অম্বিকা কালনার মন্দির স্থাপত্য

পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দী  শ্রীচৈতন্যোত্তর বাংলায় প্রথম নবজাগরণের যুগরূপে পরিচিত। সেই সময় নবাগত ইসলামিক সংস্কৃতির প্রতিরোধে দিশেহারা হিন্দু সমাজের গোঁড়ামির থেকে মুক্তিলাভের পথের সন্ধান দিয়েছিল বৈষ্ণব ভক্তি আন্দোলন। সাহিত্যের মতো, চৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনের জোয়ারে বাংলার মন্দির স্থাপত্য সংস্কৃতি প্রভাবিত হয়।  বাংলার পোড়ামাটি স্থাপত্য শিল্পের ইতিহাস যদিও প্রাচীন। তবে এই যুগে, পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে সুদক্ষ শিল্পীরা  মন্দিরগুলিকে উৎকর্ষতার চূড়ান্ত পরিণিতির দিকে নিয়ে যান। মন্দিরগাত্রে সংযোজিত হয় বৈষ্ণব পদাবলী ও পৌরাণিক কাহিনী আশ্রিত টেরাকোটা ফলক। গঠনশৈলী স্বতন্ত্র পরিচয় লাভ করে। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল এই মন্দিরচর্চার জের…লিখছেন–সৌম্য সেনগুপ্ত

error: Content is protected. Thanks and Regards, Koulal.