অরন্ধন পুজো

অরন্ধন পুজো ও মনসাসংস্কৃতির বৈচিত্র নিম্ন দক্ষিণবঙ্গে

অরন্ধন পুজো ও মনসাসংস্কৃতির বৈচিত্র নিম্ন দক্ষিণবঙ্গে যা ভাদ্রসংক্রান্তিতে পালিত হয় নিষ্ঠার সঙ্গে।বাংলার বিশিষ্ট লোকদেবী ‘মনসা’। ইনি সর্পদেবী রূপে বাংলার প্রায় প্রতিটি হিন্দু পরিবারে বিভিন্ন আচারণ বিধি সহ পূজিতা হন। মনসা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সর্পদেবী মনসার বিবিধ নামে, লোকাচারে ও বিশ্বাসে পুজো হয়। এই দেবীকে মনসা, পদ্মা, পদ্মাবতী, জগৎগৌরী, বিষহরি, মনসাবুড়ি, কেতকা, সিদ্ধযোগিনী, বিষহরা, ভগীবুড়ি, জগতি, বেলকুমারী, চেংমুড়ি, কানী, নাগমাত ও নাগেশ্বরী ইত্যাদি নামে স্থান বিশেষে ডাকা হয়।–লিখছেন–অভিষেক নস্কর।

মনসাতলা-গোকুলনগর-

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল-মনসাসংস্কৃতির এক অনালোচিত দিক

মনসা ধন্বন্তরী  ভীমরুল।লেখাটির নামটিই কেমন অদ্ভুত, তাই না? কোথায় মা মনসা, কোথায় বৈদ্যরাজ ধন্বন্তরীদেব আর কোথায় ভীমরুল! তার উপর আমি যে সব বিষয় নিয়ে লিখি, তার মধ্যে এ রকম অদ্ভুত কম্বিনেশন পড়ে না। তাছাড়া বিশেষ কোনও রেফারেন্স বা ব্যাকআপও নেই। একটিমাত্র জায়গায় ধন্বন্তরীর ব্যাপারে পড়লাম ধন্বন্তরী বিশেষ ভাবে সাপে কাটা রুগীদের বাঁচিয়ে তুলতেন বলে মনসা রেগে গিয়ে একঝাঁক ভীমরুল দিয়ে দংশন করিয়ে ধন্বন্তরীকে শাসন করেন। তবে বিষয়টি আমি আগে জানতাম না বা কোথাও তেমন কিছু পড়ি নি। তবে ইন্টারনেট বিশাল সমুদ্র। তার মধ্যে কোথাও না কোথাও বিষয়টি নিশ্চয়ই আছে। আমি তাই লৌকিক কাহিনী হিসেবেই এই লেখাটি লিখলাম। সেই হিসেবে পড়লেই ভালো হয়।এই ভূমিকাটির পরে এবার চলুন মূল বিষয়টিতে যাই।লিখছেন–আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়।