জাজিগ্রামের শ্রীনিবাস আচার্য ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার বিরল ব্যক্তিত্ব

মল্লরাজ বীরহাম্বীর ও রানী সুলক্ষণাকে দীক্ষাদান করলেন শ্রীনিবাস।এই প্রথম একজন বৈষ্ণব ধর্মপ্রাচরক রাজগুরুর সম্মান লাভ করলেন।শিখরভূমির রাজা হরিনারায়ণও দীক্ষা লাভের জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেন।কিন্তু তিনি রামভক্ত হওয়ার জন্য নিজে দিক্ষা দেন নি।তাঁর প্রভাবে  মল্লরাজ বীরহাম্বির ঘোরতর সাম্রাজ্যবাদী শাসক থেকে পরিণত হলেন বৈষ্ণব পদকর্তা চৈতন্যদাস। মল্লরাজধানী বনবিষ্ণুপুরে প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে একের পর এক টেরাকোটা মন্দির।বন বিষ্ণুপুর হয়ে উঠলো দ্বিতীয় বৃন্দাবন।লিখছেন–স্বপনকুমার ঠাকুর