার্বতীর অনুরোধে নিজের অষ্টরূপের চতুর্থ রূপ (উগ্র) বায়ুলিঙ্গ রূপে এখানে থেকে যান।অন্য দুটি কাহিনী বলা হচ্ছে।

শ্রীকালহস্তিশ্বর : নামের উৎপত্তির কাহিনী

এই কাহিনীটির সঙ্গে অপ্ লিঙ্গ জম্বুকেশ্বরের সঙ্গে জড়িত একটি কাহিনীর বেশ মিল আছে। এখানেও একটি শাপগ্রস্ত মাকড়সা (শ্রী) ও হাতি (হস্তি) আছে, তবে তার সঙ্গে একটি সাপও (কাল) আছে। তিনজনে শিবের পূজা করত, কিন্তু কেউ কারুর কথা জানত না। হাতি শিবের মাথায় জল ঢালত, সাপ নিজের মাথার মণি শিবলিঙ্গের উপর স্থাপন করে শিবলিঙ্গকে সাজাত আর মাকড়সা শিবলিঙ্গের উপরে জাল বুনে একটা চাঁদোয়া তৈরী করত যাতে শিবলিঙ্গের উপর নোংরা না পড়ে।

একদিন হাতি শিবের মাথায় জল ঢালতে দেরী করে ফেলে, ফলে মাকড়সা এবং সাপের পরে শিবলিঙ্গের কাছে পৌঁছে দেখে শিবলিঙ্গর মাথায় মণি এবং তার উপরে মাকড়সার জাল। হাতি মাকড়সার জালকে নোংরা এবং শিবলিঙ্গের উপর মণিকে কারুর বদমায়েসি ভেবে জল দিয়ে সব কিছু ধুয়ে সাফ করে দেয়। মাকড়সা ও সাপ এতে ভীষণ রেগে যায়। সাপ হাতির শুঁড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে ছোবল দেয়। হাতি বিষের জ্বালায় এধার ওধার দৌড়াদৌড়ি করে শুঁড় আছড়াতে থাকে। এতে শুঁড়ের মধ্যে থাকা সাপের মৃত্যু হয় এবং হাতির গায়ের চাপে মাকড়সাও শিবলিঙ্গের গায়ে পিষ্ট হয়ে যায়। সবশেষে সাপের বিষে হাতিরও মৃত্যু হয়। তখন শিব এসে তিনজনকেই মোক্ষ প্রদান করেন এবং ঐ শিবলিঙ্গটি শ্রীকালহস্তীশ্বর নামে পরিচিত হয়।

কানাপ্পার কাহিনী

কানাপ্পাকে বলা হয় অর্জুনের অবতার। মহাভারতে আছে অর্জুন কিরাতরূপী শিবকে চিনতে না পেরে তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। শিবকে চিনতে না পারায় অর্জুনের পাপ হয়েছিল। সেই পাপ স্খালনের জন্য অর্জুন শিবভক্ত কানাপ্পা রূপে জন্মগ্রহণ করেন। কানাপ্পার শিবভক্তি নিয়ে অনেক গল্প আছে, তার মধ্যে একটি হল তিনি শ্রীকালহস্তীশ্বর লিঙ্গের চোখ (শিবলিঙ্গের উপর তিনটি চোখ আঁকা একটি প্রচলিত প্রথা) দিয়ে রক্ত বেরোতে দেখে প্রথমে নিজের একটি চোখ তুলে শিবলিঙ্গের চোখের উপর স্থাপন করেন এবং যখন নিজের দ্বিতীয় চোখটিও তুলতে যান, তখন শিব আবির্ভূত হয়ে কানাপ্পার চোখ ভালো করে দেন।

