মহামারী ও দেবী চণ্ডীকা

মহামারী ও দেবী চণ্ডীকা-পৌরাণিক আখ্যান রক্তবীজ অসুর

মহামারী ও দেবী চণ্ডীকা -ভয়ঙ্কর রক্তবীজ নামক অশুভ শক্তির উল্লেখ আছে স্কন্দপুরাণে, দেবী ভাগবতে। দেবী মাহাত্ম্য বা দূর্গা সপ্তশতীতে শুম্ভনিশুম্ভ প্রেরিত রক্তবীজের বিশদ বিবরণ উল্লেখিত। শারদ দূর্গোৎসবের আর কিছুদিন মাত্র বাকী। আকাশে বর্ষা কেটে গেলেই এক বিশেষ নীলাকাশে সাদা সাদা মেঘেরা ভেসে যাচ্ছে, এমন সময়ে সেই মহাদূর্গা দেবীর রক্তবীজ বিনাশকারী অষ্টম অধ্যায়টি বড় গুরুত্বপূর্ণ এই ২০২০তে।লিখছেন–অনিতা বসু।

মশণ্ডা চণ্ডী--মন্দির

মশণ্ডা চণ্ডী-রানাঘাটের এই গ্রাম্যদেবীর বার্ষিক পুজো হয় বুদ্ধপূর্ণিমায়

মশণ্ডা চণ্ডী নদিয়ার রানাঘাটের মশণ্ডা গ্রামের অধিশ্বরী।তিনি গ্রাম্যদেবী।দেবীর বার্ষিক পুজো হয় বৈশাখী বুদ্ধ পূর্ণিমায়।দেবীর আবির্ভাব পুজোর বৈচিত্র্য নিয়ে লিখেছেন–শুভদীপ সিনহা।

খেলাইচণ্ডী -থান

খেলাইচণ্ডী লোকদেবীর পুজো হয় পশ্চিম বর্ধমানের কাল্লা গ্রামে

খেলাইচণ্ডী এক বিচিত্র লেকদেবী। পূজিত হন পশ্চিম বর্ধমানের আসানশোলের কাছে কাল্লাগ্রামে।এই পুজোর উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে, মাটির কলসিতে তৈরি করা , মায়ের অন্নভোগ বা জুড়ি পায়েস । ৪০ সের দুধ, গোবিন্দভোগ চাল ও গুড় জ্বাল দিয়ে তৈরি জুড়ি পায়েস।লিখছেন–ডা.তিলক পুরকায়স্থ