শ্রীকালহস্তীশ্বর ১
শ্রীকালহস্তীশ্বর ১

শ্রীকালহস্তীশ্বর : মন্দির

একটি পাহাড়ের গা কেটে তৈরী এই বিশাল মন্দিরটি দাক্ষিণাত্যের বিভিন্ন রাজবংশের (যেমন পল্লব, চোল, বিজয়নগর, পাণ্ড্য ইত্যাদি) রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় কয়েক শতাব্দি ধরে গড়ে উঠে বর্তমান রূপ পেয়েছে। মন্দিরটির ভিতরের অংশ আনুমানিক খৃষ্টীয় ৫ম শতাব্দিতে পল্লব রাজাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং বাইরের অংশ খৃ্ষ্টীয় ১০ম থেকে ১২শ শতাব্দিতে চোল রাজাদের, বিশেষ করে রাজা রাজেন্দ্র চোল (প্রথম) দ্বারা নির্মিত হয়। তবে ১২০ ফিট উঁচু প্রধান গোপুরম এবং ‘১০০ পিলার মণ্ডপ’-টি তৈরী করেন বিজয়নগর সাম্রাজ্যের সম্রাট কৃষ্ণদেবরায় ১৫১৬ খৃষ্টাব্দে। দুঃখের কথা, এই গোপুরমটি ২০১০ সালের ২৬ মে ভেঙে পড়ে। ASI-য়ের বিশেষজ্ঞদের মতে গোপুরমটি ১২০ ফিট উঁচু হলেও এর ভিত ছিল মাত্র দেড়ফুট। তবে এই ভেঙে পড়া গোপুরমটিকে ৪৫ কোটি টাকা খরচ করে আবার বানানো হয়েছে এবং নতুন করে বানানো গোপুরমটি ২০১৭ সালের ১৮ই জানুয়ারি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।পার্বতী এখনে জ্ঞান প্রসূনাম্মা বা জ্ঞান প্রসূনাম্বিকা দেবী নামে পরিচিত।

এই বিশাল মন্দির কমপ্লেক্সে মূল শ্রীকালহস্তীশ্বরের মন্দির ছাড়া আরও অনেকগুলি মন্দির (তামিলে ‘সন্নিথি’) আছে। মূল মন্দিরের ঠিক পিছনেই আছে মণিকান্তেশ্বর শিবের মন্দির। মূল মন্দিরের নীচে আছে ‘পাতাল গণপতি’-র মন্দির। মন্দিরটির পাশে যে দু’টি পাহাড় আছে তার মধ্যে উত্তরদিকেরটির উপর দুর্গাম্মা মন্দির এবং অন্যটির উপর কানাপ্পা প্রতিষ্ঠিত কান্নবেশ্বর শিবমন্দির।

 শিবলিঙ্গ

মূল শিবলিঙ্গটি স্বয়ম্ভূ। এই লিঙ্গটিকে কেউই স্পর্শ করার অধিকারী নন। অভিষেক পূজার সময় জল, দুধ, কর্পূর, পঞ্চামৃত, চন্দন, ফুল ও পৈতা ‘উৎসব মূর্তি’-র মাথায় ঢালা হয়, মূল শিবলিঙ্গের উপর নয়।

শ্রীকালহস্তীশ্বর : বায়ুলিঙ্গ

মন্দিরের গর্ভগৃহের মধ্যে একটি অখণ্ডজ্যোতি প্রদীপ জ্বলে। গর্ভগৃহে হাওয়া আসার মত কোনও জানালা এবং ইলেকট্রিক ফ্যান না থাকা সত্ত্বেও ঐ প্রদীপের শিখাটি সর্বক্ষণ এমনভাবে নড়তে থাকে যে দেখলে মনে হয় প্রচণ্ড জোরে হাওয়া এসে প্রদীপটিতে লাগছে। আমি পরপর দু’দিন ঐখানে গিয়েছি শুধু ঐ প্রদীপটিকে দেখার জন্য। কিন্তু জানালাহীন গর্ভগৃহে ফ্যান না থাকা সত্ত্বেও প্রদীপটির শিখা কেমন করে ওভাবে নড়ছে বুঝতে পারি নি। দ্বিতীয় দিন পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলাম। ওঁরা জানালেন প্রদীপের শিখাটি বায়ুলিঙ্গের প্রতীক, এবং এটাই এখানকার ‘চমৎকার’। কিন্তু অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও ওঁরা কিছুতেই ভিডিও বা ফটো তুলতে দিলেন না (মন্দিরের মধ্যে ক্যামেরা বা মোবাইল নেওয়া কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ)।

বিশেষত্ব

১) বলা হয় যে এটি পৃথিবীর একমাত্র বায়ুলিঙ্গের মন্দির।

২) অন্যান্য হিন্দু মন্দির সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণের সময় বন্ধ থাকলেও শ্রীকালহস্তীশ্বর মন্দির খোলা থাকে।

৩) বিশ্বাসীরা রাহু, কেতু ও সর্প দোষ কাটাতে এখানে পূজা দেন।

৪) শ্রীকালহস্তীশ্বর শুধু যে পঞ্চভূতলিঙ্গের একটি তাই নয়, ‘আথারা (আধার) লিঙ্গম’-য়েরও একটি। শ্রীকালহস্তীশ্বর বিশুদ্ধাক্ষ চক্রের অধীশ্বর। প্রসঙ্গতঃ, ‘আথারা/আধার লিঙ্গম’ হল তন্ত্রমতে মানব শরীরে যে ছ’টি গুরুত্বপূর্ণ ‘চক্র’ আছে (মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান, মণিপুর, অনাহত, বিশুদ্ধাক্ষ ও আজ্ঞা), তার অধীশ্বর শিবলিঙ্গ। ‘আথারা/আধার লিঙ্গম’ সম্বন্ধে যথাসময়ে আলোচনা করা হবে।

৫) অন্নদান প্রথা : শ্রীকালহস্তিশ্বর মন্দিরে অন্নদানের একটি সুন্দর প্রথা চালু আছে । “শ্রী জ্ঞান প্রসূনাম্বিকা দেবী নিত্য অন্নদান স্কিম”-য়ের অধীনে প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন গরীব মানুষকে অন্নসেবা করা হয়। যে কেউ কমপক্ষে ১১১৬ টাকা দিয়ে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করে বছরে একবার একটি পূর্বনির্দিষ্ট দিনে গরীবদের অন্নদান করতে পারেন। ধরুন আমি আমার বাবা বা মা অথবা দু’জনের নামে ৫ বা ১০ হাজার টাকা দিয়ে এই স্কিমে যোগ দিলাম। এবার আমাকে একটি দিন ঠিক করতে হবে, যে দিন আমার জমা দেওয়া টাকার বাৎসরিক সুদে যে ক’জন গরীব মানুষকে অন্ন খাওয়ানো সম্ভব খাওয়ানো হবে — প্রতিবছর একদিন। টাকাটা পরে ইচ্ছে করলে টপ আপও করা যায়।

শ্রী, কাল ও হস্তি
শ্রী, কাল ও হস্তি

 উপসংহার

অনেকেই তিরুপতি যান বালাজীকে দর্শন করতে। কিন্তু তাঁদের বেশিরভাগই মাত্র ৩৬ কিলোমিটার দূরের শৈব মহাতীর্থ শ্রীকালহস্তীশ্বর যান না। এর প্রধান কারন অজ্ঞতা। আশা করি এই লেখাটি পড়ে পাঠকরা (যাঁরা জানেন না) শ্রীকালহস্তীশ্বর সম্বন্ধে জানতে পারবেন এবং ভবিষ্যতে তিরুপতি গেলে শ্রীকালহস্তীশ্বরও দর্শন করে আসবেন।

তাছাড়া অনেকেই বাবা মা বা অন্য কারুর স্মৃতিতে কিছু ফিল্যানথ্রোপিক কাজ করতে চান কিন্তু ঠিক জানেন না কী করা যায়। এই ধরণের মানুষেরা শ্রীকালহস্তীশ্বর মন্দিরের “শ্রী জ্ঞান প্রসূনাম্বিকা দেবী নিত্য অন্নদান স্কিম”-য়ের কথা চিন্তা করতে পারেন। ব্যক্তিগত ভাবে আমি নিজে এই স্কিমে বাবা-মার নামে কিছু টাকা জমা দিয়েছি এবং প্রতিবছর মকর সংক্রান্তির দিন ঐ টাকার সুদে কয়েকজন গরীব মানুষকে অন্নসেবা করা হয়।

সবশেষে একটি অন্য কথা বলে এই লেখাটি শেষ করছি। বিভিন্নপ্রকার শিবলিঙ্গের পরিচয় যে গ্রন্থে আছে, সেই ‘শিলাচক্রবোধিনী’-তে বায়ুলিঙ্গের সম্বন্ধে হয়েছে :”কৃষ্ণধূম্রং নবারুচ্যং ধ্বজাভং ধ্বজমুষল”। অর্থাৎ, বায়ুলিঙ্গ ধূম্রবর্ণের, গায়ে পতাকা চিহ্ন থাকে। (শৈলেন্দ্রনারায়ণ ঘোষালশাস্ত্রীর বিখ্যাত বই “তপোভূমি নর্মদা”; দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৬) । উইকিপিডিয়ায় প্রাপ্ত শ্রীকালহস্তীশ্বর লিঙ্গের বর্ণনার সঙ্গে এটা মেলে না।

ওঁ শিবায় নমাহ।

আরও পড়ুন-আন্নামালাইয়ার তেজলিঙ্গম বিচিত্র পৌরাণিক আলেখ্য ও মন্দির ভাস্কর্য

ঋণ স্বীকার 

১) উইকিপিডিয়া সহ বিভিন্ন ইন্টারনেট সাইট।

২) শৈলেন্দ্রনারায়ণ ঘোষালশাস্ত্রীর বিখ্যাত বই “তপোভূমি নর্মদা”।

ফটো : লেখক

দেখুন শিব বিষয়ক কৌলালের ভিডিও প্রতিবেদন–


Share your experience
  • 113
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    113
    Shares

Facebook Comments

Post Author: আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

asish chottopadhyay
আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম ১৯৫৬) দুর্গাপুরের একজন প্রতিথযশা স্ত্রীরোগবিশেজ্ঞ। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার হাসতালে ৩২ বছর অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে চাকরি করার পর এখন উনি সম্পূর্ণ ভাবে গরীব ও দুস্থ রোগীদের সেবায় নিজেকে নিযুক্ত রেখেছেন। দেশভ্রমণ, ফটোগ্রাফি এবং বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজি ও বাংলায় লেখালেখি করা ওঁর নেশা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং বইতে ওঁর তোলা ফটো প্রকাশিত হয়েছে। বাংলায় লেখা ওঁর দুটি ব্যতিক্রমী উপন্যাস, একটি ছোটগল্প-সংগ্রহ, একটি কবিতার বই , একটি ছড়ার বই ও দুটি ভ্রমণকাহিনী আছে, যার মধ্যে একটি উপন্যাস (চরৈবেতি) দুবার আনন্দবাজার পত্রিকার বেস্ট সেলার লিস্টে স্থান পেয়েছিল। ইংরেজিতে ভারতের বিভিন্ন তীর্থস্থান ও মেলা নিয়ে লেখা ওঁর শতাধিক ব্লগের প্রায় দেড় লক্ষ ভিউ আছে। বাংলার মন্দিরের উপর ওঁর ইংরেজিতে লেখা একটি গবেষণাধর্মী প্রায় দুহাজার রঙিন ফটোসমৃদ্ধ ফটোগ্রাফিক ই-বুক আছে, যেটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা মন্দির ভালোবাসেন কিন্তু খুব পাণ্ডিত্যপূর্ণ লেখা পড়তে চান না, তাঁদের জন্য লেখা।।